ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিসিপিএম নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনারের সঙ্গে বিসিপিএম নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরীর সঙ্গে প্রবাসী সাংবাদিকদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়া’র (বিসিপিএম) নতুন কমিটির নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে দূতাবাসের হলরুমে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় দেশের প্রেসক্লাবের নেতারা প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে ও স্যোশাল মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার করার সময় একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া হোস্ট কান্ট্রি। ফলে তাদের সংবেদনশীল জায়গায় যেন আঘাত না লাগে; তাদের (মালয়েশিয়ার) কোনো প্রতিষ্ঠান বা জনগণ যেন আহত না হোন সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: সাত মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চীনের তিব্বত

এছাড়া, একই সঙ্গে শ্রমবাজারের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আরো বিভিন্ন বিষয়ের দিকেও খেয়াল রাখার আহ্বান তিনি জানান।

হাইকমিশনার মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী বলেন, বিদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়া সরকারের নেওয়া বীমাসহ সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত উদ্যোগগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব-মালয়েশিয়ার নবগঠিত কার্যকরী কমিটিকে শুভকামনা জানান।

তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়া প্রবাসী সাংবাদিকেরা প্রবাসীদের সঙ্গে দেশের মানুষের সেতুবন্ধনকারী হিসেবে যেমন কাজ করেন, তেমনি প্রবাসীদের সঙ্গে দূতাবাসের সেতু বন্ধনেও কাজ করছেন। আপনাদের সাংবাদিকতা চর্চায় আরো উৎকর্ষতা আসুক সেই কামনা করি।’

আরও পড়ুন: নিছিদ্র নিরাপত্তায় দুর্গাপূজা, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি পরিদর্শন করলেন শতাধিক মণ্ডপ

মতবিনিময়কালে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (কনস্যুলার) গোলাম রাব্বানী এবং প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম। সাংবাদিক প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেসক্লাব মালয়েশিয়ার সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিক আহমদ খান, সাবেক সভাপতি মোস্তফা ইমরান রাজু, সহ-সভাপতি কায়সার হামিদ হান্নান, খন্দকার মোস্তাক আহমেদ রয়েল, আশরাফুল মামুন, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পী কুমার দাস, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সওকত হোসেন জনি, এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আরিফুজ্জামান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প পরিবার কফিনে শুয়ে আছে, বিলবোর্ডের ছবিতে প্রতিশোধের বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


ট্রাম্প পরিবার কফিনে শুয়ে আছে, বিলবোর্ডের ছবিতে প্রতিশোধের বার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার পরিবারের সদস্যদের সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে একটি বিশাল ও বিতর্কিত বিলবোর্ড উন্মোচন করা হয়েছে।

তেহরানের প্রধান কেন্দ্র প্যালেস্টাইন স্কয়ারে স্থাপিত এই বিলবোর্ডে ট্রাম্প এবং তার পরিবারের ছবি ঠিক নিচে মার্কিন পতাকায় মোড়ানো কয়েকটি কফিনের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। খবরের সূত্র দ্য টেলিগ্রাফ।

হোয়াইট হাউসের আদলে তৈরি একটি বিশেষ পটভূমির ওপর তৈরি এই বিলবোর্ডে ফারসি এবং ইংরেজি ভাষায় স্পষ্ট অক্ষরে লেখা হয়েছে ‘রক্তের বদলে রক্ত’ (ব্লাড ফর ব্লাড)। মূলত, ইরানের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে সরাসরি ট্রাম্পের পরিবারকে নিশানা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন।

এর আগে, তেহরানের এঙ্গেল্যাব স্কয়ারে আরেকটি বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে একটি খোলা কালো কফিনে শোয়ানো অবস্থায় দেখা হয়েছিল, যেখানে লেখা ছিল—‘আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব’।

সর্বশেষ, উন্মোচিত বিলবোর্ডটিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প, তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্পের পাশাপাশি ট্রাম্পের পাঁচ সন্তান—ইভান্কা, ব্যারন, টিফানি, ডোনাল্ড জুনিয়র এবং এরিক ট্রাম্পের স্বরূপও ব্যবহার করা হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পরিণাম হিসেবে এবং এই হত্যার তীব্র প্রতিক্রিয়া ও প্রতিশোধের অংশ হিসেবে এই বিলবোর্ডটি স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য, ওই হামলায় খামেনির সাথে তার মেয়ে, জামাতা, পুত্রবধূ এবং এক শিশু নাতনিও নিহত হয়েছিলেন।

তেহরানের প্যালেস্টাইন স্কয়ারের এই দেয়ালটি দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্ত রাজনৈতিক বার্তা এবং হুমকি প্রদানের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রায় প্রতি রাতেই ইরানি সরকারের সমর্থকেরা সেখানে জড়ো হয়ে ফিলিস্তিন এবং হিজবুল্লাহর পতাকা উড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তেহরানের ভালিআসর স্কয়ারের এই ধরনের বড় দেয়ালচিত্রগুলো মূলত ডিজাইন করে ‘আওজ আর্টস অ্যান্ড মিডিয়া অর্গানাইজেশন’ নামক একটি বিশেষ সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সাথে যুক্ত। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যেকোনো ধরনের দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিরোধিতা করে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের আঞ্চলিক, পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র নীতিগুলোকে কড়া প্রচারের মাধ্যম হিসেবে এই দেয়ালগুলোকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেয়ালে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে হুমকির ভাষা এবং পোস্টারের তীব্রতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছিলেন যে তাকে বা তার পরিবারের ওপর যেকোনো ধরনের ইরানি হামলার চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্র ‘কঠোর ও বিধ্বংসী’ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে, ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম এবং শীর্ষ কর্মকর্তারা খামেনি হত্যার ‘চূড়ান্ত প্রতিশোধ’ নেওয়ার কথা বারবার পুনর্ব্যক্ত করছেন। খামেনির ছেলে ও সর্বোচ্চ নেতা পদে তার উত্তরসূরি আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি একটি কঠোর বার্তায় প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, খামেনির খুনিরা ‘নিজেদের বিছানায় কোনোদিন শান্তিতে মরতে পারবে না’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জাতিসংঘে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার

অন্তর্ভুক্তিমূলক, সাশ্রয়ী, জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহাম্মদ সোহেল মনজুর।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিউ আরবান এজেন্ডার মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ণ, সাশ্রয়ী আবাসন এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

দেশের নগরায়ণকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আহাম্মদ সোহেল মনজুর জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আওতায় সরকার সাশ্রয়ী আবাসন সম্প্রসারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই নগর অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এসব উদ্যোগ নিউ আরবান এজেন্ডা ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভবিষ্যৎমুখী নগর উন্নয়ন কৌশলের অংশ হিসেবে সমন্বিত স্থানীয় পরিকল্পনা, ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা, উদ্ভাবনী নগর অর্থায়ন, সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন এবং জলবায়ু সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের গুরুত্বারোপের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, টেকসই নগর উন্নয়নের মাধ্যমে এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে কোনো মানুষ বা কোনো অঞ্চল পিছিয়ে থাকবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে ১৫ ঘণ্টায় পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


টাঙ্গাইলে ১৫ ঘণ্টায় পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ জনের

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় মাত্র ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক চারটি দুর্ঘটনায় ৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এসব ঘটনায় আরও ১১ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত উপজেলার থলপাড়া, মন্দিরাপাড়া, কোদালিয়া ও কাটরা এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের ভাওয়াল এলাকা থেকে প্রায় ৪০ জন যুবক নৌকায় করে মহেড়া জমিদারবাড়ি পিকনিক স্পট থেকে ফেরার পথে থলপাড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর ওপর ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হন। এতে ৬ জন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং পরে কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জিকুল হোসেন (১৮) ও সামসুর রহমান সাজ্জাত (৩১)-কে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চারজন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অন্যদিকে, মন্দিরাপাড়া বিলে বেড় জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে সুশান্ত রাজবংশী (১৮) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে ডুবে মারা যান। এ ঘটনায় আরও সাতজন আহত হন এবং পরে ফায়ার সার্ভিস তার মরদেহ উদ্ধার করে।

অথবা, গোড়াই ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামে খালে পাট জাগ দিতে গিয়ে পানিতে ডুবে মারা যান রুস্তম আলী (৬৫)। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তার মরদেহ উদ্ধার করে।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জামুর্কী ইউনিয়নের কাটরা এলাকায় লৌহজং নদী থেকে উদ্ধার করা হয় এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ। তার নাম জুলহাস মোল্লা (৪৮)। মরদেহটি আইনি প্রক্রিয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মির্জাপুর উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মেহেদী হাসান জানান, পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং আহতদের চিকিৎসা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১ বছরের শিশু বিহানের জীবনের মূল্য ৭ লাখ টাকা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


১১ বছরের শিশু বিহানের জীবনের মূল্য ৭ লাখ টাকা!

 

আরব সাগরের তীরে অবস্থিত আলো ঝলমলে মুম্বাই যেন একটি মোহময় নগরী। এ নগরীতে বলিউডের সেলিব্রেটিদের অধিকাংশই বাস করেন।

কিন্তু এই ঝলমলে আলোয়ের নিচে গহীন অন্ধকারের অবস্থা রয়েছে। একটু বেশি বৃষ্টি হলেই নগরীর রাস্তাঘাট সব তলিয়ে যায়। জলাবদ্ধতায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ে। এটি শুধুমাত্র স্থবিরতার সৃষ্টি করে না, বরং অনেক সময় প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

এবারের বৃষ্টির পাশাপাশি জলাবদ্ধতার কারণে গাছ উপড়ে, ভবন ধ্বসে, ম্যানহোলের মধ্যে পড়ে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে।

এদের মধ্যে ১১ বছর বয়সী স্কুলছাত্র বিহান শ্রীবাস্তবের মৃত্যুর ঘটনা সকলকে কাঁদিয়ে দিয়েছে। বিহান ছিল বাবা-মার একমাত্র সন্তান এবং মুম্বাইয়ের চেম্বুর এলাকার ইউনিভার্সাল হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ৩০ জুন, স্কুল ছুটি হওয়ার পর বিহান স্কুলবাসে করে বাড়ি ফিরছিল।

রাস্তার পাশে থাকা একটি বিশাল অশ্বত্থ গাছ হঠাৎ করে শিকড়সহ উপড়ে চলে আসলে তা চলন্ত বাসটির ওপর পড়ে যায়। অনিবার্যভাবে ঘটনাস্থলেই বিহান শ্রীবাস্তব মারা যান।

এরপর ১ জুলাই বৃহন্মুম্বাই মিউনিসিপাল করপোরেশন (বিএমসি) তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি তাদের রিপোর্ট গত সোমবার পেশ করে। সেই রিপোর্ট নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে।

রিপোর্টে রাস্তার ঠিকাদার ও সুপারভাইজারকে দায়ী করা হলেও বিএমসির সড়ক ও উদ্যান বিভাগের কাউকে দায়ী করা হয়নি। রিপোর্টটি বিহানের পরিবারের জন্য ৭ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেয়ার সুপারিশ করে। এর মধ্যে ঠিকাদারকে দিতে হবে ৫ লাখ, আর সুপারভাইজারকে ২ লাখ দিতে বলা হয়েছে।

কিন্তু বিএমসির হাজার অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্টটি বিএমসির সাধারন সভায় সর্বসম্মতিক্রমে প্রত্যাখ্যাত হয়। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বিএমসির সাধারণ সভায় মেয়র ঋতু তাওড়ে তদন্ত রিপোর্টটি ছিঁড়ে ফেলেন এবং তৃতীয় পক্ষের অধীনে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান।

শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঋতু তাওড়ে বলেন, 'গতকাল (বৃহস্পতিবার) আমরা করপোরেশনে সর্বসম্মতভাবে প্রশাসনের ওই প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা প্রতিবেদনের অনুলিপিটি ছিঁড়ে ফেলেছি এবং প্রশাসনকে একটি পুনঃতদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছি। পাশাপাশি এই ঘটনার পুনরায় খতিয়ে দেখতে তদন্ত প্যানেলে দুজন কর্পোরেটরকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলেছি।'

মেয়র ঋতু তাওড়ে এ তদন্ত রিপোর্টকে অনভিপ্রেত আখ্যা দিয়ে বলেন, 'আমি প্রতিবেদনটি পড়ে দেখেছি, যেখানে কেবল ঠিকাদার এবং সুপারভাইজারকে ঘটনার জন্য দায়ী করা হয়েছে, অথচ নাগরিক সংস্থার সড়ক ও উদ্যান বিভাগকে কোনো দোষ দেওয়া হয়নি।'

এর আগে বৃহস্পতিবার বিহানের বাবা গৌরব শ্রীবাস্তব বলেন, 'আমরা আশা করছি যে এই প্রতিবেদনের ফলাফল নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হবে এবং একটি পুনঃতদন্ত হবে, যা হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ এবং এর মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।'

বিহানের বাবা সাক্ষাৎকারে অভিযোগ করেন, অবহেলার একটি বিষয়কে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, 'এটি প্রমাণ হওয়া উচিত যে এটি মানুষের অবহেলা এবং এ ঘটনার সাথে যুক্ত থাকা পুরো ব্যবস্থার মানুষদের শাস্তি হওয়া উচিত। আমি মনে করি তাতেই বিচার পাওয়া যাবে এবং কিছু নতুন নিয়ম তৈরি করা উচিত অথবা প্রক্রিয়ার উন্নতি করা উচিত, যাতে আগামী বর্ষায় অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে একই ঘটনা না ঘটে।'

মেয়রের কণ্ঠেও গৌরবের কথার অনুরণন পাই, 'আমিও একজন মা। তাদের সন্তান চলে গেছে। তাদের সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এই প্রতিবেদনটি ভুক্তভোগীর পরিবারের জন্য ৭ লাখ টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছে, যার আমি তীব্র বিরোধিতা করছি। আমি বর্ষার আগে ব্যক্তিগতভাবে সেই রাস্তাটি পরিদর্শন করেছিলাম এবং সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে দুর্বল গাছগুলোর বিষয়ে সতর্ক করেছিলাম। আমরা একটি মূল্যবান জীবন হারিয়েছি, আর তারা তার মূল্য নির্ধারণ করেছে ৭ লাখ টাকা। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%