বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩০ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন। তিনি উল্লেখ করেন, "প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য ছিল শিল্প-কারখানা যেন আবার সচল হয় এবং বাংলাদেশের অগ্রগতি যেন ধাবমান থাকে, সেটা নিশ্চিত করা।"
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে সরকারের এক মাসের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।
তিনি জানান, "প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি দেশের প্রধান ব্যবসা ও শিল্প সংগঠনের শীর্ষ ২১ জন নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের একাংশের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি গ্যাস সরবরাহের সংকট কাটিয়ে পরিস্থিতি দ্রুততম সময়ে বাস্তবতার নিরিখে ফিরিয়ে আনা সর্বোচ্চ উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।"
মাহ্দী আমিন আরও বলেন, "আমরা দেখেছি, অত্যন্ত স্বল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবতায় গতকাল থেকে শুরু হয়েছে, গ্যাসের সরবরাহ অনেকটাই বেড়েছে। গ্যাসের যে দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখেছি সামনের দিনে সে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে।"
তিনি বলেন, "এক মাস ধরে সরকারের যে বহুমুখী কল্যাণকর কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার সাফল্য নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার।"
মাহ্দী আমিন উল্লেখ করেন, "প্রথাগত শাসনপদ্ধতির ভেড়াজাল ভেঙে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া, আইনের অনুশাসন প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী যে দায়বদ্ধতা ও পরিকল্পনার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন, তা দেশের গণ্ডি ফেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও প্রশংসিত হচ্ছে।"
তিনি বলেন, "বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন বিশ্বের একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতিও ইতিবাচক ধারায় যাচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমেছে এবং বিশ্বের অনেক দেশ, এমনকি আশপাশের দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের দামও কম।"
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সরকারের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরে বলেন, "ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কক্সবাজারে ব্লু ইকোনমি নিয়ে গবেষণার জন্য একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
তিনি জানান, "দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাদবাগান কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। সরকারি আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সম্পত্তির উত্তরাধিকার আইনও করা হয়েছে।"
মাহ্দী আমিন বলেন, "বর্তমান সরকার কক্সবাজারে একটি বিশেষায়িত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ ছাড়া কওমি ও আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি নিশ্চিতে দুপুরের মিল দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান। ২০২৭ সাল থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত এ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে চলমান থাকবে।"
এ ছাড়া দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে সরকারি প্রাণি চিকিৎসক নিয়োগ এবং কাওরান বাজারের পাইকারি হাটকে গাবতলীতে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরসহ আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতি খারাপ ও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই কারণে সরকারের পক্ষ থেকে জনগণকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
প্রেস সচিব আরও জানান, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর—এই তিন মাসে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে, যা সরকার কর্তৃক উদ্বেগের বিষয়। এজন্য এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য বাসার আশপাশের জমা পানি ফেলে দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র ২১২ দিনের মধ্যে অনেক ইতিবাচক ফলাফল অর্জন করেছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
সালেহ শিবলী উল্লেখ করেন, ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকার পরও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ২০২২ সালে তাদের স্কুল ও অফিসের সময় কমাতে হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার অল্প সময়ের মধ্যে জনজীবনে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
প্রেস সচিব বিএনপি সরকারের প্রসঙ্গে বলেন, জনগণের কাছে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার হিসেবে পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং তিনি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর রেখে যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধান দিচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ১৫০ টাকায় সাধারণ খাবার খাচ্ছেন—এটি বড় বিষয় নয়, বরং তার দৈনন্দিন কাজের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে ক্ষমতা ভোগের জন্য নয়, বরং এটি একটি দায়িত্ব। এর মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্রের মালিকানা ফিরে পেয়েছে এবং তারা দেখছে যে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গেই আছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ নামে একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠন করা হয়েছে।
সরকার মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই বিষয়ে নতুন আইনের গেজেট প্রকাশ করেছে।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনের মাধ্যমে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে পুলিশ বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য একটি আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
একই সঙ্গে এই ধরনের বিশেষায়িত বাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করাও অত্যন্ত জরুরি। মূলত এই প্রয়োজনীয়তাগুলো মাথায় রেখেই বিদ্যমান র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে নতুন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠন করার আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেতাল বাজার থেকে পং মসূয়া পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত এবং খানাখন্দ দেখা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত মাটি ও সুরক্ষা ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির ফলে সড়কের পাশ দেবে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী এই সড়কে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এটি একমাত্র সড়ক নয়, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার অধিকাংশ সড়কই বর্তমানে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। এর ফলে যানবাহন চলাচলে সড়কগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
কটিয়াদী উপজেলায় ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে, যেখানে প্রায় তিন লাখ ৫১ হাজার মানুষের বসবাস। গত এক মাসে কয়েক দফা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগে থেকেই নাজুক অবস্থায় থাকা সড়কগুলোর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যথাযথ তদারকির অভাব এবং কিছু ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের দায়সারা ও নিম্নমানের কাজের কারণে সংস্কারের কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কে আবারও খানাখন্দ সৃষ্টি হচ্ছে। তাদের দাবি, বরাদ্দ অনুযায়ী কাজের মান নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহিতা বাড়ানো প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, যদি কাজের মান পর্যবেক্ষণের জন্য তাদের যুক্ত করা হয়, তাহলে সড়কগুলো আরও টেকসই হতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বেতাল বাজার থেকে পং মসূয়া বাজার, বানিয়াগ্রাম বাজার থেকে পাইকসা-অষ্টঘড়িয়া, মানিকখালী-গচিহাটা, করগাঁও রোড, বেতাল বাজার মাদ্রাসা রোড, মসূয়া-শিমুলকান্দি, বৈরাগীরচর গ্রাম, বাচ্চু মেম্বারের বাড়ি থেকে বৈরাগীরচর-কাজীরচর, অরিয়াধর-পাইকান, চরপুক্ষিয়া আতকাপাড়া থেকে পাইকান ব্রিজ এবং গচিহাটা-ধনকিপাড়া সড়ক প্রায় একই রকম বেহাল অবস্থায় রয়েছে।
এছাড়া পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডসহ ৯টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার অনেক সড়কের অবস্থাও নাজুক। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় এসব সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির সময় গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়, ফলে গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সড়ক বেহাল হওয়ার কারণে কৃষিপণ্য হাট-বাজারে নিয়ে যেতেও কৃষকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
মসূয়া-বেতাল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হান্নান মন্তব্য করেন, ‘সরকার যে টাকা দেয়, তা ঠিকমতো খরচ করলে রাস্তা ১০ বছরেও এভাবে নষ্ট হতো না। যে দেখার কথা, সে-ই যদি অনিয়ম করে, তাহলে ভালো কাজ হবে কীভাবে? সড়কে চলাচল করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছি।’
একই এলাকার মো. আসাদ মিয়া ও আব্দুল কুদ্দুস নামের দুই প্রবীণ বাসিন্দা বলেন, ‘সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ। রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে গিয়ে ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। কৃষিপণ্য হাটে নিতে পরিবহন খরচও বেড়ে যায়। টেকসই কাজ না হলে এই সমস্যা শেষ হবে না।’
লোহাজুরী ইউনিয়নের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম সিরাজী বলেন, ‘আমাদের অনেক গ্রামের রাস্তা খানাখন্দে ভরা। মানুষের কষ্টের শেষ নেই। গ্রামের রাস্তা তৈরি বা মেরামতের ক্ষেত্রে সরকারের কঠোর নজরদারি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। পিচের পরিবর্তে পাথরের ব্লক দিয়ে রাস্তা করলে তা আরও টেকসই হতে পারে।’
কটিয়াদী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. এহেতেশামুল হক কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, ‘গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সড়কগুলো রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। আশা করছি, অনুমোদন পাওয়া গেলে কাজ বাস্তবায়ন শুরু করতে পারব। নতুন সড়কের কাজগুলো টেকসই করতে যথাযথ তদারকি করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার বিদেশি শক্তির কাছে মাথা নত করবে না। তিনি উল্লেখ করেন, দিল্লির চাপের কাছে নতি স্বীকার করে সরকার পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি হচ্ছে জনগণের সরকার এবং জনগণের প্রদত্ত ম্যান্ডেট নিয়েই তারা দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দেশের জনগণ জুলাই গণহত্যার সুষ্ঠু ও ন্যায়বিচার চায় এবং সরকার সেই বিচার নিশ্চিত করছে। অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে আপস করার কোনো সুযোগ নেই।
আওয়ামী লীগ সরকারের পূর্ববর্তী কূটনৈতিক নীতির সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে স্বামী-স্ত্রী কিংবা রাখীবন্ধনের মতো সম্পর্ক তৈরির কথা বলত। তবে বাংলাদেশ ও ভারত দুটিই পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্র। দিল্লির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক মূল্যবোধ, সম্মান ও ন্যায়নিষ্ঠার ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হবে।
ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, কোনো বিশেষ সরকার বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, বরং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে হবে।
তিনি দুই দেশের মধ্যে প্রকৃত পিপল-টু-পিপল বা জনগণ পর্যায়ে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ