বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:৩৬ পি.এম
ঢাকা, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পাঁচটি কন্টিনজেন্টের অগ্রবর্তী দলের ৫০ জন সদস্য আজ হাইতির উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করেছেন, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদিত গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে (জিএসএফ) অংশগ্রহণের জন্য।
আজ সকালে সেনাসদরে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান মিশনে অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাৎকালে তিনি মিশন এলাকায় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, সতর্কতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এই সেনা মোতায়েন আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদান এবং বিশ্বশান্তির প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলম রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে তার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
এছাড়া, রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মো. শহিদুল ইসলামকে গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি প্রদান করে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের কন্যা মেহেরিন মুনজারিন রত্নাকে ভারত সফরের জন্য অনুমতি প্রদান করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত মেহেরিনকে ১৬ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভারত যাওয়ার জন্য ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তার ভারত সফরের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আবদুল করিমের স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে ছুটি মঞ্জুরের তথ্য প্রকাশ করা হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ২০১১ সালের ১৯ জুনের একটি চিঠির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, মেহেরিন মুনজারিন রত্না ভারত সফরের সকল খরচ নিজেই বহন করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ সফরের জন্য কোনো আর্থিক দায়বদ্ধতা থাকবে না।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের মতে, রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর এই সময়ে মেহেরিনের ভারত সফর নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। গুঞ্জন রয়েছে যে, তার বাবা আ ক ম মোজাম্মেল হক ভারতে অবস্থান করছেন। এ কারণে, বাবার সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে মেহেরিন ভারতে যাচ্ছেন কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেহেরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিভাগের যুগ্ন পরিচালক মো. আবদুল করিম যুগান্তরকে জানান, মেহেরিন মুনজারিন রত্না তার স্বামীর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারত যাওয়ার জন্য ছুটির আবেদন করেছেন। তবে তিনি কী ধরনের চিকিৎসা বা নির্দিষ্ট কোনো রোগের কথা উল্লেখ করেছেন, তা এই মুহূর্তে জানানো সম্ভব নয়। নথি না দেখে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা সম্ভব নয়।
এদিকে, ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন মেহেরিন মুনজারিন রত্না।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, তার বাবার ওপর আস্থা রেখে শেখ হাসিনা তাকে চতুর্থবারের মতো নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন এবং তৃতীয়বারের মতো মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মামুন মজুমদার নামের এক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানান। মামুন মজুমদার উপজেলা কমিটিতে ১নম্বর যুগ্ম সমন্বয়কারী পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির আহবায়ক ব্যারিষ্টার মাজারুল ইসলাম সোহেল ও সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটুর অনুমোদনের পর এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। আহবায়ক কমিটিতে তাকে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রাখা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে মামুন মজুমদার উল্লেখ করেন, তিনি সব সময় রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকলেও প্রকাশ্যে রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠন পর্যন্ত দেশের ক্রান্তিকালে দায়বদ্ধতা থেকে তিনি দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সচেতনভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগত কারণে অনেক আগেই রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা এনসিপি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর সেখানে নিজের নাম দেখতে পান, যা তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে হয়নি। এ কারণে তিনি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে উপজেলা কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
একই সঙ্গে নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান এবং উপজেলা এনসিপিতে কাজ করা আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের শুভকামনা জানান।
পদত্যাগের বিষয়ে মামুন মজুমদার বলেন, কমিটি ঘোষণার আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি কমিটিতে থাকবেন না। তবে ভুলবশত তাকে উপজেলা আহ্বায়ক কমিটিতে রাখা হয়েছে। এ কারণে তিনি ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন। তবে তিনি জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন বলেও জানান।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা এনসিপির সদস্যসচিব সৈয়দ আহসান টিটু জানান, মামুন মজুমদার লিখিত কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। তবে তারা ফেসবুকে তার পদত্যাগের পোস্ট দেখেছেন। ইতোমধ্যে উপজেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সৈয়দ আহসান টিটু আরও বলেন, তাদের ধারণা, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়ার কারণে মামুন মজুমদার ফেসবুকে পদত্যাগের পোস্ট দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন যে, দেশ (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, হরেক রঙের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিতভাবে ছাড়বে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
‘জুলাই পরবর্তী রাজনীতির আজব দশা’ শিরোনামের স্ট্যাটাসে মাহফুজ আলম লেখেন, অন্তরিন সরকারের সময় থেকেই সেক্যুলার সিভিল সোসাইটি, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্সের কাছে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম দেখে আসছেন। ক্ষমতার জন্য এবং সংস্কারের নামে বিএনপি বিরোধিতার জন্য, যাঁরা আসলে আজীবন কালচারালি লীগ ছিলেন, তাঁদের জাশির কোলে ওঠার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে। কোলে ওঠার পর অনেকে নামতে পারবে না দেখে, এখনও জাশির কোলবন্দি হয়ে আছেন।
তিনি আরও লেখেন, ডিজিটাল মবের চাপে অনেককে ডানপন্থী থেকে উগ্র-ডান হতে দেখা গেছে। এখনও এই পরিবর্তন চলমান রয়েছে। এসব ডিজিটাল মব আদতে সিস্টেম্যাটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন মেকানিজম। এ মেকানিজমকে এড়িয়ে যাওয়ার উপায় সহজ নয়। দেশ (উগ্র) ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। হরেক রঙের নরম-গরম ডান মিলে এটি নিশ্চিতভাবে ছাড়বে।
মাহফুজ আলম লেখেন, সংস্কারের নামে (ক্ষমতার জন্য?) বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কাছে যাওয়ার খেসারত সেক্যুলার সমাজকে দিতে হবে। ট্রাডিশনাল আলেম সমাজকেও জাশিকে সার্ভিস দেওয়ার খেসারত দিতে হবে। এখানে কেবলই জাশির লাভ। লাভের গুড় খাওয়ার পরে দুই গোষ্ঠীকেই ছুড়ে ফেলা হবে। গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি অ্যান্ড ৭২ আদার্স। এ আশু ভবিষ্যৎ পাল্টানোর ক্ষমতা আপাতত কারো নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায়, অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে। বাকিরা আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ