বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১৫ এম
বরগুনায় মাদক সেবনের জন্য টাকা চেয়ে মা ও দুই বোনকে মারধর, ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ; ডোপ টেস্টে গাঁজা সেবনের প্রমাণ
বরগুনায় মাদক সেবনের জন্য টাকা চেয়ে নিজের মা ও দুই বোনকে মারধর, বসতঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে মো. সুমন খলিফা (৩৫) নামে এক যুবককে মোট ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্র ও পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টার দিকে বরগুনা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বরগুনা ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুমন খলিফা তার মা মোছা. নিলুফা (৬০) এবং দুই বোন নিশিতা শিমু (২৯) ও সুমাইয়া আক্তার মিমকে (২৪) মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। একই সময় মাদক সেবনের জন্য তাদের কাছে টাকা দাবি এবং বসতঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করার অভিযোগও রয়েছে।
সংবাদ পেয়ে বরগুনা থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম বালির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সুমন খলিফাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পায় বলে জানানো হয়েছে।
পরে তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন কি না, তা যাচাই করতে ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে বরগুনার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে *Canabinoids Positive (THC)* পাওয়া যায়। হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ডা. মো. মারুফ হাসান মতামতে উল্লেখ করেন, পরীক্ষার ফল অনুযায়ী তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন।
পুলিশ জানায়, সুমন নিজের দোষ স্বীকার করায় তাকে আদালতে সশরীরে হাজির করা হয়। পরে বরগুনার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাকে গাঁজা সেবনের অপরাধে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন।
এ ছাড়া মা ও দুই বোনকে মারধরের ঘটনায় আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ফলে দুই অপরাধে সুমন খলিফার মোট ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে অতিরিক্ত ৩০ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন যে, গণ-অভ্যুত্থানের পর সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে কথা হয়েছিল। নির্বাচন সম্পন্ন হলেও, সংস্কার ও বিচার এখনও বাকি রয়ে গেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সংলগ্ন পলাশী চত্বরে আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভের পাদদেশে শহীদ আবরার ফাহাদের সপ্তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহফুজ আলম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের বিচার যেমন জরুরি, তেমনি অতীতে দমন-পীড়ন, গুম ও হত্যার শিকার ব্যক্তিদের বিচারও প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আবরার ফাহাদের শাহাদাতের সঙ্গে এসব বিচারের বিষয়ও সম্পর্কিত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার আমলে আবরার ফাহাদের শাহাদাতের ঘটনা ঘটেছে, তখন আমাদের অবস্থান ছিল যে, বাংলাদেশকে ভেতর থেকে স্বাধীন করতে হবে। আজও আমাদের সামনে একই প্রশ্ন বিদ্যমান। ভারতের দিক থেকে উপনিবেশ ও সম্প্রসারণবাদের বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। তবে জনগণের রাজনৈতিক শিক্ষা ও সচেতনতার মধ্যে যদি উপনিবেশের প্রতি আকাক্সক্ষা বা আত্মীয়তা থাকে, তাহলে বাইরের কেউ দেশকে উপনিবেশ বানানোর প্রয়োজন হয় না।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে মাহফুজ আলম বলেন, আমাদের লড়াই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি পর্ব অতিক্রম করেছে। সামনে আমাদের লড়াই আট স্তম্ভের বিষয়গুলো নিয়ে হচ্ছে, যা সার্বভৌমত্ব, জাতীয় সম্পদ রক্ষা এবং গণতন্ত্রের প্রশ্ন। গুমের শিকার ব্যক্তিদের বিষয়ে গঠিত কমিশনের তথ্য এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বহু মানুষের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহতদের পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ধরে দমন-পীড়নের শিকার ব্যক্তিদের বিচারের দাবিও সামনে রাখেন। শহীদ আবরার ফাহাদ আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছিল এই বিচারের জন্য। তিনি মনে করেন, শহীদ আবরার ফাহাদের বিচারের সঙ্গে সঙ্গে অন্য যেসব মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ মুক্ত হয়েছি এবং গণতন্ত্রের ধারায় ফিরে আসতে পারছি, তাদেরও স্মরণ করা উচিত। শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মাহফুজ বলেন, ‘শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ, লুটপাট, দুর্নীতি এবং দেশকে বিক্রি করে দেওয়ার যে রাজনীতি, সে রাজনীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।
স্মরণসভায় কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকতউল্লাহ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। তথ্যটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়।
গত শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে, শেখ হাসিনার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সামরিক বিমানে ভারতে যাওয়ার বিষয়টি এবং সেই সময়ের পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের ভূমিকা নিয়ে দীনেশ ত্রিবেদীর মন্তব্য বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে, যা কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে। তিনি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেছেন যে, শেখ হাসিনাকে ভারতীয় বিমান বাহিনী বা সেনাবাহিনী ভারতে নিয়ে যায়নি। বাংলাদেশের তৎকালীন পরিস্থিতির কারণে তিনি ভারতে এসেছিলেন এবং সেই সময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাস্তবতাকে গ্রহণ করা ছাড়া ভারতের সামনে খুব বেশি বিকল্প ছিল না।
দীনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় যে মন্তব্য করেছেন, তা শেখ হাসিনা ভারতে যাওয়ার পরদিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ভারতের সংসদের উচ্চ-কক্ষ রাজ্যসভায় দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্ন কিছু নয় বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আসন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লিভারপুল সম্ভবত আলেকজান্ডার ইসাক ও কোডি গাকপোকে পাবে না। এই তথ্যটি জানিয়েছেন লিভারপুলের প্রধান কোচ আন্দোনি ইরাওলা।
আন্তর্জাতিক বিরতির সময় জাতীয় দলে খেলার সময় ইসাক উরুতে এবং গাকপো গোড়ালিতে চোট পান। উভয়েই দেশের ক্যাম্প ত্যাগ করে ক্লাবে ফিরে আসেন।
লিভারপুল ইতোমধ্যে হুগো একিতিকে দীর্ঘমেয়াদি অ্যাকিলিস ইনজুরির কারণে হারিয়েছে। ফলে সিটির বিরুদ্ধে ম্যাচে ইরাওলার কাছে অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডের অভাব দেখা দিতে পারে।
ইরাওলা মন্তব্য করেন, “ইসাক ও গাকপো দুজনেই জাতীয় দল থেকে ইনজুরি নিয়ে ফিরেছে। এখন আমাদের দেখতে হবে তারা সময়মতো সুস্থ হয়ে আমাদের পরবর্তী ম্যাচে সাহায্য করতে পারে কি না। তবে বর্তমানে তারা দুজনই ইনজুরিতে রয়েছে।”
ফ্রান্সের হয়ে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলের জয়ী ম্যাচে ডিফেন্ডার জেরেমি জ্যাকুয়েট ছিলেন অনুপস্থিত, যিনি হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় ভুগছেন। তার অবস্থা সম্পর্কে ইরাওলা কোনো মন্তব্য করেননি।
সিটির বিরুদ্ধে ম্যাচটি ইরাওলার লিভারপুল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে ধরা হচ্ছে। যদিও দলটি এখন পর্যন্ত চারটি জয় ও তিনটি ড্রয়ে অপরাজিত, কোচ স্বীকার করেছেন যে পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা নেই।
তিনি বলেন, “আমরা অপরাজিত থাকলেও তারা সব ম্যাচ জিতেছে। তাই পার্থক্যটা অনেক বড়। সিটি সম্প্রতি বিশেষ করে আক্রমণে প্রচুর গোল করছে। তাদের বিরুদ্ধে জিততে হলে আমাদের খুব ভালো খেলতে হবে।”
আন্তর্জাতিক বিরতি লিভারপুলের ছন্দে আরও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। গত মৌসুমে বাজেভাবে ব্যর্থ হওয়া দলের পুনর্গঠনে কাজ করছেন ইরাওলা।
তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার— আরও তীব্র, আরও সরাসরি খেলতে চাই, তবে একইসঙ্গে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণও করতে চাই। যেমন নিউক্যাসলের বিরুদ্ধে (২-২ ড্র) আমরা ভালো খেললেও ট্রানজিশনে দুটি গোল খেয়েছি। এখন আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে উন্নতি করেছি, কিন্তু আক্রমণে প্রথম ম্যাচের মতো ধার নেই। তাই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া জরুরি।”
প্রিমিয়ার লিগে আগামী রোববার অ্যানফিল্ডে সিটিকে আতিথ্য দেবে লিভারপুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, যে আকাঙ্খা নিয়ে জুলাই আন্দোলন হয়েছে, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, বর্তমান সরকার সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। ৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় এসে ৭০ শতাংশ গণভোটের রায় ভুলে গেছে বিএনপি সরকার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভোটের মাঠে গণভোট দেওয়ার জন্য ভোটারদের আহবান জানালেও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করছেন না। এক সাথে দুইটি ভোট অনুষ্ঠিত হলো। অথচ গণভোট মানা হচ্ছে না। একটি ভোট অবৈধ হলে আরেকটি ভোট বৈধ হয় কীভাবে ? গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে জনগণ লালকার্ড দেখাবে। তাই গণভোট দ্রুত বাস্তবায়ন করে বৈষম্য ও ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়তে কঠোর হুশিয়ারি দেন তিনি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে নড়াইলের লোহাগড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (জয়পুর) ময়দানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আয়োজিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ আর পুলিশ লীগের মতো পুলিশ দল দেখতে চায় না। পুলিশকে সরকারের লাঠিয়ালবাহিনী হিসেবে দেখতে চায় না। বর্তমান সংবিধানে প্রধানমন্ত্রীর যে একক ক্ষমতা আছে, তাতে দুই পাঁচ বছরের মধ্যে তারেক রহমানও শেখ হাসিনা হয়ে যাবেন। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে প্রধানমন্ত্রী একক ক্ষমতার অধিকারী হবেন না। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হবে। ন্যায়বিচার পেতে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্ব স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা চালু করতে হবে। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন হতে হবে।
মামুনুল হক আরও বলেন, সিন্ডিকেট করে তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দামবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়েছে। প্রয়োজনীয় গ্যাস ও বিদ্যুৎ না থাকায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকখাতে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। এতে অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় আামাদের পোশাকখাত পিছিয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নড়াইল জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মহসিনুদ্দীনের সভাপতিত্বে নাগরিক সমাবেশে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন-সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্মমহাসচিব মুফতি শরাফত হোসাইন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ কাসেমী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য মুফতি আব্দুর রহমান, নড়াইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আলমগীর হুসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মুফতি ফারুক হাসান নদভী, উপদেষ্টা মুফতি শুয়াইব ইবরাহীম, যশোর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা বেলায়েত হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মনিরুজ্জামান, নড়াইল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শাফায়াত হোসাইন, যুব মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান মিনহাজ, সাবেক জেলা সভাপতি মাওলানা জাকারিয়াসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন-সংগঠনের লোহাগড়া পৌর সভাপতি মুফতি দিদারুল ইসলাম এবং যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য মুফতি আব্দুল আজিজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ