ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ জেলার পোরশায় নকল নবীস আমির উদ্দিন বাবু সাময়িক বরখাস্ত


নওগাঁ জেলার পোরশায় নকল নবীস আমির উদ্দিন বাবু সাময়িক বরখাস্ত

বালাম বইয়ে নথি টেম্পারিংয়ের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে, এমন তথ্য পাওয়া গেছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের সূত্র থেকে। নওগাঁর পোরশা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নকল নবীস আমির উদ্দিন বাবুকে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিতে কাটাছেঁড়া বা টেম্পারিংয়ের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করার খবরও পাওয়া গেছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের সূত্রে।

জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের তথ্য ও সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৯ মে পোরশা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১৪২১/৪৭১ নম্বর বালাম বইয়ের একটি স্থানে ‘১২৫’ সংখ্যাটি কেটে ‘১৩৫’ করা হয়েছে। সরকারি রেকর্ডে এ ধরনের পরিবর্তন নজরে আসার পর পোরশা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে রেকর্ডরুমের রেজিস্টার যাচাই করা হয়।

রেজিস্টার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট বালামটি পর্যায়ক্রমে ইসমত আলী, রাবেয়া বেগম এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নকল নবীস আমির উদ্দিন বাবু বের করেছিলেন। এরপর তিনজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তাদের দাখিল করা জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয় বলে জানা গেছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের সূত্রে।

আরও পড়ুন: ইসলামের জন্য ক্ষমতা ছাড়তে পারি, ক্ষমতার জন্য ইসলাম নয়: ফয়জুল করীম

পরবর্তীতে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের নির্দেশে বিষয়টি তদন্তের জন্য ধামইরহাটের সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়। তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট নথির হাতের লেখা ও অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করা হলেও বিষয়টি বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। এ কারণে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করার সুপারিশ করা হয় এবং জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। পরে অধিকতর তদন্তের জন্য বিষয়টি মান্দার সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের সূত্রে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং কথিত নথি টেম্পারিংয়ের সঙ্গে কারা সরাসরি জড়িত সে বিষয়ে তদন্তের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। এদিকে, গত ২৩ আগস্ট ২০২৬ পোরশা সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কথিত দালাল সিন্ডিকেট নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় আমির উদ্দিন বাবুসহ কয়েকজনের উপস্থিতি দেখা যায়। পরে ওই ভূমি অফিসকেন্দ্রিক দালাল সিন্ডিকেটের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, আমির উদ্দিন বাবু সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন ভূমি অফিসে দালালি করেন এবং ভূমি-সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। নথি টেম্পারিং এবং দালালি সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আমির উদ্দিন বাবুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলাম জানান, ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা এবং নিয়মিত মামলা করা হবে।

আরও পড়ুন: মহাঅষ্টমীতে বরিশালের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিএমপি কমিশনার, নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তমশাহাদাতবার্ষিকী আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ এম


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তমশাহাদাতবার্ষিকী আজ
মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের সাহসী সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ (৫ সেপ্টেম্বর)। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাতববরণ করেন তিনি। এদিন পাকবাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও হাতে এলএমজি এবং আহত নান্নুকে কাঁধে নিয়ে শত্রুপক্ষের দিকে গুলি ছুঁড়তে থাকেন নূর মোহাম্মদ। হঠাৎ পাকবাহিনীর মর্টারের আঘাতে তার হাঁটু ভেঙ্গে যায়। তবুও গুলি চালাতে থাকেন তিনি। এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নূর মোহাম্মদ শেখ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত হন তিনি। লাল-সবুজের মাঝে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আজো বেঁচে আছেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।    

এদিকে, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। তার দুই স্ত্রীর কেউই বেঁচে নেই। বর্তমানে এক ছেলে ও তিন মেয়ে আছেন। তারা নড়াইল ও যশোরে বসবাস করেন।
 
নূর মোহাম্মদ শেখের জীবনী থেকে জানা যায়, ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন। বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি)। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন তিনি। ল্যান্স নায়েকে পদোন্নতি পান। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮নম্বর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এস এ মঞ্জুর। নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নের্তৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন।

এদিকে, এই বীরশ্রেষ্ঠের গ্রামের নাম পরিবর্তন করে ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ ‘নূর মোহাম্মদ নগর’ করা হয়। সেই থেকে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে গ্রামটিতে। এখানে নির্মিত হয়েছে-বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ। ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ জাদুঘরটি উদ্বোধন হয়। এছাড়াও নূর মোহাম্মদের বসতভিটায় নির্মিত হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ।

জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম জানান, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ (৫ সেপ্টেম্বর) নূর মোহাম্মদ নগরে কোরআন তেলাওয়াত, শোভাযাত্রা, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং রোববার জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নূর মোহাম্মদের জীবনীভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের আমাদায় ‘শান্তি সম্প্রতি’ ও ‘মাদকমুক্ত গ্রাম’ গঠনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


নড়াইলের আমাদায় ‘শান্তি সম্প্রতি’ ও ‘মাদকমুক্ত গ্রাম’ গঠনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নড়াইলের আমাদায় ‘শান্তি সম্প্রতি’ ও ‘মাদকমুক্ত গ্রাম’ গঠনে ঐক্যবদ্ধ যুব ও তরুণ প্রজন্ম

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষীপাশা ইউনিয়নের আমাদা গ্রামে ‘শান্তি সম্প্রতি’ ও ‘মাদকমুক্ত গ্রাম’ গঠনের লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ ‘সম্প্রীতি সভা’ অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আসাদুজ্জামান মন্ডল এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন মশিউর রহমান শেখ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগড়া লক্ষীপাশা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কে এম রেজাউল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর শেখ।

অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা ও তত্ত্বাবধানে ছিলেন আমাদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি সালাহউদ্দিন খান। বক্তব্য প্রদান করেন লোহাগড়া থানার এএসআই সাইফুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমান খান, আমজাদ হোসেন মল্লিক, সাইফুজ্জামান মল্লিক, তারিকুল ইসলাম খান ছবি, জাহিদ সরদার, গোলজার মৃধা, ওহিদ গাজী, মহসিন শেখ, সাজেদুল হকসহ আরও অনেকে।

বক্তারা আলোচনা সভায় উল্লেখ করেন, নড়াইলের আমাদা গ্রামে ‘শান্তি সম্প্রতি’ বজায় রাখার গুরুত্ব রয়েছে। মাদকমুক্ত গ্রাম গঠনে সকলকে একত্রিত হতে হবে। যদি কেউ মাদক কেনাবেচা বা সেবনে জড়িত হয়, তবে তাকে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। সবার ঐক্যের ভিত্তিতে গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া তরুণ সমাজকে পড়ালেখা ও খেলাধূলার প্রতি মনোযোগী করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

আলোচনা সভার পর তরুণ ও যুব সম্প্রদায়ের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন প্রধান বক্তা কেএম রেজাউল ইসলাম এবং অনুষ্ঠানটির তত্ত্বাবধায়ক সালাহউদ্দিন খান। #

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাপগঞ্জে বিএনপি নেতার বাড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন, প্রতিবাদ করায় ৫ জনের ওপর মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৬ এম


গোলাপগঞ্জে বিএনপি নেতার বাড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন, প্রতিবাদ করায় ৫ জনের ওপর মামলা
সিলেটের গোলাপগঞ্জে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি, ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায় ও ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত শনিবার (২৯ আগস্ট) গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় অভিযোগটি দায়ের করেছেন উপজেলার রানাপিং এলাকার ফাজিলপুর গ্রামের আব্দুল আজাদের ছেলে মো. আব্দুল কাইয়ুম।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, শনিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে শেরপুর গ্রামের জনৈক শাকিল আহমদ চৌধুরীর কাছ  থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে নিজের বাড়ি ফিরছিলেন কাইয়ুম। কিন্তু রানাপিং এলাকার শেরপুর গ্রামের মানিক মিয়ার  ছেলে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি  আশফাক আহমদ চৌধুরীর বাড়ির সামনে পৌঁছালে তার ছোটো দুই ভাই শরীফ আহমদ (৪০) ও কাশেম আহমদ (৩৫) এবং আশফাকের ছেলে হামজা আহমদ (২২) তাকে আটক করে তাদের বাড়িতে নিয়ে যায় এবং একটি ঘরে আটকে রেখে মারধর করেন। তাদের রডের আঘাতে তার পা ভেঙে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত জখম হন। তারা তার কাছে থাকা দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন এবং ব্ল্যাংক স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর আদায় করেন। পরবর্তীতে এলাকায় গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি আশফাক আহমদ থানায় প্রভাব খাটিয়ে গত ২ সেপ্টেম্বর প্রতিবাদকারী ৫ জন ব্যক্তিকে আসামী দিয়ে একটি মামলা গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় দায়ের করেন। উক্ত মামলায় অভিযুক্তরা হলেন আহত আব্দুল কাইয়ুম (৩০) গোলাপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী(৫০) গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক ও  ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মওদুদ চৌধুরী সুমন (৪০), সিলেট ল'কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক সুলতান মাহমুদ (৩৪) উপজেলা যুবদল  নেতা শাকিল আহমদ চৌধুরী (৩৩) সহ আরো অজ্ঞাত ৭ জন ব্যক্তি।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজিত পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর স্থানীয় চৌঘরী বাজারে আশফাক আহমেদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার কারণে আরো একটি প্রতিবাদ সভা হয়। উক্ত সভায় ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেনির ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম বলেন, আশফাক আহমদ হলেন একজন মামলাবাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষ তিনি বিগত ৫ আগস্টের পর থেকে গোলাপগঞ্জের অনেক নিরিহ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছেন এবং অনেকের কাছ থেকে এসব মামলা দেখিয়ে টাকা নিয়েছেন। এলাকায় এর কারণে মানুষ অতিষ্ঠ, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে সে আরো বেপরোয়া হয়ে গেছে। নিরীহ মানুষকে তুলে নিয়ে তার বাড়িতে নির্যাতন করতেছে আর আমরা প্রতিবাদ করায় এখন সে আমাদের ওপরও মামলা দিয়ে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এসময়   উপস্থিত জনতা আশফাক আহমদ এবং তার অনুসারীদের এসব কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান এবং দোষীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসার অনুরোধ করেন।
এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিব।
 
 
 
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হোসেনপুরে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি ‎বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:১৮ এম


হোসেনপুরে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি ‎বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ।

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পরিবেশ সুরক্ষা এবং সবুজায়নের উদ্দেশ্যে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ শীর্ষক একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ এবং বৃক্ষরোপণ করা হয়।

‎এ কর্মসূচিটি শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কুড়িমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয়।

‎আলোকিত সামাজিক সংঘ এন্ড পাঠাগার ও কুড়িমারা আলোকিত যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যসচিব এবং হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শহীদুল্লাহ কায়সার শহীদ।

‎অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন আলোকিত সামাজিক সংঘ এন্ড পাঠাগারের সভাপতি এবং ঢাকার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ শফিউল্লাহ কাড়ার।

‎কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থী ও শিশুদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণও করা হয়।

‎আয়োজকরা জানান, শিশুদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পরিবেশ রক্ষায় তাদের সম্পৃক্ত করাই ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

‎বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে

অনুষ্ঠানে বিএনপি ও তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, সংগঠনের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%