শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:১১ পি.এম
বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সম্পূর্ণ অর্থায়নে এক সেমিস্টার পড়াশোনার সুযোগ নিয়ে এসেছে কেনেডি-লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড স্টাডি বা ইয়েস প্রোগ্রাম। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস স্প্রিং ২০২৭ সেমিস্টারের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন গ্রহণ শুরু করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর বিকেল চারটা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন জমা দিতে পারবেন।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাইস্কুলে এক সেমিস্টার পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি, তারা আমেরিকান কোনো স্বনামধন্য পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করবেন। এই সুযোগের মাধ্যমে মার্কিন সমাজের সংস্কৃতি, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।
প্রোগ্রামটির অধীনে শুধুমাত্র পাঠ্যবইভিত্তিক শিক্ষাই নয়; বরং নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে উদ্ভাবন, ব্যবসা ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কিত বিভিন্ন আধুনিক কার্যক্রমেও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
মার্কিন দূতাবাস জানায়, বিশ্বব্যাপী তরুণ নেতৃত্বের একটি আন্তর্জাতিক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করাই এ প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার একটি অনন্য বিনিময়ের সেতু নির্মাণ করা হবে।
পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া মেধার ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি ধাপের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সম্পদ নেটওয়ার্ক (আইইআরএন) বাংলাদেশের সহায়তায় আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে চালু হওয়া ইয়েস প্রোগ্রামের আওতায় বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ৫৩০ জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রে এই শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ পেয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০১৩ সালে আদনান আল রাজীব পরিচালিত ‘অল টাইম দৌড়ের উপর’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে প্রবেশ করেন শবনম ফারিয়া। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে অল্প সময়ের মধ্যে দর্শকদের কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন এই অভিনেত্রী। ছোট পর্দায় এক সময় তিনি বেশ ব্যস্ত ও জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের তালিকায় ছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে শবনম ফারিয়াকে অভিনয়ে আগের মতো নিয়মিত দেখা যায় না। বিভিন্ন সময় তার ভক্ত ও দর্শকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, কেন এই অভিনেত্রী অভিনয়ে অনিয়মিত?
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। শবনম ফারিয়া জানিয়েছেন, অভিনয়ে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও তিনি নিয়মিত কাজ করতে চান না।
ফারিয়া বলেন, "আমি এখন জীবনের যে পর্যায়ে আছি, সে জায়গা থেকে নিয়মিত ২২-২৩ দিন অভিনয় করা সম্ভব না। আমি অভিনয় করতে চাই। কিন্তু নিয়মিত যে কাজ, সেটা আমি আর করতে চাই না। বছরে ৫-৬টি কাজ করতে চাই।"
অভিনয়জীবনে শবনম ফারিয়া বেশ কিছু জনপ্রিয় খণ্ড নাটকে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে, ‘কালো বরফ’, ‘মাকে আমার পরে না মনে’, ‘বুক ভরা ভালোবাসা’, ‘তবু ভালোবাসি তোমায়’ ও ‘মাছ পাখি ও তুমি’।
এছাড়া ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে তার উল্লেখযোগ্য কাজ ‘সোনার সেকল’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘ফ্যামিলি ক্রাইসিস’, ‘বকুলপুর’ ও ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’।
ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় পর্দাতেও নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন শবনম ফারিয়া। ২০১৮ সালে দেবী সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক ঘটে।
বর্তমানে নিয়মিত অভিনয়ের বাইরে থাকলেও বছরে হাতে গোনা কয়েকটি বাছাই করা কাজে অভিনয় করার ইচ্ছা রয়েছে এই অভিনেত্রীর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলা-৪ আসনের (চরফ্যাশন ও মনপুরা) সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন মন্তব্য করেছেন, ‘৫ লক্ষ টাকার কাজে একটি বাল্বও লাগানো হয়নি, এটি শুনে আমি নিজেই দুঃখিত। এই টাকা সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে এসে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। আমরা যদি পুরোপুরি ডকুমেন্টস পাই, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করার চেষ্টা করবো।’
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নুরুল ইসলাম নয়ন আরও বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চরফ্যাশন হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য আবেদন পাঠিয়েছি। এই হাসপাতালে আরও ডাক্তার এবং জনবল প্রয়োজন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আমি বলেছি, তাদের দাবি জানাতে। তাহলে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘হাসপাতালটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আমি শুরু থেকেই তাগিদ দিয়েছি। আজ এসে মনে হচ্ছে, আগের চেয়ে পরিবর্তন হয়েছে। সেবার মান উন্নত করার জন্য নার্স এবং ভালো বেডের প্রয়োজন রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘আমি আশা করছি, উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালের মধ্যে চরফ্যাশন হাসপাতালটি বাংলাদেশের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ যেন অযথা রোগীদের সেবার কাজে বাধা প্রদান না করে। আমরা সেই বিষয়টিও মাথায় রেখে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতা করবো।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন আলমগীর মালতিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মঞ্জুর হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক সিকদার হুমায়ুন কবির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আশরাফুর রহমান দিপু, চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল গোলদার এবং চরফ্যাশন হাসপাতালের টিএস আশরাফুল ইসলাম সুমন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী প্রকাশ্যে গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সম্পর্কে চলছে বিভিন্ন আলোচনা ও সমালোচনা। এই পরিস্থিতিতে ‘মা’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয় চরিত্র ‘ঝিলিক’খ্যাত অভিনেত্রী তিথি বসু বিশ্বজিৎকে সমর্থন জানিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন।
সম্প্রতি বাংলাদেশে আতিথেয়তা ও খাবারের প্রশংসা করে একটি সাক্ষাৎকারে বক্তব্য রাখেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। সেখানে তিনি ঢাকার গরুর মাংস ও ইলিশের প্রতি তার মুগ্ধতার কথা জানান। ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন।
বিশ্বজিতের পাশে দাঁড়িয়ে তিথি বসু একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, "বিশ্বজিৎ কাকু একজন সিনিয়র অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ।" তিনি আরও বলেন, "নিজের সততা থেকেই তিনি সত্যি কথাটি বলেছেন।" বাংলাদেশে গিয়ে কে কী খাবেন বা খাবেন না, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিথি দাবি করেন, কলকাতার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অঙ্গনের অনেকেই গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে গরুর মাংস খান। তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, তাদের ধারাবাহিকেও অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী-অভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরুর মাংস নিয়ে গল্প করতেন।
অভিনেত্রীর দাবি, কলকাতার বিভিন্ন জনপ্রিয় জায়গায় গরুর মাংস বিক্রি হলে সেখানে অনেক হিন্দুকেও তিনি যেতে দেখেছেন। ২০১০ সাল নাগাদ বহু জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও চ্যানেল কর্মকর্তাদেরও বিফ খেতে যেতে দেখেছেন বলে জানান তিথি।
এরপর তিথি আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তার ভাষ্য, "প্রচুর মানুষ গরুর মাংস খান এটাই বাস্তব।" এমনকি মুসলিমদের তুলনায় হিন্দুরাই বেশি বিফ খান বলেও দাবি করেন তিনি। যারা প্রকাশ্যে এ কথা বলেন না, তাদের মধ্যেও অনেকে গোপনে গরুর মাংস খান বলে মন্তব্য করেন তিথি।
তিনি আরও বলেন, "কার কী ধর্ম বা খাদ্যাভ্যাস, সেটি একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়।" একজনের খাদ্যাভ্যাস অন্য কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয় বলেও মত দেন তিনি।
তিথির এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ তার বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন, আবার কেউ খাদ্যাভ্যাসকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখার পক্ষে মত দিয়েছেন। অনেকে তার মন্তব্যকে ‘অপরিণত’ বলেও কটাক্ষ করেছেন।
এদিকে, গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে বিতর্কের বিষয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, "আমার পেট, আমার মন, আমার হাত আবার খাবার যে খাব, সে জন্য যে টাকা খরচ হবে, সেটাও তো আমারই!"
তিনি বলেন, "তাহলে আমি কী খাব, কতটা খাব সেটা ঠিক করে দেবে অন্য কেউ? বললেই হলো নাকি?" বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত ৪ তারিখ গিয়েছিলেন বাংলাদেশে। ৫ তারিখ দেশে ফিরেও এসেছেন। তিনি বলেন, "যাই হোক, আমার এক বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠান উপলক্ষেই গিয়েছিলাম। যেমন আতিথেয়তা পেয়েছি, আমি অভিভূত।"
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষের পর আইনি পদক্ষেপের বিষয়েও কথা বলেন বিশ্বজিৎ। তিনি জানান, এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন। বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন হওয়ায় এ নিয়ে আর বিস্তারিত মন্তব্য করতে চান না বলেও জানান বর্ষীয়ান এই অভিনেতা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২২ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে নারীদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা কমেছে। তবে, এখন যে ঘটনা তুলে ধরা হচ্ছে, তা কি ঐ সমীক্ষার ফলাফল, নাকি সামাজিক সচেতনতার অভাবের প্রতিফলন?
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়, দূরত্ব প্রায় এক জেলা থেকে আরেক জেলা। তবুও, দুই বছর ধরে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে তারা। এখানেই শেষ নয়—তাদের দাবি, মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই নাকি বিয়েও সম্পন্ন করেছেন তারা! যা নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে এখন তোলপাড় চলছে। কারণটি জানলে অনেকের চোখ কপালে উঠতে পারে।
ঘটনাটি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামে ঘটেছে। জানা যায়, সামাজিক মাধ্যমে প্রায় দুই বছর আগে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার ওই তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় কিশোরীর। একপর্যায়ে, পরিবারের কাউকে না জানিয়ে কিশোরী মাদারীপুরে চলে যায়। পরে শ্রীপুর ও রাজৈর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে, সম্প্রতি মাদারীপুরের ঐ তরুণী নিজেই কিশোরীর বাড়িতে অবস্থান নেন।
তারা নিজেদের বিবাহিত বলে দাবি করলেও, কিশোরীর পরিবার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। পরবর্তীতে আবারও পুলিশ এবং ঐ তরুণীর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
দুই বছরের পরিচয়ের পর এক মেয়ে অন্য মেয়ের বাড়িতে ছুটে যাওয়ার ঘটনা এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পরিবার বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান চান তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ