ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুরে শহরের কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলে, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কুড়িগ্রামের জেলা শাখার আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জিয়াউল হায়দার পলাশ।

জেলা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সভাপতি কে. এম. নাজমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব সৈয়দ জাহিদ হোসেন, জিয়াং এগ্রো সাইন রংপুরের পরিচালক জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মাহাবুবুর রহমান, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব রুকুনুজ্জামান রুকুসহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম ও সংগঠনের ডিপ্লোমা কৃষিবিদরা।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, "যারা যোগায় ক্ষুধার অন্ন, ডিপ্লোমা কৃষিবিদ আছেন তাঁদের জন্য এবং ডিপ্লোমা কৃষিবিদ এগিয়ে গেলে কৃষি যাবে সফলতায়।" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কৃষি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং মাঠপর্যায়ে ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সিবিএস’র সেমিনার

পলাশীর যুদ্ধ ছিল দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষত সমাজ ও সংস্কৃতিতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০১ এম


পলাশীর যুদ্ধ ছিল দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষত সমাজ ও সংস্কৃতিতে

পলাশীর যুদ্ধ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা যা বাংলা ভূখণ্ডের সংস্কৃতি ও সমাজে একটি দীর্ঘমেয়াদী ঔপনিবেশিক ক্ষতের সূচনা করেছিল। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুনের এই ঘটনাটি শুধু একটি কোম্পানির জয় বা নবাবের পতন ছিল না, বরং এটি ছিল বাংলার বহুত্ববাদী সমাজকাঠামোকে চিরতরে পরিবর্তন ঘটানোর লক্ষ্যে একটি ঔপনিবেশিক সূচনা। পলাশীর যুদ্ধ কেবল সামরিক পরাজয়ের পরিচয় দেয়, বরং এটি আমাদের ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতিতে একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতের সাক্ষী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে শনিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে বক্তারা এই বিষয়ে আলোচনা করেন। ‘সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজ’ (সিবিএস)-এর আয়োজনে ‘পলাশী উত্তর বাংলা: ক্ষমতার পালাবদল এবং বিভাজনের রাজনীতির বিকাশ’ শীর্ষক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ইতিহাস গবেষক, চিন্তক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

সেমিনারের শুরুতে সেন্টার ফর বেঙ্গল স্টাডিজ-এর নির্বাহী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এরপর মূল প্রবন্ধ শোনার পর আলোচনার পর্বে তিনজন গবেষক পলাশী-পরবর্তী বাংলার ইতিহাসের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনার প্রথম পর্বে, ইতিহাস গবেষক আব্দুল্লাহ আল মামুন সমসাময়িক ফার্সি ভাষার গ্রন্থের বিশ্লেষণ উপস্থাপন করেন। তিনি তুলে ধরেন যে, বিজিত নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে ‘খলনায়ক’ বানিয়ে ঔপনিবেশিক ইতিহাস লিখনের ফলে ব্রিটিশরা তাদের শাসনের বৈধতা সৃষ্টি করেছিল। লর্ড ক্লাইভ, জগত শেঠ, রায় দুর্লভ ও উমিচাঁদদের আঁতাত কেবল ব্যক্তিস্বার্থের বিশ্বাসঘাতকতা ছিল না, বরং তা ছিল উদীয়মান বণিক পুঁজির ও ক্ষয়িষ্ণু সামন্ততান্ত্রিক শক্তির মধ্যে এক গভীর রাজনৈতিক বোঝাপড়া।

দ্বিতীয় বক্তা জান্নাতে গুলশান তার আলোচনায় ক্ষমতার কেন্দ্রীয় স্থান মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে স্থানান্তরের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং এর সামাজিক-রাজনৈতিক অভিঘাত তুলে ধরেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো ভূমি ও অর্থনৈতিক সংস্কার এবং ইংরেজি শিক্ষা ব্যবস্থা কীভাবে এক পক্ষকে পৃষ্ঠপোষকতা ও অন্য পক্ষকে প্রান্তিকীকরণের সুযোগ তৈরি করে। এর ফলে দুই প্রধান সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ধীরে ধীরে গভীর রাজনৈতিক অবিশ্বাসে রূপান্তরিত হয়।

গবেষক ইমরুল হাসান দেখান কীভাবে ঔপনিবেশিক শাসকরা শিক্ষা, ভাষা ও চিন্তার ওপর একমাত্রিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যকে হীন এবং পশ্চিমা সংস্কৃতিকে শ্রেষ্ঠ ভাবতে প্রভাবিত করে। তিনি বর্তমানের শিক্ষা কাঠামোর সঙ্গে এই বিষয়গুলোর সংযোগ তুলে ধরে বলেন, এই ক্ষমতার পালাবদল শতকের পর শতক ধরে বিদ্যমান সামাজিক বন্ধনগুলোকে ভেঙেছে এবং হিন্দু-মুসলিম বিভেদের রাজনীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করেছে, যার একটি নির্মম পরিণতি ঘটে ১৯৪৭ সালের দেশভাগে।

সেমিনারের সমাপনী বক্তব্যে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, আজকের এই সেমিনার পলাশী ট্র্যাজেডির সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক রূপান্তর এবং সমকালীন মনস্তত্ত্বে এর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত ও পেছনের রাজনীতিকে নতুনভাবে চিনতে ও বুঝতে সাহায্য করবে। আলোচনার শেষে এক প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দর্শক ও গবেষকদের মাঝে সমকালীন রাজনৈতিক মেরুকরণের সঙ্গে ইতিহাসের এই জটিল সমীকরণের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


ফুলবাড়ীতে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌরসভায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভা আজ শনিবার (২৭ জুন) অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার প্রশাসক, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ছামিউল ইসলাম।

পৌরকর্মচারী আশরাফ পরভেজের সঞ্চালনায় আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লুৎফুল হুদা চৌধুরী লিমন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজু, পৌর ইন্সপেক্টর মো. মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

প্লানিং এ্যাডভোকেসি ও ওরিয়েন্টশন সভায় পৌরসভার ২৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২৮ জুন রবিবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ফুলবাড়ী পৌরসভার এলাকার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৫০০ শিশুকে ১টি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ হাজার শিশুকে ১টি লাল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদিকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ্যাডভোকেসি ও কর্মপরিকল্পনা সভা আজ শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কর্মপরিকল্পনা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সাজেদুল ইসলাম সাজুর সঞ্চালনায় আয়োজিত ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে এ্যাডভোকেসি ও কর্মপরিকল্পনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ হাছান।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসানুল হক বান্না, ফুলবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) মো. সিদ্দিকুর রহমান, এপিআই মো. খবির উদ্দিন প্রমুখ। টিকা ক্যাম্পেইনে উপজেলার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ হাজার ৭২০ জন শিশুকে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৩ হাজার ৫০ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুনারুঘাটে লোকালয়ে ঢুকে পড়া মায়া হরিণ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ এম


চুনারুঘাটে লোকালয়ে ঢুকে পড়া মায়া হরিণ উদ্ধার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পথ হারিয়ে লোকালয়ে চলে আসা একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে উপজেলার ভোলারজুম গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয় হরিণটি। এর পর হরিণটিকে কালেঙ্গা রেঞ্জের রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল। চুনারুঘাট উপজেলার এ বনাঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে মায়া হরিণের বসবাস রয়েছে। প্রথমেই ধারণা করা হচ্ছে, পথ হারিয়ে হরিণটি লোকালয়ে চলে আসে।

কালেঙ্গা রেঞ্জের বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল আমিন মন্তব্য করেছেন, ‘উদ্ধার করা হরিণটিকে রেসকিউ সেন্টারে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে সেটিকে আবার বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।’ অন্যদিকে, চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘লোকালয়ে আসা মায়া হরিণটি বন বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার করেছেন। বর্তমানে সেটি রেসকিউ সেন্টারে রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে দরিদ্র মানুষদের ছাগল, ধান ও সবজি বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৪ এম


কুড়িগ্রামে দরিদ্র মানুষদের ছাগল, ধান ও সবজি বিতরণ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায়, চরের দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিনামূল্যে ছাগল, জলবায়ু সহনশীল ফসল এবং শাক-সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় রাজারহাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচিটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সলিডারিটির উদ্যোগে আয়োজিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে, উপকারভোগীদের মাঝে এসব উপকরণ বিতরণ করেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ। এ সময় তিনি বলেন, ‘উপকারভোগীরা যেন এসব সহায়তা সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে পরিবারভিত্তিক আয়বর্ধক কর্মকা- গড়ে তুলতে পারেন। এর মাধ্যমে তারা শুধু নিজেদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করবেন না, সমাজের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।’ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজারহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান আসাদ, সিনিয়র শিক্ষক জাকির হোসেন, এনসিপির উপজেলা সভাপতি জমায়েত হোসেন চৌধুরী খোকন, সলিডারিটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মোর্শেদ বদরুন্নেছা (বীথি), ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাডমিন ম্যানেজার লাভলী রানী সাহা, ফিল্ড অফিসার আব্রাহাম লিংকন এবং স্বেচ্ছাসেবক সুজিৎ কুমার রায়সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। জানা যায়, বেসরকারি সংস্থা সলিডারিটি “চরের দরিদ্র মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারকরণ” প্রকল্পের আওতায় ব্রেড ফর দ্য ওয়ার্ল্ড, বার্লিন (জার্মানি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় বিদ্যানন্দ ও ছিনাই ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে হতদরিদ্র মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) সকালে, ৪৬ জন উপকারভোগীর মাঝে ৪৬টি ছাগল বিতরণ করা হয়। এছাড়া, ৩৪ জন উপকারভোগীকে জনপ্রতি ৪ কেজি ব্রিধান-৫২ ধানের বীজ, ২ কেজি সরিষার বীজ, ৫ কেজি মাষকলাই ডাল বীজ, ২ কেজি ভুট্টার বীজ, ৩ কেজি বাদামের বীজ এবং ২৫ কেজি বিভিন্ন ধরনের সার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, ৫৮ জন উপকারভোগীর মাঝে জলবায়ু সহনশীল ১৫ ধরনের শাক-সবজির বীজ, একটি ঝরনা (ওয়াটারিং ক্যান), একটি পাশুন, একটি ঘন জাল এবং ৪টি করে জিও ব্যাগ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%