ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪৮ দিনের শিক্ষার্থী-কৃষক উদ্যোগে পতিত জমিতে সবুজ স্বপ্ন


৪৮ দিনের শিক্ষার্থী-কৃষক উদ্যোগে পতিত জমিতে সবুজ স্বপ্ন

বিদ্যালয়ের পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি শিক্ষা, ভালো অভ্যাস ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে কুড়িগ্রাম এডিপি। GEDSI Friendly Green School কার্যক্রমের আওতায় কুড়িগ্রাম গার্লস হাই স্কুলে বাস্তবভিত্তিক কৃষিশিক্ষা কার্যক্রম হিসেবে শুরু করা হয় ‘৪৮ দিনের শিক্ষার্থী-কৃষক’ (48 Days of Student-Farmer) উদ্যোগ। ৪৮ দিনের এই কার্যক্রমের অগ্রগতি শেয়ারিং ও উদযাপন উপলক্ষে বুধবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় বিশেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম সদরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম, কুড়িগ্রাম গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবু হোসেন সরকার, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কুড়িগ্রাম এডিপি ম্যানেজার নিতা ফ্লোরা দাস, সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার সঞ্জীব গাইন, ওয়ার্ল্ড ভিশন এডিপির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের এই সৃজনশীল ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, শ্রেণিকক্ষের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ, পুষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পতিত জমিকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করার এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, শ্রমের মর্যাদা এবং কৃষির প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা বলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন হারুন সিকদারের, বিএনপির তৃণমূলে ক্ষোভের গুঞ্জন

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব শিক্ষার্থীদের উদ্যোগের প্রশংসা করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও সমর্থন দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম শিক্ষার্থীদের কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার জন্য উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে কৃষি শেখার সুযোগ তৈরি করে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী কারিগরি পরামর্শ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা দেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা জানায়, বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পতিত জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিকাজ শেখার সুযোগ তাদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। বীজ বপন, পরিচর্যা, গাছের যত্ন নেওয়া এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে তারা কৃষির বাস্তব জ্ঞান অর্জন করছে। একই সঙ্গে নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা, শৃঙ্খলা ও ভালো অভ্যাস গড়ে উঠছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ শুধু কৃষি শেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা, পুষ্টিকর খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবার ও সমাজে কৃষি ও পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতা তারা নিজেদের পরিবারেও কাজে লাগাতে চায়।

আরও পড়ুন: প্রেমিকার টানে চীন থেকে মাদারীপুরে যুবক, মানব পাচার নিয়ে সতর্কতা

আয়োজকদের মতে, ‘৪৮ দিনের শিক্ষার্থী-কৃষক’ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের কৃষির সঙ্গে পরিচিত করা এবং বিদ্যালয়ের অব্যবহৃত জমিকে শিক্ষামূলক ও উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের শুধু কৃষি সম্পর্কে জ্ঞানই দেবে না, বরং পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতা, পুষ্টি সচেতনতা এবং স্বনির্ভরতার মানসিকতাও গড়ে তুলবে।

একটি পতিত জমিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ৪৮ দিনের এই উদ্যোগ এখন শিক্ষার্থীদের কাছে পরিণত হয়েছে বাস্তব কৃষিশিক্ষার এক জীবন্ত পাঠশালায়। সবুজে ঘেরা বিদ্যালয়, কৃষির প্রতি আগ্রহী শিক্ষার্থী এবং পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা—‘৪৮ দিনের শিক্ষার্থী-কৃষক’ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সেই স্বপ্নই ধীরে ধীরে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিতে নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসনের নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ পি.এম


ন্যায্যমূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিতে নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসনের নজরদারি

নেত্রকোণা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট রোধে সদর উপজেলায় সার ডিলারদের দোকানে আকস্মিক মনিটরিং পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন।

আজ বুধবার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বিভিন্ন সার ডিলারের দোকানে পরিদর্শনের নেতৃত্ব দেন। পরিদর্শনকালে সারের মজুদ পরিস্থিতি, বিক্রয়মূল্য ও বিক্রয় রেজিস্ট্রারসহ সার্বিক বিতরণ কার্যক্রম খতিয়ে দেখা হয়। একইসঙ্গে ডিলারদের সরকার নির্ধারিত দামে সার বিক্রির বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

মনিটরিং কার্যক্রমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওয়াহিদুজ্জামান এবং জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

জেলায় কৃষকের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের তদারকি ও মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, বিচ্ছিন্ন ৯২ সংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, বিচ্ছিন্ন ৯২ সংযোগ

নরসিংদী, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সদর উপজেলার মাধবদী পৌরসভা এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে ৯২টি অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

আজ বুধবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ গ্যাস আইনে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই অভিযানে বকেয়া গ্যাস বিল বাবদ আরও ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মাধবদী পৌরসভা এলাকায় অবৈধভাবে নেওয়া গ্যাস সংযোগগুলো শনাক্ত করা হয় এবং সেগুলো বিচ্ছিন্ন করা হয়। এ সময় আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয় এবং বকেয়া বিলও আদায় করা হয়।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুল।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার এবং অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


নেত্রকোণায় সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নেত্রকোণা, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় সোমেশ্বরী নদীর পাড় দখল করে গড়ে ওঠা সাতটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

আজ বুধবার বিকেলে পৌর শহরের তেরী বাজারে নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নদীর পাড়ের সরকারি খাসজমি দখল করে বিভিন্ন সময়ে এসব পাকা, আধাপাকা ও টিনশেড স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি বালুঘাট চালু থাকার সময় তৈরি হয়। পরে বালুঘাটের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে স্থাপনাগুলো দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল। 

পরিত্যক্ত এসব স্থাপনার কয়েকটি মাদকসেবীদের আস্থানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার ও মাদকের আড্ডা বন্ধের লক্ষ্যে এ অভিযান চালানো হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, সরকারি সম্পত্তি রক্ষা ও মাদকের আড্ডা বন্ধের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 

অভিযানে সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের প্রায় সাতটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে জায়গাটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারি খাসজমি রক্ষায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।    

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


সংসদে ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস

সংসদ ভবন, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের লক্ষ্যে আনা ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ আজ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। 

এ ধারাটি নিয়ে আগে সমালোচনা ছিল যে, এর মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় আনা ব্যাংকের সাবেক শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায়ের মালিকানা পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ সংসদে ‘ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটির ওপর তাদের প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করে।

বিলটি পাসের সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারণ, ওই ধারায় নির্ধারিত কঠোর নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এগিয়ে আসেননি।

আমির খসরু বলেন, সংকটে পড়া তফসিলি ব্যাংক পুনর্গঠনে বাজারভিত্তিক বিকল্প কাঠামো দেওয়ার লক্ষ্যে মূলত ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ও তারল্য সংকট মোকাবিলা করা, আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়ন না করে সরকারি কোষাগারের ওপর চাপ কমানো।

তিনি বলেন, ব্যাংক পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় শুধু যোগ্য ও সক্ষম প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৮(ক) ধারায় দুই পৃষ্ঠা জুড়ে কঠোর শর্ত দেওয়া হয়েছিল।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তবে আইনটি প্রণয়নের পর থেকে কোনো শেয়ারহোল্ডার, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ওই ধারার সব শর্ত পূরণ করতে পারেনি। ফলে ধারাটির মূল উদ্দেশ্য বাস্তবে অর্জিত না হওয়ায় আমরা এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সংসদীয় কার্যক্রমের সময় অর্থমন্ত্রী আইন প্রণয়নের মূল কাজের প্রতি কঠোরভাবে মনোযোগ দেওয়ার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংসদের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের উদ্দেশ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিল অনুযায়ী, ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারা বাতিল করা হবে।

অন্তর্বর্তী সরকার জারি করা ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশে ধারাটি ছিল না। পরবর্তীতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন ও অনুমোদনের সময় ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন পাসের পর থেকেই ১৮(ক) ধারা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। সমালোচকদের মতে, এ ধারার মাধ্যমে রেজল্যুশনের আওতায় থাকা ব্যাংকের সাবেক ও বিতর্কিত পরিচালক এবং শেয়ারহোল্ডারদের পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ধারাটির আওতায় কোনো ব্যাংক রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার অধীনে যাওয়ার আগে ওই ব্যাংকের শেয়ার ধারণকারী শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় ব্যাংকটির শেয়ার, সম্পদ ও দায় অধিগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারতেন।

এ ধারার অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও একই সুযোগ দিতে পারত।

পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ধারাটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর সাবেক পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডাররা পুনরায় মালিকানায় ফিরে আসতে পারেন- এমন আশঙ্কা থেকে তখন উদ্বেগ তৈরি হয়।

পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে সরকার ধারাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়।

সংশোধনী বিলের সঙ্গে সংযুক্ত উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এ ধারায় নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ১৮(ক) ধারা বাতিল করা সমীচীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%