ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় ব্যয় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর


কর মওকুফের অর্থ শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় ব্যয় করার আহ্বান অর্থমন্ত্রীর

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য কর মওকুফের ফলে সাশ্রয় হওয়া অর্থ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে অবস্থান শক্তিশালী করার কাজে ব্যয় করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেছেন, উচ্চশিক্ষা একটি অলাভজনক খাত এবং এই খাতের উন্নয়ন দেশের মানবসম্পদ গঠনের জন্য অত্যন্ত অতি গুরুত্বপূর্ণ।

রবিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর দি ওয়েস্টিন ঢাকায় বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৭ বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ, গবেষণা, উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথাগুলো বলেন। অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘আগামী বছর থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ করের অর্থ তাদের কাছেই থেকে যাবে। আমরা আশা করি, এই অর্থ শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অর্জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক রেটিং উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।’

এছাড়া তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে মুনাফার সুযোগ নেই। তিনি জানান, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক চাপ, বিপুল অভ্যন্তরীণ দায় এবং অর্থ পাচারের চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও সরকার নীতিগতভাবে কর মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রী টুকুর শোক, টাঙ্গাইল প্রতিনিধির বাবার মৃত্যু

অর্থমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক মূলধারার বাইরে থাকা খাত ও জনগোষ্ঠীকে জিডিপির আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান। তিনি বলেন, জিডিপি শব্দটি শুধু শিল্প ও উৎপাদন নয়; বরং সংস্কৃতি, থিয়েটার, সংগীত, চারুকলা এবং গ্রামীণ কুটিরশিল্পের মতো খাতগুলোরও অর্থনৈতিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘দেশের অনেক সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড অর্থনীতিতে অবদান রাখলেও তা জিডিপিতে প্রতিফলিত হয় না। এসব খাতকে আর্থিক মূল্যায়নের আওতায় এনে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।’

এছাড়াও, তিনি বিএনপির অর্থনৈতিক দর্শনের কথা উল্লেখ করে জানান, তার দল শুরু থেকেই বেসরকারি খাত-চালিত প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বাসী। সরকার একাই উন্নয়ন করতে পারে না, বরং সরকারের ভূমিকা হওয়া উচিত সহায়ক বা ‘ফ্যাসিলিটেটর’ হিসেবে কাজ করা।

তিনি বলেন, ‘দেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে বেসরকারি খাত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এনজিওগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করতে চাই। এছাড়া বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নীতিগত ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা হবে।’

আরও পড়ুন: কুমিল্লা সীমান্তে মাদকের অভয়ারণ্য, মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে

অর্থমন্ত্রী জানান, এবারের বাজেটে পাঁচ বছরের জন্য নীতিগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তারা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সক্ষম হন।

অর্থমন্ত্রী আইসিটি খাতে বিদেশি নির্ভরতা কমানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, দেশীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে বেশি সুযোগ দিতে হবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দেশের পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত হওয়ার আহ্বান জানান এবং গবেষণা, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

‘সেল্ফ-রেগুলেশন’ জরুরি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সরকারি নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে আত্মনিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার আইন চাপিয়ে দিয়ে নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাসী নয়। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের উদ্যোগেই সুশাসন ও মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করুক। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান নিয়ে সমাজে যেন কোনো প্রশ্ন না ওঠে।’

আরও পড়ুন: জুলাই একদিনে সংঘটিত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

তিনি আরও বলেন, দেশের নৈতিক অবক্ষয় রোধে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।

এপিইউবির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ। তিনি আরো বলেন, সভায় দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান, উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, শিল্পখাতের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

ড. সবুর খান এবং অধ্যাপক মামুন আহমেদ তাদের বক্তব্যে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সরকারের বেসরকারি খাতবান্ধব নীতির প্রশংসা করেন। তারা জাতীয় উন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা জোরদার, নিহত ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


রাশিয়া-ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি হামলা জোরদার, নিহত ৯

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার নতুন করে তীব্র লড়াই শুরু হয়ে গেছে। দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে এক রাতেই অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন। চলমান এই যুদ্ধ, যা চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে, তা থামাতে মিত্র দেশগুলো প্যারিসে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। ঠিক তার পূর্ববর্তী দিনে এই ভয়ংকর হামলার ঘটনা ঘটলো।

অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতি মনোযোগ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই কারণে ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর কূটনৈতিক চেষ্টায় কিছুটা বাধা সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগ নিতে, জুলাই মাস থেকে রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে মস্কো। এই হামলায় অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন।

রবিবার, ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাতের দিকে। এতে চারজন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের ক্রিভি রিগ শহরের একটি কারখানায় হামলায় দুজনসহ মোট তিনজন মারা যান। দক্ষিণের খেরসনে ড্রোন হামলায় ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, ইউক্রেনও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেনের হামলায় রুশ অধিকৃত জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে চারজন নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, রাশিয়ার সামারা অঞ্চলে ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন হামলায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে, রাশিয়ার দিকে মারা গেছেন মোট পাঁচজন।

বারবার রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের হামলার কারণে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ চাপের মুখে পড়েছে। এই অবস্থায়, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে তাদের দেশে মার্কিন প্রযুক্তির ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির অনুমতি দিয়েছে। তবে এটি তৈরি করতে শুরু হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৩ পি.এম


শেরপুরে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার একটি ঘটনায়, এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশ মো. মজনু মিয়া ওরফে বথু (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গত রোববার (১২ জুলাই) উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামে নিজের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে, আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল্লাহ, পিতা আলহাজ বাহাদুর মণ্ডল, শেরপুর থানায় একটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলাটি শেরপুর থানার মামলা নং-২২, তারিখ ১১ জুলাই ২০২৬। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় রুজু করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ভুক্তভোগী একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। তার মা মারা গেছেন। অভিযোগ উঠেছে যে, অভিযুক্ত মজনু মিয়া ওরফে বথু তাকে নানা প্রলোভনে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেই সময় অভিযুক্তের স্ত্রী আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ঐ সুযোগে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করা হয়। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, অভিযুক্তের দুটি স্ত্রী রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মো. মজনু মিয়া ওরফে বথু (৪০) মৃত শাহের আলীর ছেলে এবং তিনি শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের বিনোদপুর গ্রামের বাসিন্দা। শেরপুর থানা পুলিশ জানায়, মামলার পর অভিযান চালিয়ে রোববার সকালে আসামিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে, প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। শেরপুর থানার ওসি (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এলসিএস শ্রমিক বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ

মান্দায় উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


মান্দায় উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

নওগাঁর মান্দা উপজেলার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সংশ্লিষ্ট দৈনিক মজুরিভিত্তিক লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি (এলসিএস) শ্রমিক নিয়োগের বাছাই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উত্থাপন করে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন আবেদনকারী সুবিধাবঞ্চিত নারীরা। এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় রোববার (১২ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার প্রসাদপুর বাজারের চৌরাস্তা মোড়ে। পরে তাঁরা লটারি প্রক্রিয়া বাতিল করা এবং পুনরায় স্বচ্ছভাবে বাছাইয়ের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলও করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রেখেছেন আলতা বানু, মৌসুমী আক্তার, নাসিমা বেগম, পিয়ারজান বিবি ও সুচনা রানীসহ কয়েকজন আবেদনকারী।

আবেদনকারী আলতা বানুর মতে, ‘লটারি অনুষ্ঠানের বিষয়টি সম্পর্কে আবেদনকারীদের কাউকে জানানো হয়নি। তাঁদের অনুপস্থিতিতেই লটারি সম্পন্ন করা হয়েছে, যা পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্নিবদ্ধ করে। টাকা দিতে না পারার কারণে লটারিতে আমার নাম তোলা হয়নি।’ এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মৌসুমী আক্তার বলেন, গত বৃহস্পতিবার উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় থেকে ফোনে তাঁকে জানানো হয়েছিল যে লটারিতে তাঁর নাম উঠেছে। তবে পরে অফিসের নোটিশ বোর্ডে টানানো চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মৌসুমী আক্তার আরও অভিযোগ করেন, ‘আমার কাছে টাকা চাওয়া হয়েছিল। টাকা দিতে পারিনি বলে আমার নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’ অন্য এক আবেদনকারী নাসিমা বেগম অভিযোগ করেন, টাকার বিনিময়ে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল কাদের তাঁর পছন্দের ব্যক্তিদের সুযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, লটারির সময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উপস্থিতিও দেখা যায়নি।

উপজেলা এলজিইডি কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, দৈনিক মজুরিভিত্তিক এলসিএস শ্রমিক হিসেবে নিয়োগের জন্য ১৩৭ জন নারী আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই করার পর ৫৪টি আবেদন বৈধ ঘোষণা করা হয়। গত বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সভাকক্ষে লটারির মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ১৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়।

তবে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আব্দুল কাদের অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অফিসের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী যথাযথ নিয়মে লটারির কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অনিয়ম বা অর্থ লেনদেনের অভিযোগ সঠিক নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের আকস্মিক মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ পি.এম


প্রভাবশালী মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের আকস্মিক মৃত্যুতে বিপাকে ইউক্রেন

মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের আকস্মিক মৃত্যুর ফলে ইউক্রেন বিপাকে পড়েছে। গত সপ্তাহে কিয়েভ সফরের পর ফেরার কয়েক ঘণ্টা পর স্বাস্থ্যের করুণ পরিস্থিতির কারণে শনিবার সন্ধ্যায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। সাউথ ক্যারোলাইনার উল্লেখযোগ্য এই সিনেটর ওয়াশিংটনে ইউক্রেনের পক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার কণ্ঠ ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তিনি ১০ বার কিয়েভ সফর করেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কিয়েভের সম্পর্কের ওপর বড় প্রভাব পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন।

ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভি রিডেনকো তার মৃত্যুর পর এক শোকবার্তায় বলেছেন, রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন জুড়ে সিনেটর গ্রাহাম সবসময় ইউক্রেনের পাশে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় অবিচল ছিলেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে গ্রাহাম ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ট্রাম্পের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলী ভূমিকা পালন করেছেন।

গত সপ্তাহে কিয়েভ সফরের সময় তিনি একটি ড্রোন কারখানা পরিদর্শন করেন। কিয়েভ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা আগে গ্রাহাম বলেছিলেন, এই যুদ্ধ শেষ করার জন্য আমাদের কাছে সূত্র রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইউক্রেনকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করুন এবং যারা রাশিয়াকে সমর্থন করছে তাদের জানিয়ে দিন যে, এই সমর্থন অব্যাহত রাখলে তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।

২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করার পর গ্রাহামই প্রথম ইউক্রেনকে প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্র পাঠানোর পক্ষে মত দিয়েছিলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তিনি পুতিনকে হত্যায় তার ঘনিষ্ঠ কাউকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, 'আপনি নিজের দেশ ও বিশ্বের অনেক বড় উপকার করবেন।' পরবর্তীতে তিনি পুতিনকে 'সন্ত্রাসী ও গুণ্ডা' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

গ্রাহাম ‘স্ট্যান্ড উইথ ইউক্রেন অ্যাক্ট’-এর সহ-প্রণেতা ছিলেন। এই বিলের পক্ষে তিনি বলেছিলেন, আমরা বিশ্বকে একটি বার্তা পাঠাচ্ছি যে, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের পাশে থাকবে। তাদের লড়াই আমাদের লড়াই এবং আজ তাদের ও আমাদের উভয়ের স্বাধীনতা বিপন্ন। যদিও বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হয়নি, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ এবং রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্যাকেজ তৈরিতে তিনি আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%