০৮:৪৬ পি.এম
হামে এবং এর উপসর্গ নিয়ে আজ মারা গেছে তিন জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এক হাজার ১৩৪ জন আক্রান্ত। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্করাও এই সংক্রমিত রোগে কাবু হচ্ছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগীদের আইসিইউতে নিয়ে যেতে হচ্ছে। অপরদিকে, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুরা দ্রুতই ভেঙে পড়ছে। উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকদের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকগণ।
সোমবার (১ জুন) রাজধানীর মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে গিয়ে পাওয়া গেছে এই তথ্য।
শিশুদের পাশাপাশি এখন প্রাপ্তবয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছেন হামে। ৩৫ বছর বয়সী হাসান মাহমুদ সুমনকে মাত্র দুই দিনেই পুরোপুরি কাবু করে ফেলে এই রোগ। বান্দরবানের লামা এলাকায় চিকিৎসকেরা অসহায়ত্ব প্রকাশ করার পর তিনি এসেছেন রাজধানীর মহাখালী ডিএনসিসি হাসপাতালে। এ অবস্থায়, তার পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতের টেন্ডারে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
শুধু হাসান মাহমুদ সুমন নয়, হামে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪২ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তাদের মধ্যে ৫ জনকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।
সংক্রমণ কম না হওয়ার বিষয়টি চিকিৎসকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে ডিএনসিসি হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, টিকার কার্যকারিতার সুবিধা পেতে কিছুটা সময় লাগবে। এর পাশাপাশি, পুষ্টির ঘাটতি থাকা শিশুরা দ্রুত কাবু হচ্ছে।
ডিএনসিসির নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. নন্দিতা সাহা বলেছেন, হার্ড ইমিউনিটির জন্য যদি চিন্তা করা হয়, তাহলে মাসখানেক সময় দিতে হবে। এটি এমন একটি বিষয় যা বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং আমরা টিকার উপকারিতা পাব। টিকার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু টিকার বিষয়ে সঠিক প্রতিক্রিয়া পেতে এখনও কিছু সময় লাগবে। আমরা এখনো পুরোপুরি সঠিক তথ্য পাইনি। অপুষ্টিতে যেসব শিশুরা ভুগছে, তাদের মধ্যে হামের ভয়াবহতা বেড়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতার আহ্বান সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদা রহমানের
এদিকে, জটিলতা এড়াতে লক্ষণ দেখা দিলেই দেরি না করে চিকিৎসা শুরু করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন