রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
পুলিশ চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার সীমানাঘেঁষা সতিশ বাবুর লেইনে ঘটে যাওয়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় মনির হোসেন নামের একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। মনির কুমিল্লার মুরাদনগরের নুরুল ইসলামের ছেলে এবং বাকলিয়া থানার কালা মিয়া বাজার এলাকায় ভাড়া থাকেন।
সিএমপির দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনার হাবিবুর রহমান প্রামাণিক এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকালে কোতোয়ালী থানার সতিশ বাবু লেইনে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মনির হোসেন নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
ডিসি আরও জানান, মনির পূর্বে লালদীঘি জেলা পরিষদ ভবনের সামনে ছুরিকাঘাতে এক টং দোকানদারকে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি। পুলিশ ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদেরও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
প্রসঙ্গত, সিএমপির কোতোয়ালি থানার পাশের গলিতে শনিবার দিনের বেলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। একটি ভবনের বাসিন্দা ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি রিকশায় বসা একজন যাত্রীকে লক্ষ্য করে দুই যুবক ধারালো ছুরি দিয়ে রিকশাটি থামিয়ে প্রথমে যাত্রীর বুক পকেট থেকে টাকা-পয়সা নিতে যায়, এ সময় কিছু টাকা সড়কে পড়ে যায়। এরপর অপর ছিনতাইকারী রিকশাযাত্রীর প্যান্টের পকেট থেকে মোবাইল ফোন নিতে চেষ্টা করে, কিন্তু ব্যর্থ হয়। সেই ছিনতাইকারী দৌড়ে গিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় ওঠে, যার গায়ে ছিল ছাই রঙের শার্ট।
অন্যদিকে, সাদা হাফশার্ট পরা এক ছিনতাইকারী সড়ক থেকে কুড়িয়ে নেওয়া টাকা তুলে ছিনতাইয়ের শিকার ব্যক্তির পকেট কেটে মোবাইল ফোন বের করার চেষ্টা করে। এ সময় আরও মানুষ এসে জড়ো হয়ে ধাওয়া দিলে ছিনতাইকারীরা কোতোয়ালি থানার সামনে দিয়ে পালিয়ে যায় ব্যাটারিচালিত রিকশায়। রিকশা চালকের মুখে মাস্ক থাকায় তাকেও ছিনতাই দলের সদস্য হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে লাহোরের তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। এই তথ্যটি ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) পাঞ্জাব শাখার একজন মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন।
লাহোরের জেলা প্রশাসনের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আলিমা খানকে গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসন জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার জনসমাগমস্থলে উপস্থিতি জননিরাপত্তার জন্য ‘গুরুতর হুমকি’ সৃষ্টি করতে পারে।
পিটিআই আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে। দলের নেতারা জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির জন্য দেশজুড়ে সমর্থকদের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
এর আগে শনিবার পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেছেন, সরকার বিক্ষোভ মিছিল প্রতিরোধে ‘সম্ভব সবকিছু’ করবে।
আলিমা খানের গ্রেপ্তারের প্রতিক্রিয়ায় ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুলফি বুখারি একে ‘চরম নিন্দনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, আলিমা খানের গ্রেপ্তার সেটির প্রতিফলন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দুই হাজার চা শ্রমিকের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ করেছেন কমলগঞ্জে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় আলীনগর, সুনছড়া ও কামারছড়া চা বাগানে এই রেইনকোটগুলো নারী শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
আয়োজনের জন্য আলীনগর চা বাগানের মাঠে একটি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বাগানের ব্যবস্থাপক এ জে এম রফিউল রানা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের হাতে রেইনকোট তুলে দেন সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সঞ্চালনা করেন আলীনগর ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক আবসার মাহমুদ পাভেল।
এ অনুষ্ঠানে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য দুরুদ আহমেদ, কমলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পতনউষার ইউপি চেয়ারম্যান অলি আহমদ খাঁন, যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, চা শ্রমিক নেতা রামভজন কৈরি, নারী নেত্রী শাহানা আফরিনসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "রেইনকোট শুধু একটি পোশাক নয়, এটি শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই উপহার প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজ করা নারী শ্রমিকদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সরকার দেশি ও বিদেশি নাগরিকদের চীন ছাড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে। এই উদ্দেশ্যে ১৯ ধারার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বলছে, এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দেশ ছাড়ার অধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
চীনের স্টেট কাউন্সিলের ১৯ ধারার ‘রেগুলেশনস অন এক্সিট-এন্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’—ডিক্রি নম্বর ৮৪১ গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। এই অধ্যাদেশে জাতীয় নিরাপত্তা ও ঝুঁকির মতো অস্পষ্ট বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এইচআরডব্লিউর এশিয়াবিষয়ক উপপরিচালক মায়া ওয়াং এক বিবৃতিতে বলেন, চীন সরকার নির্বিচারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ আরো বাড়াচ্ছে, যার মাধ্যমে কে দেশ ছাড়তে পারবে আর কে পারবে না তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, মানবাধিকারকর্মী ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণে ইতিমধ্যে বিধিনিষেধ ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে, ফলে বিদেশিদেরও চীন ছাড়তে পারার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।
নতুন এই অধ্যাদেশে বেশ কিছু বিধান চীনের বিদ্যমান এক্সিট-এন্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আইন, পাসপোর্ট আইন ও অন্যান্য বিধিমালার বিধিনিষেধকে একত্রিত করেছে। তবে এইচআরডব্লিউর মতে, নতুন বিধিমালায় অভিবাসনসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে আরো কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ২ নম্বর ধারায় ‘প্রয়োজন হলে’ অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে ভ্রমণ নথির আবেদন বা সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের সময় নাগরিকদের ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ বা অঞ্চলে ভ্রমণ থেকে নিরুৎসাহিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে ‘উচ্চঝুঁকিপূর্ণ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে বা কখন এ ধরনের নিরুৎসাহিত করা প্রয়োজন হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এছাড়াও ৪ নম্বর ধারায় বিদেশে এমন কোনো ‘অবৈধ বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে নাগরিকদের সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত দেশ ছাড়তে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। যা জাতীয় নিরাপত্তা বা স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত হতে পারে। একই ধারায় রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ বা প্রযুক্তি আমদানি-রপ্তানি বিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞার সুযোগ রাখা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ৬ নম্বর ধারায় সাধারণত নিষেধাজ্ঞার কারণ, আইনি ভিত্তি ও প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ লিখিতভাবে জানানোর কথা বলা হয়েছে। তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা অপরাধ তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে মনে হলে কর্তৃপক্ষকে তা জানানো থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশিদের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে। ‘কাউন্টারমেজারস লিস্ট’, ‘আনরিলায়বল এনটিটি লিস্ট’ বা ‘ম্যালিশাস এনটিটি লিস্ট’-এ থাকা ব্যক্তিদের চীন ছাড়তে বাধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে এক মার্কিন ফেডারেল কর্মী ও ওয়েলস ফার্গোর এক নির্বাহীকে কোনো ফৌজদারি অভিযোগ ছাড়াই চীন ছাড়তে বাধা দেওয়ার ঘটনাও উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ।
সংস্থাটি বলছে, গত এক দশকে চীনে দেশ ছাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই কঠোর হয়েছে। উইঘুরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংখ্যালঘু, মানবাধিকারকর্মী এবং সরকারি কর্মীদের বিদেশ ভ্রমণেও বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় প্রত্যেক ব্যক্তির ‘নিজের দেশসহ যেকোনো দেশ ত্যাগ করার অধিকার’ স্বীকৃত। তবে জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য বা অন্যের অধিকার সুরক্ষার মতো বৈধ কারণে আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে।
এইচআরডব্লিউর দাবি, চীনের নতুন বিধিমালায় অস্পষ্ট কারণ দেখিয়ে নাগরিক ও বিদেশিদের দেশ ছাড়ার ওপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণের সুযোগ থাকায় তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড পূরণ করে না। সংস্থাটি বলছে, এসব বিধিনিষেধ মতপ্রকাশ ও একাডেমিক স্বাধীনতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং আত্মনিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ বাড়াতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বিগ বস’-এর মঞ্চে হঠাৎ করেই বুক চেপে যন্ত্রণায় কাতর হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সালমান খান। শোয়ের প্রতিযোগীরা মুহূর্তেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সেই দৃশ্যের প্রোমো যখন ছড়িয়ে পড়ে, তখন ভাইজানের ভক্তরাও চিন্তায় পড়ে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, "হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি সালমান?"
কিন্তু পরে জানা যায়, পুরো ঘটনাটি ছিল ‘বিগ বস ২০’-এর ‘উইকেন্ড কা ভার’-এর একটি অংশ। প্রোমোটি এমনভাবে সম্পাদনা করা হয়েছিল, যা বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। বিষয়টি নিয়ে সালমান পরে নিজেই ব্যাখ্যা দেন এবং প্রোমো সম্পাদনার ধরন নিয়ে দুঃখও প্রকাশ করেন।
সালমান বলেন, "ঈশ্বরের কৃপায় আমার স্বাস্থ্যের কোনও সমস্যা নেই। বিগ বসের প্রোমো যেভাবে এডিট করা হয়েছে তা উচিত হয়নি। পুরো বিষয়টি এমন দেখাচ্ছে যেন আমি ঘরের মধ্যে কাজি যা করেছিল, সেটাই করছি। আমি শুধু কাজিকে বোঝাতে চেয়েছিলাম যে সে যা করেছিল তা ভুল ছিল। কারণ সে তার অসুস্থতাকে বিনোদনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিল। বিশেষ করে যখন ঘরের পনেরো জন সদস্য জানতেনই না যে সে অভিনয় করছে। ওর স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন। প্রোমোটি যেভাবে এডিট করা হয়েছে, তার জন্য দুঃখিত। মনে হয়, শোয়ের প্রচারে এটাই তাদের ফরম্যাট। তাদের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।"
আসলে একটি টাস্কের পরই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন ‘বিগ বস’-এর প্রতিযোগী কাজি তৌকির। তিনি এমনভাবে ওষুধ চাইতে শুরু করেন যে, তা দেখে ঘরের অন্য সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি দেখে ‘বিগ বস’ তাকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু মেডিক্যাল রুমে পৌঁছানোর পরই বদলে যায় পরিস্থিতি। সেখানে গিয়ে কাজি একেবারে স্বাভাবিক হয়ে যান।
পরে চিকিৎসককে তিনি জানান, তার আসলে কোনো শারীরিক সমস্যা হয়নি। পুরো ঘটনাটি ছিল খেলার অংশ হিসেবে করা অভিনয়। দর্শকদের বিনোদন দেওয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।
কিন্তু কাজির এই কাণ্ড মোটেও ভালোভাবে নেননি সালমান। তার মতে, বিনোদনের জন্য অসুস্থতার মতো বিষয়কে অভিনয়ের অংশ বানানো হলে তা অন্যদের ওপর মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ ঘরের ১৫ জন সদস্যই তখন কাজির অসুস্থতাকে সত্যি ভেবেছিলেন এবং তার জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন।
কাজিকে সেই বিষয়টিই বোঝাতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু প্রোমোতে তার নিজের প্রতিক্রিয়ার দৃশ্য এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যে, উল্টো ভক্তদের মধ্যেই তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরে সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই নিজের সুস্থতার খবর জানিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন ভাইজান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ