বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১০ পি.এম
বাংলাদেশের একটি প্রধান শিল্পগোষ্ঠী এসআর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং চীনের পুয়াং ক্লিনওয়ে কেমিক্যাল লি., কানাডার কিংস প্যাসিফিক এন্টারপ্রাইজেস লি. ও জার্মানির স্টেনব্যাচ ক্লোরিন জিএমবিএইচ-এর মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) জন্য একটি যৌথ বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি আধুনিক ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড উৎপাদন কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে যৌথ উদ্যোগ প্রতিষ্ঠান এসআর প্যাসিফিক ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ লি.
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রকল্পের আওতায় এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের উৎপাদিত ক্লোরিন কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে। কারখানায় উৎপাদিত ট্রাইক্লোরোইসায়ানুরিক এসিড-এর সম্পূর্ণ পরিমাণ বিদেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত প্ল্যান্ট স্থাপনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসআর কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ রব্বানী এবং পুয়াং কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিনকে ওয়াং উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে এসআর গ্রুপের প্রধান কৌশলগত উপদেষ্টা মেহবুব চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ যৌথ বিনিয়োগ বাংলাদেশের রাসায়নিক শিল্পে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও উৎপাদন সক্ষমতা সম্প্রসারণ করবে। পাশাপাশি এটি প্রযুক্তি ও দক্ষতা বিনিময়, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এছাড়া, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রাসায়নিক পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছাত্রশিবিরের ‘সাথী’ পদ থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নৈতিক পদস্খলন, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, মেয়েদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন ও সম্পদের তছরুপ এবং সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য পরিপন্থি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। তিনি জানান, ২০২৫ সালের কিছু অনিয়মের অভিযোগের কারণে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ বাতিল করা হয়েছে।
শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত ৩১ জুলাইয়ের একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে সালাউদ্দিন আম্মারের ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেপ্টেম্বর ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট বৈঠকে তার ‘সাথী’ পদ বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আম্মারের কর্মকাণ্ড এবং ক্ষেত্রবিশেষে ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হওয়ার কারণে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তার ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ ক্যাম্পাসকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এ কারণে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় যে, তার অনলাইন ও অফলাইন কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের ইতিবাচক বা নেতিবাচক মন্তব্য কিংবা প্রতিক্রিয়া না দেখানো উচিত। শুধু রাকসুর নির্বাচিত দায়িত্বশীলদের তার সঙ্গে দাপ্তরিক সম্পর্ক রাখার কথা বলা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি শিবিরের তৎকালীন সভাপতি ও বর্তমান রাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ বাণিজ্যের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে ওঠে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অভিযোগের বিষয়টি শাখার ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এর মাসিক সেক্রেটারিয়েট সভায় আলোচনা করা হয়। সভায় তার বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ আমলে নিয়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ‘সাথী’ পদ মুলতবি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অভিযোগগুলোর বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের এক দমকলকর্মী আদালতে নিজের মামলা পরিচালনার জন্য চ্যাটজিপিটির সহায়তা গ্রহণ করেছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি সাবেক প্রেমিকার কাছ থেকে ৪০ হাজার পাউন্ড সফলভাবে ফেরত পেয়েছেন।
৪০ বছর বয়সী ক্রেইগ টিচেনার ২০১৯ সালের নভেম্বরে ‘উইন্টার ওয়ান্ডারলাইনস’ লটারি স্ক্র্যাচকার্ডে ২ লাখ পাউন্ড জিতেছিলেন। ২০২২ সালে তিনি তার তৎকালীন প্রেমিকা হিদার ডগলাসকে ৪০ হাজার পাউন্ড প্রদান করেন।
ডগলাস একজন সাইকিয়াট্রিক নার্স। তার আর্থিক বিষয়ে জ্ঞান থাকায় টিচেনার আশা করেছিলেন যে, তিনি ওই অর্থ তার পক্ষে বিনিয়োগ করবেন।
আদালতে জানানো হয়, তাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল যে, টাকাটি প্রিমিয়াম বন্ডে বিনিয়োগ করা হবে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা তারা ভাগ করে নেবেন।
পরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর টিচেনার তার দেওয়া ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত চান। কিন্তু ডগলাস টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান।
টিচেনার প্রথমে আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তাদের চাওয়া আইনজীবী ফি তার জন্য সামর্থ্যের বাইরে ছিল। এরপর তিনি আইনি সহায়তার জন্য চ্যাটজিপিটির সাহায্য নেন।
চ্যাটজিপিটি তাকে প্রয়োজনীয় ফর্ম পূরণ এবং আদালতে নিজেই কীভাবে মামলা পরিচালনা করবেন, সে বিষয়ে ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। সেই সহায়তা নিয়ে টিচেনার সেন্ট্রাল লন্ডন কাউন্টি কোর্টে নিজেই মামলা পরিচালনা করেন।
আদালতে টিচেনার বলেন, নিজে মামলা পরিচালনা করা তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবে আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য তার ছিল না। তিনি জানান, "চ্যাটজিপিটির সহায়তা ছাড়া আমি হয়তো মামলায় জয়ী হতে পারতাম না।"
অন্যদিকে, ডগলাসের দাবি ছিল যে, ৪০ হাজার পাউন্ড তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি। এমনকি আদালতে নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেননি। শেষ পর্যন্ত আদালত টিচেনারের পক্ষে রায় দেন এবং ৪০ হাজার পাউন্ড ফেরত পাওয়ার পথ খুলে যায়। এদিকে, ডগলাসের অভিযোগ ছিল যে, টিচেনার তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলেন।
সূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরাকের তেল বিক্রির অর্থ একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই ব্যবস্থার কেন্দ্রস্থল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, যা দেশটির থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ইরাক যুদ্ধের পর এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের তেল আয়কে ঋণদাতাদের দাবির হাত থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে অর্থায়ন করা।
কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এই ব্যবস্থা ইরাকের জন্য নির্ভরতার একটি রূপ নিয়ে এসেছে। কারণ, দেশটির তেল থেকে আয় হওয়া অর্থের একটি বড় অংশ মার্কিন ডলারে আসে। এই অর্থ নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের মাধ্যমে ইরাকে পৌঁছায়। ফলে ইরাকের নিজস্ব অর্থে প্রবেশাধিকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে।
ইরান এবং ইরান-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক সময়ে এই আর্থিক ব্যবস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এপ্রিল মাসে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয়ে ইরাক সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের সময় ওয়াশিংটন প্রায় ৫০ কোটি ডলারের নগদ অর্থ ইরাকে পাঠানো আটকে দেয়। পরে অবশ্য অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়।
তৎকালীন পার্লামেন্টের অর্থ কমিটির সদস্য মুয়ায়েন আল-কাধিমি এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তিনি মার্কিন নিয়ন্ত্রণকে দেশের আর্থিক ও রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরাক কেন অর্থ অন্য দেশে সরিয়ে নেয় না, এই প্রশ্নের উত্তর হলো, ইরাকের তেল মূলত মার্কিন ডলারে মূল্য নির্ধারিত হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আমদানির ক্ষেত্রেও দেশটি ডলারের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
এছাড়া, ইরাকের প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ এখনো অনিষ্পন্ন রয়েছে। ফলে বর্তমান ব্যবস্থা থেকে অর্থ সরিয়ে নিলে বিভিন্ন ঋণদাতার দাবির মুখে ইরাকের সম্পদ পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব বসরার অর্থনীতির সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সাদ্দামের মতে, নিউইয়র্কে ইরাকের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব রাখার বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
তিনি বলেন, এর অন্যতম সুবিধা হলো সাবেক সরকারের ঋণদাতাদের কাছ থেকে ইরাকের তেল থেকে আয়কে সুরক্ষা দেওয়া। এছাড়া, এই হিসাব তেল বিক্রি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অর্থ পরিশোধ সহজ করে এবং অর্থ স্থানান্তরের খরচ কমায়। আন্তর্জাতিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রা হওয়ায় ডলারের ব্যবহারও এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে সাদ্দামের মতে, এই ব্যবস্থার কারণে ইরাক মার্কিন চাপের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ডলার থেকে বের হওয়ার পথ কতটা সহজ, এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, ইরাক চাইলে ইউরো বা চীনা ইউয়ানে তেল বিক্রি করতে পারে, যদি তেল বিক্রির চুক্তিতে ডলারে লেনদেনের বাধ্যবাধকতা না থাকে। তবে এতে ডলারের ওপর নির্ভরতা পুরোপুরি শেষ হবে না।
সাদ্দাম বলেন, তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের সঙ্গে যুক্ত থাকায় অন্য মুদ্রায় অর্থ পরিশোধ করলেও শেষ পর্যন্ত ডলারের বিনিময় হার ধরেই হিসাব করতে হবে।
এছাড়া, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বড় অংশের জন্য ইরাকের ডলার প্রয়োজন হবে। অন্য মুদ্রায় দ্রুত স্থানান্তর করলে বিনিময় হারের কারণে আর্থিক ক্ষতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক চাপের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে একাধিক সার্বভৌম হিসাব খোলা যেতে পারে। পাশাপাশি নিউইয়র্কের বর্তমান হিসাবও রাখা যেতে পারে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হিসাব খোলার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ইরানকে ঘিরে আর্থিক চাপ
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো এবং ইরাকে তেহরান-ঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করার মার্কিন প্রচেষ্টা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইরাকের এই আর্থিক ব্যবস্থার গুরুত্বও বেড়েছে।
ইরাকের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক রয়েছে। দেশটির ভেতরেও বেশ কয়েকটি শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী সক্রিয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ইরাকের কিছু ব্যাংক, মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক নেটওয়ার্ক দেশটির আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ডলার স্থানান্তর করছে।
ফলে ইরাকের তেল আয়ের অর্থ কোথায় রাখা হবে এবং কীভাবে তা আন্তর্জাতিক লেনদেনে ব্যবহার করা হবে—এটি এখন শুধু অর্থনৈতিক বিষয় নয়; বরং ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
সূত্র: এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য প্রদান করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মো. আমিনুল হক এবং সদস্য সচিব মো. মোস্তফা জামানের নেতৃত্বে থাকা ৫১ সদস্যবিশিষ্ট বিদ্যমান আহ্বায়ক কমিটি নির্দেশক্রমে বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এতে আরও জানানো হয়েছে, শিগগিরই ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, একই দিনে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি ইতোমধ্যে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ