বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া সহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নগরের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) নগরের ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ মশক নিধন কার্যক্রমের সূচনা হয়।
চসিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই কার্যক্রমের আওতায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলো ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে, মশার লার্ভা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হয় এবং নগরবাসীকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতন করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মশার প্রজননস্থল তৈরির জন্য দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মন্তব্য করেন, "ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে চসিক সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে বিশেষ মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের পুঁজিবাজারে মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির সংখ্যা এখনও পর্যাপ্ত নয় উল্লেখ করে ভালো ও স্বনামধন্য বৃহৎ কোম্পানিগুলোকে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে সম্পৃক্ত করে বাজারের গভীরতা ও পরিধি বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান আজ বৃহস্পতিবার কমিশনের আগারগাঁও কার্যালয়ে সরাসরি তালিকাভুক্তির খসড়া বিধিমালা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এর ফলে পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়ার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের পথও সুগম হবে।
চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে একটি কোম্পানির সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে এবং শক্তিশালী করপোরেট ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে বিভিন্ন কর-সুবিধা, কোম্পানির মূল্য বৃদ্ধি ও শেয়ারের তারল্য বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়। এতে কোম্পানির উত্তরসূরিরাও তাদের শেয়ার নগদায়নের সুযোগ পান। ভবিষ্যতে ব্যবসা সম্প্রসারণে অতিরিক্ত পুঁজির সংস্থানেও তালিকাভুক্তি সহায়ক হবে।
তিনি আরও বলেন, সরাসরি তালিকাভুক্তির পাশাপাশি কমিশন প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের(আইপিও) বিধিমালাকে আরও বাস্তবসম্মত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলো বিদ্যমান শেয়ার বিক্রির পাশাপাশি নতুন শেয়ার ইস্যু করে অর্থাৎ সমন্বিত পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসতে পারে-এ বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
বিএসইসি জানায়, মৌলভিত্তিসম্পন্ন ভালো কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি সিকিউরিটিজ তালিকাভুক্তি) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করে জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ কমিশনের আগারগাঁও কার্যালয়ে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিএসইসির কমিশনাররা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজ ও বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ বিভিন্ন তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানি, মার্চেন্ট ব্যাংক, ইস্যু ব্যবস্থাপক, পেশাজীবী সংগঠন এবং পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় প্রস্তাবিত বিধিমালার আওতায় স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি তালিকাভুক্তির যোগ্য কোম্পানি, আবেদন ও তালিকাভুক্তির শর্ত এবং মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। অংশীজনরা খসড়া বিধিমালার বিভিন্ন ধারা ও প্রস্তাবিত ব্যবস্থার বিষয়ে মতামত, পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ও বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
সভায় অংশগ্রহণকারী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরাসরি তালিকাভুক্তি এবং একই সঙ্গে বিদ্যমান শেয়ার বিক্রি ও আইপিওর মাধ্যমে সমন্বিত পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তারা সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়ে বিএসইসির উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও মতামত দেওয়ার আশ্বাস দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা কোনো স্লোগান নয়।
তিনি জানান, সরকার চলতি দশকে রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি নতুন সরকার এসেছে এবং বাংলাদেশের একটি নতুন দিকনির্দেশনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া। এটি কোনো স্লোগান নয়, এটি একটি পরিকল্পনা। আমরা এই দশকে রপ্তানি, বিনিয়োগ এবং আর্থিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির আকার দ্বিগুণ করতে চাই।’
আজ বৃহস্পতিবার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইএসডিবি) অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুক্তির অধীনে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে।
তারেক রহমান বলেন, তাঁর সরকারের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে একটি উৎপাদনকেন্দ্র এবং এ অঞ্চলের প্রবেশদ্বারে পরিণত করা।
তিনি বলেন, ‘পোশাকশিল্প আমাদের প্রথম প্রবৃদ্ধির গল্প তৈরি করেছে। এখন আমরা চাই ইলেকট্রনিকস, ওষুধশিল্প, হালকা প্রকৌশল এবং সবুজ শিল্প পরবর্তী প্রবৃদ্ধির গল্প তৈরি করবে। আমরা এমন কারখানা চাই, যেগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং এমন কর্মসংস্থান চাই, যা মানুষের মর্যাদা তৈরি করবে।’
সরকারের সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং হেলথ কার্ড প্রবর্তনের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠা নানা চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সংঘাত, বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত রূপান্তর এবং উন্নয়ন অর্থায়নের ব্যয় বৃদ্ধি উন্নয়নশীল অর্থনীতিগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে।
তিনি বলেন, ‘কোনো দেশ একা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে না। এখন অংশীদারত্ব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও আইএসডিবি’র মধ্যে নতুন ধরনের অংশীদারত্ব গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এই সহযোগিতা আরও উদ্ভাবনী, সাড়াপ্রদানকারী ও ফলাফলভিত্তিক হবে এবং বাংলাদেশের পরিবর্তিত উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অর্থায়নের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে আইএসডিবি ও এর সহযোগী সংস্থাগুলোর ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
ড. আল জাসেরকে বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তাঁকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বলেন, গত পাঁচ বছরে তাঁর নেতৃত্বে ব্যাংকটি সদস্যদেশগুলো ও মুসলিম উম্মাহর জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে যে আপনার দ্বিতীয় মেয়াদ আরও বড় সাফল্য বয়ে আনবে। আমাদের সরকার আপনার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।’
অর্থায়ন চুক্তিটিকে একটি মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি শুধু একটি লেনদেন নয়; বাংলাদেশের প্রতি ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের আস্থারও বহিঃপ্রকাশ।
তারেক রহমান বলেন, ‘কয়েক দশক ধরে ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং আমরা এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হতে পেরে গর্বিত।’
তিনি বলেন, ‘এই সদস্যপদ আমাদের জন্য অনেক বড় একটি বিষয়। এটি শুধু অর্থায়নের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং ইসলামি উম্মাহর সদস্য হিসেবে আস্থা, সংহতি এবং অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে ৬৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিদেরকে আজ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৫ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ৭ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ১২ জন, আদাবর থানায় ২১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৫ জন ও হাতিরঝিল থানায় ১৩ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার শ্যামনগর উপজেলায় অবৈধভাবে দখল হওয়া জেলা পরিষদের জায়গা উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে উপজেলা সদরের শ্যামনগর থানার সামনে নির্মাণাধীন অবৈধ স্থাপনার কাজ বন্ধ করে জায়গাটি দখলমুক্ত করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মাস্টার আব্দুল ওয়াহেদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশেক এলাহী মুন্না, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আল-আমিন, শ্যামনগর থানার ওসিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পত্তি পরিদর্শন করেন।
পরে তিনি শ্যামনগরের নীলডুমুর ডাকবাংলো, চন্ডিপুর ২২ বিঘা পুকুর, আকাশনীলা ইকোপার্কসহ উপজেলার বিভিন্নস্থানে জেলা পরিষদের সম্পত্তির অবস্থা সরেজমিনে দেখেন।
এসব সম্পত্তি কীভাবে অবৈধ দখলমুক্ত করে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, সেই বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিব বলেন, শ্যামনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের যেসব সম্পত্তি বিভিন্ন সময়ে দখল হয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করে সরকারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এসব সম্পত্তি আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এর আগে গতকাল বুধবার দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর পর সাতক্ষীরার আশাশুনি থেকে জেলা পরিষদের ৫৫ শতক জমির ওপর খননকৃত পুকুর দখল মুক্ত করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ