ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চার-পাঁচ বছরের মধ্যে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করার পরিকল্পনা: নৌমন্ত্রী


চার-পাঁচ বছরের মধ্যে ভোলাকে মূল ভূখণ্ডে যুক্ত করার পরিকল্পনা: নৌমন্ত্রী

নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে মানুষের যোগাযোগ সহজ করার উদ্দেশ্যে কাঁচপুর-ইলিশা নৌপথে ফেরি সার্ভিস পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কাঁচপুর ফেরিঘাট এলাকায় ‘ঢাকা-ইলিশা ফেরি সার্ভিস’ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকদিন ফেরি চলাচলের পর যাত্রী, ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ রুট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া পাওয়া গেছে। এ কারণে ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধি, সেবার মান উন্নয়ন, শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় জরুরি অবতরণে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের দরজা খুলে গেল, রোগীর মৃত্যু

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঢাকার চক্রাকার নৌরুট ও ওয়াটার বাস সার্ভিসকে যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে নৌযান চলাচল, আরামদায়ক পরিবেশ এবং নৌপথের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এসব রুট আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এতে লোকসানও কমানো সম্ভব হবে।

সড়ক যোগাযোগের প্রসঙ্গে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বর্ষা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেতুর আশপাশে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও জনবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।’

অনুষ্ঠানে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী, পরিচালক মো. রবিউল আলম, পরিচালক এস এম আশিকুজ্জামান, পরিচালক ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ হাসেমুর রহমান চৌধুরী ও পরিচালক শেখ মো. নাসিমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৭ আগস্ট থেকে কাঁচপুর-ইলিশা নৌপথে পরীক্ষামূলকভাবে ফেরি সার্ভিস চালু হয়। বর্তমানে ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামের দুটি ফেরি প্রতিদিন উভয় প্রান্ত থেকে চলাচল করছে। একেকটি যাত্রায় সময় লাগছে প্রায় আট ঘণ্টা।

আরও পড়ুন: গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের আদেশ স্থগিত

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরাসরি এ ফেরি যোগাযোগ চালুর ফলে ভোলার পণ্য ও যাত্রী পরিবহন সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান এবং ব্যাবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে এ রুট থেকে বিআইডব্লিউটিসির রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডাগামী বিমান বিধ্বস্ত, একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


ফ্লোরিডাগামী বিমান বিধ্বস্ত, একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ

ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে একই পরিবারের চার সদস্য নিখোঁজ হয়েছেন। বাহামাসে ছুটির অবকাশ কাটিয়ে ফ্লোরিডায় ফেরার সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাহামাসের আন্দ্রোস দ্বীপের পশ্চিমে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

 

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৮০ বছর বয়সী পাইলট মারিও লামার, যিনি মায়ামির বাসিন্দা, তার স্ত্রী লিলি লামার (৭৯) এবং তাদের দুই নাতি-নাতনি সোফিয়া সোসা (২৮) ও ক্রিশ্চিয়ান সোসা (২২)।

পুলিশ ও বিমান চলাচল সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ আসনবিশিষ্ট ‘পিএ-৩৪ পাইপার’ বিমানটি বাহামাসের গ্রেট হারবার কে থেকে ফ্লোরিডার ওপা-লোকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পর বিমানটি বৈরী আবহাওয়ার সম্মুখীন হয়।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটির উচ্চতা মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ১০ হাজার ফুট থেকে ৩ হাজার ৭০০ ফুটে নেমে আসে এবং রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সাগরে ভেঙে পড়ে।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নিখোঁজ মারিও লামারের ৪০ বছরেরও বেশি উড্ডয়ন অভিজ্ঞতা ছিল। ছুটি কাটিয়ে নিজ ঘরে ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

বাহামাস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে কোস্ট গার্ড দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। নিখোঁজদের সন্ধানে সাগরে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রংপুর কমিশনারের মতবিনিময় সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রংপুর কমিশনারের মতবিনিময় সভা

 

রংপুর কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলম, দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক-রপ্তানিকারক এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হিলি স্থলবন্দরের পানামা পোর্টের হলরুমে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।সভায় বন্দরের ব্যবসায়ী, আমদানিকারক-রপ্তানিকারক এবং সংশ্লিষ্টরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এ সভায় ব্যবসায়ীরা বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, কাস্টমস-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় এবং ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যকে আরো গতিশীল করার বিষয়ে আলোচনা হয়।

কমিশনার মুহাম্মদ রাশেদুল আলম ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন বিষয় মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

 

তিনি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সভায় আগত কমিশনারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা।

এ সময় হিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম, আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন শিল্পীসহ বন্দরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং কাস্টমসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


হাতিয়াতে ধান খেতে কীটনাশক স্প্রের বিষাক্ত বাষ্পে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরুদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ে একসঙ্গে ১৬ শিক্ষার্থীর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার একদিন পর প্রশাসনের তদন্তে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশের ধানখেতে স্প্রে করা এসিমিক্স কীটনাশকের বিষাক্ত বাষ্প শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল। এ সময় তার সঙ্গে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে, সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ১০ম শ্রেণির ১৬ জন শিক্ষার্থী শ্রেণি কক্ষে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে।  

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিদ্যালয়ে অবস্থানকালে হঠাৎ ১৬ জন শিক্ষার্থী মাথা ঘোরা, বমি ভাব ও অস্থিরতা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের মধ্যে অচেতন অবস্থায় ১৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে রাতে সবাই বাড়িতে ফিরে যায়। সুস্থ হয়ে মঙ্গলবার তারা আবার বিদ্যালয়ে এসে স্বাভাবিকভাবে পাঠদানে অংশ নেয়।

ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে মঙ্গলবার সকালে ইউএনও রাসেল ইকবালের নেতৃত্বে একটি বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল টিম জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তদন্ত দল বিদ্যালয়ের পশ্চিম-উত্তর পাশে একটি জমিতে কীটনাশক ছিটানোর তথ্য পায়। বিদ্যালয়ের একেবারে পাশে ওই জমিতে কীটনাশক স্প্রে করায় এর বিষাক্ত বাষ্প বাতাসে মিশে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে বলে তদন্তে উঠে আসে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শারীরিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং কয়েকজন অচেতন হয়ে পড়ে।

জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, গতকালের ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। তবে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটিত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। আক্রান্ত ১৬ শিক্ষার্থী চিকিৎসা শেষে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরেছে এবং তারা সবাই মঙ্গলবার ক্লাসে উপস্থিত হয়েছে।

ইউএনও রাসেল ইকবাল বলেন, সোমবার ওই জমিতে একজন কৃষক এসিমিক্স কীটনাশক স্প্রে করেন। পরে মঙ্গলবার সকালে ওই কৃষক তার বাড়িতে থাকা কীটনাশকের বোতলটি তদন্ত দলের কাছে নিয়ে আসেন। বোতলের গায়ে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে, এ ধরনের তরলের তীব্র ঘ্রাণ বা সংস্পর্শে মাথা ঘোরা, বমি ভাব, অস্থিরতা ও চেতনা হারানোর মতো প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এ ঘটনায় কীটনাশকের বোতলসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে।  

এদিকে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া সতর্কতা ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও রাসেল ইকবাল বলেন, বিদ্যালয় চলাকালে স্কুলের সীমানাসংলগ্ন জমিতে কোনো ধরনের কীটনাশক স্প্রে করা যাবে না। বিদ্যালয়ের আশপাশে কীটনাশক ব্যবহার করতে হলে শুধু শুক্র ও শনিবারের মতো ছুটির দিনে তা করতে হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরের দিকে তমরুদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী উচ্চবিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ ৬ষ্ঠ, সপ্তম ও দশম শ্রেণির ১৬ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অচেতন অবস্থায় ১৩ জনকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে ৩ শতাধিক রোগীদের ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা, ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরোজপুর প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


পিরোজপুরে ৩ শতাধিক রোগীদের ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা, ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন
পিরোজপুরে প্রায় তিন শতাধিক মানুষের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছানি রোগীদের শনাক্ত করে বিনামূল্যে অপারেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী পিরোজপুর করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং বরিশালের ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় এ ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়।
 
ক্যাম্পে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ নানা বয়সী প্রায় ৩০০ জন চক্ষু রোগী চিকিৎসাসেবা ও পরামর্শ নেন। এ সময় ছানি রোগীদের শনাক্ত করা হয়। শনাক্ত রোগীদের বরিশালে নিয়ে বিনামূল্যে ছানি অপারেশন করানো হবে। পাশাপাশি তাদের যাতায়াত, থাকা ও চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় খরচ সংগঠনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে বলে জানানো হয়।
 
চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা বলেন, এমন আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। এখানে আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পাশাপাশি যেসব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন, তাদেরও বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এমনটাই প্রত্যাশা আমাদের।
 
শহরের বাসিন্দা সুফিয়া বেগম বলেন, আমি একজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে এসেছি চোখের সমস্যা দেখাতে। এই আয়োজনটি খুবই ভালো হয়েছে। গরিব মানুষদের অনেক উপকার হবে। 
 
সদরের কদমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো: জাহিদুল ইসলাম বলেন, কতৃপক্ষ ভালো একটা উদ্যোগ নিয়েছে। মানবদেহ একটি অমূল্য সম্পদ। এই যে চিকিৎসা ক্যাম্প করেছে এতে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে। আমরা এতে উৎসাহিত হয়েছি, এরকম যেন আরও বেশি করে আয়োজন করা হয় সেই আহবান জানাই। 
 
আরেক উপকারভোগী মো: লুৎফুর রহমান বলেন, গ্রামের মানুষ চোখের কি সমস্যা হয়েছে তা জানে না। এভাবে যদি বিভিন্ন জেলায় এবং উপজেলা ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প হয়, তাহলে তার যানতে পাবে তাদের চোখে কি সমস্যা হয়েছে এবং তারা সেবাও পাবে। আমিও এসেছি আমার চোখে কি সমস্যা হয়েছে এটা জানতে। 
 
মৌলভী জয়নুল আবেদীন অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেন, আমরা সংগঠনের উদ্যোগে এর আগেও একাধিকবার এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। দেখা যায়, অনেক অসহায় মানুষ অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা করাতে পারেন না। সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা না নেওয়া এবং চিকিৎসার প্রতি অবহেলার কারণে অনেকে অন্ধত্ব বরণ করেন। আবার অনেকেই ছানি রোগে ভুগছেন। এসব অসহায় মানুষের কথা চিন্তা করেই আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের পাশাপাশি ছানি রোগীদের বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করেছি। আমরা এটাই চেয়েছি যে, কারো অর্থের অভাবে চোখের চিকিৎসা যেন থেমে না থাকে। 
 
ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কাম-অর্গানাইজেশন কাজী মিজানুর রহমান বলেন, এটি একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানটি। ১৯৬০ সালে এটি মনবতার সেবার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি মানুষদের সেবা দেয়ার জন্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা বিভিন্ন এলাকায় সেবা দেয়ার জন্য যাই। আজাকে যারা চিকিৎসার জন্য এসেছেন তাদেরকে তাদের চোখের ছানি অপারেশন করা হবে এবং চশমা বিতরণ করা হবে। এই চিকিৎসায় প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%