বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৫ এম
ঢাকাতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে কেনাকাটার জন্য যাওয়া হয়ে থাকে। তবে, সংশ্লিষ্ট এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি না জানলে আপনাকে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তারিখে কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে, তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে
শাহ্ আলী সুপার মার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, মোহাম্মাদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সুপার মার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট, আজিজ কো-অপারেটিভ মার্কেট এবং সাকুরা মার্কেট।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাজাহানপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, মিরপুর-১, মিরপুর স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা এলাকার দোকানপাট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরারপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলি, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা, রমনা শিশু পার্ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বার্সেলোনা আজ লা লিগার ম্যাচে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নামবে। পাশাপাশি, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) টেলিভিশনে বেশ কিছু ম্যাচ সম্প্রচারিত হবে।
টপ এন্ড টি-টুয়েন্টি
হায়দরাবাদ-নেপাল
সকাল ৯-৩০ মি., টি স্পোর্টস
বাংলাদেশ এইচপি-নিউজিল্যান্ড ‘এ’
বেলা ১-৩০ মি., টি স্পোর্টস
কলম্বো টেস্ট-৫ম দিন
ভারত-শ্রীলঙ্কা
সকাল ১০-১৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
লর্ডস টেস্ট-১ম দিন
ইংল্যান্ড-পাকিস্তান
বিকেল ৪টা, সনি স্পোর্টস ২
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
লিগ পর্বের ড্র
রাত ১০টা, সনি স্পোর্টস ১ ও উয়েফা
লা লিগা
বার্সেলোনা-বিলবাও
রাত ১টা, টি স্পোর্টস ও ট্যাপম্যাড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে নানা ঘটনা। অনেক কিছু উদ্ভাবন ও উন্মোচন হয়। জন্মের পাশাপাশি অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৭৮১ সালে পাল্লিলোরে হায়দার আলী ব্রিটিশ সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হন।
১৭৮৯ সালে ফরাসি জাতীয় পরিষদে বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার ঘোষণা প্রকাশিত হয়।
১৮১৩ সালে ড্রেসডেনের যুদ্ধে নেপোলিয়ন অস্ট্রীয় সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেন।
১৮৭০ সালে শশীপদ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম শ্রমজীবী সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৮৩ সালে ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা/জলোচ্ছ্বাসের কারণে ৩৬ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৮৮৯ সালে প্রথমবারের মতো সেলুলয়েড রোল ফিল্ম প্রস্তুত করা হয়।
১৯১৬ সালে রোমানিয়া অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯২৮ সালে প্যারিসে ১৭টি দেশের যুদ্ধ পরিত্যাগের ঘোষণা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৩২ সালে আমস্টারডামে যুদ্ধবিরোধী শান্তি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৪২ সালে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় কংগ্রেসের গোপন বেতার কেন্দ্র কংগ্রেস রেডিও প্রচার শুরু করে।
১৯৫৮ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন দুটি কুকুরসহ স্পুটনিক-৩ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৬৯ সালে ইসরায়েলের কমান্ডোরা মিশরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে নীল উপত্যকায় মিশরীয় সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে মর্টার হামলা চালায়।
১৯৭১ সালে লন্ডনে বাংলাদেশ মিশনের উদ্বোধন করা হয়।
১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ওমান।
১৯৮৮ সালে প্রবল বন্যায় বাংলাদেশে শতাধিক প্রাণহানি ঘটে।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত মোলদাভিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯১ সালে ইউরোপিয়ান কমিউনিটি এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়াকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
জন্ম
৮৬৫ সালে আল রাযী, একজন দক্ষ পারসিক চিকিৎসক এবং দার্শনিকের জন্মগ্রহণ করেন।
১৭৭০ সালে গেয়র্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল, একজন জার্মান দার্শনিক এবং জার্মান ভাববাদের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
১৮৪৭ সালে নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী, ভারতে ফুটবল খেলার জনক হিসেবে পরিচিত হন।
১৮৭১ সালে থিওডোর ড্রাইজার, একজন মার্কিন ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৪ সালে কার্ল বশ, একজন জার্মান রসায়নবিদ এবং প্রকৌশলী এবং রসায়নের নোবেল বিজয়ী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০৬ সালে এড গেইন, একজন মার্কিন দোষী সাব্যস্ত খুনি এবং লাশ ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০৮ সালে স্যার ডোনাল্ড জর্জ ব্র্যাডম্যান, ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯০৮ সালে লিন্ডন বি. জনসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৫ সালে নরম্যান ফস্টার র্যামজে, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী যিনি ১৯৮৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
১৯১৬ সালে মার্থা রে, একজন মার্কিন কৌতুকাভিনেতা, অভিনেত্রী ও গায়িকা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯২৬ সালে ক্রিস্টেন নিগার্ড, নরওয়েজীয় গণিতবিদ, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা মুঘল ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৩১ সালে শ্রী চিন্ময়, বাঙালি মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক, লেখক, শিল্পী, কবি ও সংগীতজ্ঞ হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৪১ সালে সেজারিয়া এভোরা, কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জের এক খ্যাতিমান সংগীতশিল্পী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ সালে টিউজডে ওয়েল্ড, আমেরিকান মডেল এবং অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৬৮ সালে ড্যাফনি কলার, ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭২ সালে দ্য গ্রেট খালি, একজন ভারতীয় পেশাদার মল্লযোদ্ধা, অভিনেতা ও প্রাক্তন পাওয়ারলিফটার হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭৪ সালে মোহাম্মদ ইউসুফ, পাকিস্তানের ক্রিকেটার হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৬ সালে কার্লোস মোয়া, স্পেনীয় টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৮৬ সালে জেবাস্টিয়ান কুর্ৎস, একজন অস্ট্রীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৮ সালে অ্যালেক্সা পিনাভেগা, একজন মার্কিন অভিনেত্রী এবং কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯০ সালে লুক ডে ইয়ং, ডাচ ফুটবলার হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৭ সালে লুকাস পাকেতা, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার হিসেবে পরিচিত হন।
মৃত্যু
১৯৫৮ সালে আর্নেস্ট লরেন্স, আমেরিকান পদার্থবিদ এবং শিক্ষাবিদ, যিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৬৩ সালে ডব্লিউ. ই. বি. ডিউ বয়স, আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ ও নাগরিক অধিকার কর্মী হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৬৫ সালে ল্য করব্যুজিয়ে, সুইস স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭৫ সালে হাইল স্যালেসি, ইথিওপিয়ান সম্রাট হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৭৬ সালে মুকেশ চন্দ মাথুর, ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের সংগীতশিল্পী হিসেবে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৬ সালে মাউন্টব্যাটেনের মৃত্যু ঘটে।
১৯৭৯ সালে লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন, ব্রিটিশ নৌবাহিনী অফিসার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপের মামা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৮২ সালে শ্রী আনন্দময়ী মা, ভারতের বাঙালি হিন্দু আধ্যাত্মিক সাধিকা হিসেবে পরিচিত হন।
১৯৯০ সালে তপোবিজয় ঘোষ, বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত হন।
২০০৬ সালে হৃষিকেশ মুখার্জী, হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি পরিচালক হিসেবে পরিচিত হন।
২০১৯ সালে নিমু ভৌমিক, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত নেপালের হিমালয় ও তিব্বত সংলগ্ন অঞ্চলে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ টন মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলা সামগ্রী (এইচএডিআর) পাঠিয়েছে। এই ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মঙ্গলবার এক্সে প্রকাশিত একটি পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই তথ্য জানিয়েছেন।
পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালি নাগরিকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
জয়শঙ্কর জানান, "পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেপাল ও দেশটির জনগণের পাশে রয়েছে ভারত।" সংকটের এই সময়ে ভারতের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। নেপালের পুলিশ জানাচ্ছে, বন্যা ও ভূমিধসকবলিত এলাকাগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রসুয়ায় একজন, নুয়াকোটে ১১ জন, ধাদিংয়ে ১৮ জন, চিতওয়ানে ৩৩ জন, গোর্খায় ১৯ জন, তানাহুঁতে সাতজন এবং নওয়ালপুরে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।
নেপালি পুলিশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ পর্যটকের সংখ্যা বর্তমানে ৫৭৯-এ দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ৪৬৬ জন ২৮টি ভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিক।
তারা জানাচ্ছে, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ১১৩ জন নেপালি, ৫৪ জন মার্কিন নাগরিক এবং নিখোঁজ ব্রিটিশ নাগরিকের সংখ্যা ৩৩ জন।
নেপাল পর্যটন বোর্ডের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন রয়েছেন।
তথ্যসূত্র : দ্য হিমালয়ান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে একটি বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গভীর রাত থেকে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরের মধ্যে দেখা যাবে গভীর আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এই সময় চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকাল ১০টা ১২ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। তবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এই গ্রহণ দেখা সম্ভব হবে না।
গ্রহণের মূল দৃশ্যটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে। ইউরোপ ও আফ্রিকার কিছু অঞ্চলে চাঁদ ওঠা বা ডোবার সময় গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।
যদিও চাঁদের একটি বড় অংশ পৃথিবীর গভীরতম ছায়ায় ঢেকে যাবে, তবে এটি সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যাবে না। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে আসা সূর্যের আলো প্রতিফলিত হওয়ার ফলে চাঁদ তামাটে বা লালচে আভা ধারণ করতে পারে। এই ধরনের দৃশ্যকে অনেক সময় রূপক অর্থে ‘ব্লাড মুন’ বলা হয়ে থাকে। পুরো চন্দ্রগ্রহণের প্রক্রিয়া পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে। তবে চাঁদের লালচে রং ধারণের দৃশ্যটি তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ের জন্য দেখা যাবে।
চন্দ্রগ্রহণ দেখার জন্য সূর্যগ্রহণের মতো বিশেষ কোনো প্রতিরক্ষামূলক চশমার প্রয়োজন নেই। আকাশ পরিষ্কার থাকলে যেসব অঞ্চল থেকে গ্রহণ দৃশ্যমান হবে, সেখান থেকে খালি চোখেই এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।
সূত্র :
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ