০৬:১৫ পি.এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ২০ জুলাই বুধবার, ঢাবির উপাচার্যের কার্যালয়ে সাক্ষাতে তারা বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এই বৈঠকের সময় ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলার মাহদি মৌলায়ী আরানি উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের বিস্তারে আলোচনা হয়েছে, পাশাপাশি ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে জোরদার করতে এবং ঢাবিতে ফারসি ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের বিষয়ে কথাবার্তা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সৌর প্রযুক্তি, চিকিৎসা এবং ফার্মেসি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নতুন সহযোগিতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ব্যাপারে তারা গুরুত্বারোপ করেন। ঢাবি ও বাংলাদেশে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের যৌথ পৃষ্ঠপোষকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি শিক্ষা, গবেষণা, ভাষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুতর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের মধ্যে সাক্ষাৎকালে ইরানি রাষ্ট্রদূত ঢাবির টিএসসি মিলনায়তনে ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দেন। অনুষ্ঠানটিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ইরান দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলার মাহদি মৌলায়ী আরানি। ইরানের রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. জালিল রাহিমি জাহানাবাদি শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ঢাবির বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ইরানি অধ্যাপক নিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৈঠকে ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাবির ভিজিটিং প্রফেসর, শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। উপাচার্য ইরানের রাষ্ট্রদূতকে ঢাবি সফর এবং যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান। অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সামাজিক, শিক্ষাগত ও সাং সংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনগুলোতে বিভিন্ন অ্যাকাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন