০৮:০০ পি.এম
বুধবার ভারত মন্তব্য করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা একটি চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’।
তবে, নয়াদিল্লি দুই পক্ষের মধ্যে বিদ্যমান মতপার্থক্য নিরসনে কোনো চূড়ান্ত অগ্রগতির ঘোষণা দেয়নি।
এএফপি জানিয়েছে, নয়াদিলি থেকে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে জানিয়েছেন, সফররত যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে দুই দিনের আলোচনা একটি ‘গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী’ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ছুটির দিনে সড়কে ঝরল ১২ জনের প্রাণ
গত ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে একটি প্রাথমিক সমঝোতা ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সমঝোতার আওতায় যুক্তরাষ্ট্র শুল্কহার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশে নামাতে এবং ভারত বিভিন্ন শিল্প ও কৃষিপণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে সম্মত হয়েছে।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক শুল্কব্যবস্থার বড় অংশ বাতিল করে দেওয়ার পর আলোচনা দীর্ঘায়িত হয়েছে।
এরপর ভারতসহ কিছু দেশের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার অভিযোগের তদন্ত শুরু করায় আলোচনা আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গয়াল ও গ্রিয়ার একাধিক দফা বৈঠক করেছেন এবং এই সফর চলমান প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ সম্ভবত।
আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৯ বছরের যুবক মিঠু মিয়াকে সামুরাইসহ গ্রেপ্তার
উভয় পক্ষই একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি চূড়ান্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। গয়াল দাবি করেছেন, চুক্তির প্রথম ধাপের ‘৯৯ শতাংশ’ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর বলেন, আলোচকরা এখন ‘শেষ এক শতাংশ’ নিয়ে কাজ করছেন।
তবে, কয়েকটি বিষয় এখনও অমীমাংসিত রয়েছে। গয়ালের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—চূড়ান্ত শুল্কহার যেন আঞ্চলিক অন্যান্য উৎপাদনশীল প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে থাকে।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের পর চুক্তির শর্তাবলি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রেখে একটি ধারা যুক্ত করার প্রস্তাবও দিয়েছে নয়াদিল্লি।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ সৃষ্টি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন