০১:৩৯ পি.এম
রাশিয়া দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে, যা ইউক্রেনের কিয়েভ ও ঝিতোমির অঞ্চলে অবস্থিত। বুধবার টেলিগ্রামে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ হামলার তথ্য প্রকাশ করে। শীতকালীন আবহাওয়া বাড়ার সাথে সাথে ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে মস্কো।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওদেসা উপকূলের কাছে সমুদ্রে একটি পণ্যবাহী জাহাজেও হামলা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার, রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইউক্রেনের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এই হামলায় দেশের একটি বড় অংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তি আলোচনা আবার শুরু হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। হামলাগুলো এক সপ্তাহ আগে সংঘটিত হয়েছে।
ইউক্রেনের জরুরি সেবা বিভাগ এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, পোলতাভা, দিনিপ্রো, কিরোভোহরাদ ও রিভনে অঞ্চলেও রাশিয়া হামলা চালিয়েছে। রাজধানী কিয়েভেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। টেলিগ্রামে প্রকাশিত বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রিমিয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মস্কোর নিয়োগপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার মতে, উপদ্বীপটির বাইরে একটি দুর্ঘটনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানে পারমাণবিক হামলা হলে জ্বলবে পুরো বিশ্ব! মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে রাশিয়া-ইউক্রেন ও কোরীয় উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়তে পারে যুদ্ধের ভয়াবহতা
অন্যদিকে, ক্রিমিয়ার নিকটে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ক্রাসনোদারের কাছে ড্রোন হামলায় দেশটির অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওজোনের একটি পণ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহকেন্দ্রে আগুন লেগে যায়। ২০১৪ সালে ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়া দখল করে রাশিয়া। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পেছনে কী দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে উভয় দেশই বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
গত মাসে ক্রেমলিনের এক উপদেষ্টা বলেছিলেন, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তিন পক্ষের শান্তি আলোচনার বিষয়ে মস্কোর অবস্থান কিছুটা নির্ভর করবে রাশিয়ার জাতীয় ঐক্য দিবসে ইউক্রেন বড় ধরনের হামলা চালায় কি না, তার ওপর। প্রতিবছর ৪ নভেম্বর রাশিয়ায় সরকারি ছুটি হিসেবে দিবসটি পালন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন