১১:৫১ এম
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার পরিবারে চার সদস্যের প্রথম জানাজা তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) এই জানাজায় বিশ্বের প্রায় ১০০ দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে দুই কোটি মানুষের সমাগম ঘটেছে বলে দাবি করেছে তেহরান। জানাজার নামাজে বিশেষ ইমামতির দায়িত্ব পালন করেছেন গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানী।
গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ সোবহানী ইরানে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব। তার বয়স বর্তমানে ৯৭ বছর। তিনি কোম সেমিনারির মুজতাহিদদের কাউন্সিলের একজন শীর্ষ সদস্য। কোম সেমিনারি দ্বাদশী শিয়া মতবাদের শিক্ষা ও গবেষণার দুটি প্রধান কেন্দ্রের একটি।
আরও পড়ুন: মঙ্গলে নাসার ওডিসির দুই দশকের সাফল্য ও নতুন তথ্যের উন্মোচন
গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ সোবহানী ইরানের ইমাম সাদিক ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক। এর আগে তিনি কোমের সোসাইটি অব সেমিনারি টিচার্সের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইসলামী জ্ঞানের প্রায় সকল শাখায় তার গবেষণা ও অবদান ব্যাপকভাবে পরিচিত। তার কাজ সমালোচনামূলকভাবে মূল্যায়িত হয়ে থাকে, এবং তিনি একজন অত্যন্ত প্রাজ্ঞ লেখক। তিনি ৩০০টিরও বেশি গবেষণাধর্মী গ্রন্থ এবং প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, রোববারের এই জানাজার নামাজে ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শোকাহত মানুষ এবং অন্যান্য দেশ থেকে আসা সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার শুরু হওয়া দুই দিনের গণবিদায় অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সোমবার (৬ জুলাই) তেহরানে খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠিত হবে। এতে তেহরানের বিপুলসংখ্যক মানুষ এবং ইরানের বিভিন্ন অঞ্চল ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা সমর্থকদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি বলয়ের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’
এরপর মঙ্গলবার খামেনির মরদেহ বিদায় অনুষ্ঠান ও জানাজার জন্য কোম শহরে নেয়া হবে।
এছাড়া, ইরাকি কর্মকর্তাদের অনুরোধে বুধবার ইরাকের পবিত্র শহর কারবালা ও নাজাফে খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বৃহস্পতিবার শিয়াদের পবিত্র শহর মাশহাদে তার মরদেহ দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।
মনে রাখবেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আলি খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্য—ড. মেসবাহ আল-হোদা (মেয়ে জামাতা), সাইয়্যেদেহ বুশরা হোসেইনি খামেনি (কন্যা), জাহরা হাদ্দাদ আদেল (পুত্রবধূ) এবং জাহরা মোহাম্মদি গোলপায়েগানি (নাতনি) নিহত হন।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যতের সব নির্বাচন একই মানদণ্ডে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে ইসি: সিইসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন