মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ পি.এম
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এক স্বামীকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে প্রকাশ্যে মারামারির ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে লালমনিরহাটের তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে চুল ধরে টানাটানি ও ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরে স্থানীয়রা দুই নারীকে সরিয়ে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা লিটন সরকার রাজারহাট উপজেলার পশ্চিম দেবোত্তর মৌজার চায়না বাজার এলাকার মৃত ফজল কমান্ডারের পুত্র। তিনি ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিটন সরকারকে নিজের স্বামী দাবি করে দুই নারীর মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন, লিটন তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাকে বিয়ে করেছেন এবং এ সংক্রান্ত তালাকনামা তার কাছে রয়েছে বলেও জানান। তবে প্রথম স্ত্রী দাবি করেছেন, তাকে তালাক দেওয়া হয়নি এবং লিটন দ্বিতীয় বিয়েও করেননি।
তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুই নারীর মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শী হামিদুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী, দুজন মারামারি করছিলেন এবং একে অপরকে বলছিলেন, "তোকে তালাক দিয়েছে লিটন।"
ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা দুই নারীকে থামিয়ে গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন মেম্বারের জিম্মায় দেন। পরে তাদের চায়না বাজার এলাকায় নেওয়া হলে সেখানেও উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
গোকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রিপন বলেন, তিস্তা বাসস্ট্যান্ডে দুই নারী মারামারি করছে শুনে সেখানে যাই। পরে দুজনকেই চায়না বাজারে নিয়ে আসি। তারা দুজনেই লিটনের বউ বলে দাবি করছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের আমার জিম্মায় রাখা হয়।
গোকুন্ডা ইউনিয়নের মিঠু মিয়া বলেন, বাসস্ট্যান্ডে দুইটা মেয়ে চুল ধরে মারামারি শুরু করে। আমরা তাদের ঝগড়া থামিয়ে নিয়ে আসি।
লিটনের দ্বিতীয় স্ত্রী জানান, লিটনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানতে পারেন, লিটন ঢাকায় নেই। পরে লিটন প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করতেই তিনি সেখানে আসেন বলে দাবি করেন। তার কাছে তালাকনামা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, লিটন তাকে বলেছিল, সে তার বউকে ডিভোর্স দিয়েছে। সেটি যাচাই করার জন্য এসেছি। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফাইনাল ও ইন্টার্নি করা ব্যক্তি বলেও পরিচয় দেন।
অন্যদিকে, লিটন সরকার বিয়ে করার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিস্তা বাসস্ট্যান্ড ও চায়না বাজারে দুই নারীর মারামারির বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো বিস্তারিত বক্তব্য না দিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় চায়না বাজারসহ রাজারহাটজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের কেউ ঘটনাটিকে পারিবারিক বিরোধ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বিষয়টির আইনগত ও সামাজিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির মধ্যে একটি নজিরবিহীন দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে তীব্র সংকটের সৃষ্টি করেছে। অক্টোবরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই বিরোধ ইতোমধ্যে আদালতের অভ্যন্তরে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এই সংকটের সূত্রপাত ঘটে একটি বড় ধরনের জালিয়াতি কেলেঙ্কারির তদন্তকে কেন্দ্র করে। এর ফলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারেও এর প্রভাব পড়েছে। নির্বাচনে বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কট্টর ডানপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো।
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে দুই বিচারপতি মুখোমুখি অবস্থানে থাকবেন। এই অধিবেশনটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
একদিকে রয়েছেন আলেকজান্দ্রে দে মোরেস, যিনি বলসোনারো পরিবারের সবচেয়ে ঘোর রাজনৈতিক ও আইনি প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে রয়েছেন আন্দ্রে মেন্ডোনকা, যাকে সুপ্রিম কোর্টে নিয়োগ দিয়েছিলেন জাইর বলসোনারো।
প্রকাশ্য বিরোধের সূচনা ঘটে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে। সেদিন মেন্ডোনকা একটি পুলিশের প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আনেন। ওই প্রতিবেদনে কারাগারে থাকা ব্যাংকার ড্যানিয়েল ভোরকারোর পাঠানো কিছু বার্তা প্রকাশ করা হয়, যা তিনি মোরেসের বলে কথিত একটি নম্বরে পাঠিয়েছিলেন। ওই বার্তায় বিচারপতির সাহায্য চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়, কারণ তিনি একটি জালিয়াতির তদন্তের মুখোমুখি ছিলেন।
মোরেস মেন্ডোনকার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তোলেন এর জবাবে।
বলসোনারোর ‘চরম বিরোধী’ মোরেস
কঠোর দৃষ্টির কারণে ‘জান্দাও’—অর্থাৎ ‘বিগ অ্যালেক্স’—নামে পরিচিত আলেকজান্দ্রে দে মোরেস বর্তমানে ব্রাজিলের অন্যতম ক্ষমতাধর এবং সবচেয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব।
দেশটির প্রায় প্রতিটি বড় রাজনৈতিক বা বিচারিক সংঘাতেই তার উপস্থিতি দেখা গেছে। ফলে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যমে তিনি প্রায় নিয়মিতই শিরোনামে থাকেন।
গত বছর তিনি সেই বিচারপ্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন, যার ফল হিসেবে সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে ক্ষমতা দখলের একটি ব্যর্থ প্রচেষ্টায় ভূমিকার জন্য ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৩ সালে ব্রাজিলের নির্বাচনী আদালতের প্রধান হিসেবে মোরেস ক্ষমতার অপব্যবহার ও গণমাধ্যমের অপব্যবহারের অভিযোগে বলসোনারোকে সরকারি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছিলেন।
মোরেস ভুয়া খবর বা ‘ফেক নিউজ’ নিয়ে তদন্তের নেতৃত্বও দিয়েছেন। অনলাইনে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ঠেকাতে তিনি কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার ঘটনাও রয়েছে।
২০২৪ সালে তার নির্দেশে ব্রাজিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স ৪০ দিনের জন্য বন্ধ ছিল। প্ল্যাটফর্মটি ভুল তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে দেওয়া আদালতের নির্দেশ মানতে ব্যর্থ হওয়ার পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
দেশটির ডানপন্থীরা অভিযোগ করে আসছে, মোরেস তার ক্ষমতা ব্যবহার করে অনলাইনে রক্ষণশীল মতামত দমন করছেন। কিছু মানবাধিকার সংগঠনও বিচারিক ক্ষমতার অতিরিক্ত ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
জাইর বলসোনারো নিজে মোরেসকে ‘দুর্বৃত্ত’ এবং ‘স্বৈরশাসক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
২০১৭ সালে মধ্য-ডানপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল তেমের মোরেসকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে মনোনীত করেন। এর আগে মোরেস তেমের সরকারের আইনমন্ত্রী ছিলেন। সে সময় বামপন্থীদের একটি অংশ তার নিয়োগের বিরোধিতা করেছিল।
তবে ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ভুল তথ্য ও অপপ্রচার মোকাবিলায় মোরেসের ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রেসিডেন্ট লুলা।
মোরেসের কর্মকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গেও বিরোধ তৈরি হয়েছে। বলসোনারোর বিচারপ্রক্রিয়ায় ভূমিকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ট্রাম্প এই বিচারকে তার মিত্র বলসোনারোর বিরুদ্ধে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে সমালোচনা করেছিলেন।
পরে ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে মোরেস প্রকাশ্যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য লুলাকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, যিনি ৮৩ বছর বয়সেও কাজের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সক্রিয়, শুটিং এবং টেলিভিশনের পর্দায় নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। তার ফিটনেস রুটিন নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৮’ এর একটি পর্বে তিনি নিজের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কথা শেয়ার করেছেন।
অমিতাভ বচ্চন সম্প্রতি তার খাদ্যাভ্যাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। এই পরিবর্তনের ফলে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জয়া বচ্চন নিজ হাতে নতুন নতুন রান্না করে তাকে খাওয়াচ্ছেন। বিগবি জানান, "আমি ভাত ও ক্ষীর (পায়েস)— দুটিই খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। তাই জয়া আমার জন্য দারুণ একটা খাবার বানিয়েছিল। ম্যাঙ্গো ক্ষীর। দুর্দান্ত খেতে!"
এ কিংবদন্তি অভিনেতা আরও বলেন, "জয়া এই শো দেখে। তাই এখানে আমি জয়াকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আম দিয়ে তোমার বানানো ক্ষীর বড়়ই ভালো লেগেছে আমার।" তবে প্রশ্ন উঠছে— বয়স বাড়লে কি সত্যিই ভাত বাদ দেওয়া উচিত? ভাত না খেলে শরীরে কী পরিবর্তন ঘটে? এবং ভাতের বদলে কী খাওয়া যেতে পারে?
সাধারণত খাওয়া হয় যে পালিশ করা সাদা ভাত, তা কার্বোহাইড্রেটের একটি প্রধান উৎস। এতে ফাইবারের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম এবং অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদানের পরিমাণও সীমিত। ফলে সুষম খাবারের বাকি অংশ ঠিক থাকলে শুধুমাত্র সাদা ভাত বাদ দেওয়ার কারণে নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি হবেই, এমন নয়।
তবে এর মানে এই নয় যে, ভাত পুষ্টিকর নয়। পালিশ না করা বা আংশিক পালিশ করা চালের মধ্যে ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়ামসহ বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান বিদ্যমান। তাই যদি কেউ দীর্ঘ সময়ের জন্য ভাত বাদ দেন, তবে ওই পুষ্টিগুলো অন্য খাবার থেকে পূরণ করতে হবে।
যারা নিয়মিত ভাত খান, তাদের জন্য হঠাৎ ভাত বন্ধ করা একটি বড় পরিবর্তন হতে পারে। ফলে প্রথম দিকে কারো কারো দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে, শক্তি কমে যেতে পারে অথবা খিদে বেশি পেতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, এই পরিবর্তন সাময়িক। খাবারে পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকলে শরীর ধীরে ধীরে নতুন খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়। পাকা আম নিজেই বেশ মিষ্টি হয়। তাই ক্ষীর তৈরির সময় বাড়তি চিনি না দিলেও চলে বা খুব সামান্য দিলেই হয়। চিনি ছাড়া বানালে এটি ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বাড়িতে বানানো মিষ্টি অবশ্যই দোকানের চেয়ে বেশি স্বাস্থ্যকর।
তবে জয়া ঠিক কী কী উপাদান দিয়ে এ মিষ্টিটি তৈরি করেছেন, তা জানা যায়নি। অমিতাভের খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকে মাথায় রেখেই নিশ্চয়ই রান্না করেছেন এ বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, ভাতের বদলে কী কী খাওয়া যেতে পারে—
১. রাগি, বাজরা, কোদো, পরসো-সহ বিভিন্ন মিলেট।
২. কিনোয়া, বাকহুইট, রাজগিরা।
৩. দানাশস্য, বার্লি, ওট্স।
৪. স্টার্চযুক্ত সব্জি, যেমন, রাঙাআলু, ওল ইত্যাদি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ তার ছোটবেলার বন্ধু স্যাম এবং টম কারানের কথা স্মরণ করেছেন। দুই পরিবারের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব ছিল এবং তারা একসঙ্গে সফর করত। ক্রিকেট ডট এইউ ‘এক্স’-এ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে যেখানে মার্শ কারান পরিবারের বাড়িতে ক্রিকেট খেলার অনেক স্মৃতি তুলে ধরেছেন। তিনি সেই স্মৃতিগুলোকে ‘খুব ভালো’ এবং বিশেষ বলে উল্লেখ করেন।
মার্শের ছোটবেলায় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন গড়ে উঠেছিল। কারণ, তার শৈশবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় সেখানে কেটেছিল। ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত, তার বাবা এবং সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার জিওফ মার্শ জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবার কাজের সুবাদে পুরো পরিবার জিম্বাবুয়ে চলে আসে, ফলে তরুণ মিচেল মার্শের জিম্বাবুয়ের সংস্কৃতি এবং ক্রিকেটের সঙ্গে এক গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়।
এই গভীর ভালোবাসার কারণে এক সময় তার মনে জিম্বাবুয়ের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন জেগেছিল। মার্শ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি এক সময় সত্যিই জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলতে চেয়েছিলাম।’ যখন মার্শ পরিবার জিম্বাবুয়ে ছিল, তখন মিচেলের বড় ভাই শন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন। সেই সময় মিচেল হারারে স্পোর্টস ক্লাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্রিকেট খেলতেন। তার সঙ্গী ছিলেন বাবার কোচিং সহকারী কেভিন কারানের ছোট ছেলেরা।
সেই উঠানে ও ক্লাবে খেলা ক্রিকেটের ফলে অনেক প্রতিভার জন্ম হয়েছে। টম, বেন ও স্যাম কারান তিনজনই পরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেছেন। টম ও স্যাম ইংল্যান্ডের হয়ে এবং বেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলছেন। এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে জিম্বাবুয়ে দলের জন্য বেনের নাম রয়েছে।
ক্রিকেট ডট এইউয়ের ভিডিওতে মার্শ বলেন, ‘ওখানে কারান ছেলেরা আছে — স্যামি ও টম। আমার মনে হয় ওটা শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল, তবে আমি ভুলও হতে পারি। আমরা পরিবার নিয়ে সফর করতাম এবং কেভিন ছিলেন বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন। কারান ছেলেরা কার্যত এখানে আমাদের সঙ্গেই বড় হয়েছে। এগুলো সত্যিই অনেক বিশেষ স্মৃতি। তাদের বাড়িতে উঠানে অনেক লড়াই হয়েছে। খুব ভালো স্মৃতি।’
মার্শ একসময় জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতেন এবং সেই দেশটি তার হৃদয়ের কাছে থেকে গেছে। এবার হারারেতে তিনি তার ১০০তম ওডিআই খেলতে নামবেন। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওডিআইতে মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়া জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মারদিন, যা তুরস্কের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ, সেখানে ভ্রমণের সময় ইসলাম গ্রহণ করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার এক নাগরিক। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
মারদিনের আরতুকলু জেলা মুফতি কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই পর্যটকের নাম শায়েভন। শহরটি ভ্রমণকালে তিনি ইসলাম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তীতে মুফতি কার্যালয়ে তার ইসলাম গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
শায়েভনের ইসলাম গ্রহণের অনুষ্ঠানটি আরতুকলু জেলা মুফতি সুলেমান বারানের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করেন। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন।
ইসলাম গ্রহণের পর শায়েভন নতুন নাম আবদুল্লাহ রাখেন।
অনুষ্ঠান শেষে, মুফতি সুলেমান বারান নব মুসলিম আবদুল্লাহর হাতে পবিত্র কোরআনের একটি কপি তুলে দেন।
মারদিন শহরটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য তুরস্কের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সভ্যতার প্রভাব শতাব্দী ধরে এই শহরের স্থাপত্য ও সংস্কৃতিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। ফলে, তুরস্কের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটকরা নিয়মিত মারদিন ভ্রমণে আসেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ