মোঃ শাহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
১২:৩৭ এম
"উন্নত পল্লী সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ"—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (০৬ জুলাই) সকালে গোমস্তাপুর উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) যৌথ উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, ঋণ ও বৃক্ষ চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
দিবস টি উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকির মুন্সীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন ৪৪-চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ড. মু: মিজানুর রহমান।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)নূরে আলম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার রাইসুল ইসলাম, এলজিইডি অফিসার, আছহাবুর রহমান,পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন,
উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদ, গোমস্তাপুর স্বাধীন প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলাউদ্দিন পারভেজ,অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সমিতির উপকারভোগী সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মু: মিজানুর রহমান বলেন, "গ্রামীন অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের ভূমিকা অপরিসীম। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত 'সমৃদ্ধ বাংলাদেশ' গড়তে হলে আমাদের আগে পল্লী অঞ্চলের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।" তিনি সরকারের এই উন্নয়ন যাত্রায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে বিআরডিবির বিভিন্ন প্রকল্পের আওতাধীন উপকারভোগীদের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হয়। একই সাথে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উপস্থিত সদস্যদের মাঝে ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন করা হয়েছে। এই দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসন এবং বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সোমবার সকালে র্যালিটি উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে ওই এলাকার সড়ক প্রদক্ষিণ করে এসে একই স্থানে শেষ হয়। এরপর উপজেলা সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাকির মুন্সী। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. মু.মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার রাইসুল ইসলাম। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আছহাবুর রহমান, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন্নেসা বাবলি, গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম এবং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আসাদুল্লাহ আহমদসহ অন্যান্য অতিথিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন খুলনা আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মহিবুজ্জামান কচির (৬৩) মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দায়েরকৃত মামলায় নতুন মোড় এসেছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে এবার তাঁর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। মৃত্যুর পাঁচ মাস পর আদালতের নির্দেশে সোমবার (৬ জুলাই) মহানগরীর টুটপাড়া কবরস্থান থেকে তাঁর মরদেহ উত্তোলন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দিয়েছেন। খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জুডিসিয়াল মুন্সিখানা শাখা থেকে জারি করা আদেশ অনুযায়ী, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবের উপস্থিতিতে বেলা ১২টার দিকে মরদেহ উত্তোলনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। মরদেহ উত্তোলনের সময় টুটপাড়া কবরস্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি দেখা যায়। পরে মরদেহ পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন খুলনা সদর উপজেলার আলিয়া কামিল মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কচির মৃত্যু ঘটে। তিনি খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে কেন্দ্রে অবস্থান করছিলেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ভোটগ্রহণ শুরুর পর কেন্দ্রের ভেতরে পুকুরপাড় এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি ভোটারদের একটি নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছিলেন। এর প্রতিবাদ করায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে কচির ওপর হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে আলিয়া কামিল মাদ্রাসার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহিম সরদার কচির গলা চেপে ধরে ধাক্কা দিলে তিনি গাছের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। তৎকালীন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, হামলার কারণেই কচির মৃত্যু হয়। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেন, কচি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে শরীরে বড় ধরনের দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে জানা যায়। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও বড় ধরনের সংঘর্ষ বা হাতাহাতির ঘটনা তাদের নজরে না আসার কথা জানিয়েছেন।
নিহতের পরিবার শোকাহত থাকায় ঘটনার কিছুদিন পর খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইউসুফ হারুন মজনু খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় দায়ের করা ওই মামলায় আব্দুর রহিম সরদারসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেন। মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার বাদী ইউসুফ হারুন মজনু বলেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্রে গিয়ে তিনি হট্টগোল দেখতে পান। তাঁর দাবি, কচির ওপর হামলা হয়েছিল এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানান। মজনু বলেন, মহিবুজ্জামান কচি খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ ছিলেন। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসুক এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কচির মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু থেকেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে। এক পক্ষ ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করলেও অন্য পক্ষ হৃদরোগে স্বাভাবিক মৃত্যুর কথা বলে আসছে। এ অবস্থায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং তদন্তকে আরও নির্ভরযোগ্য করতে পিবিআই মরদেহ উত্তোলনের আবেদন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে মাছ ধরতে গিয়ে নদীর পানিতে ডুবে মোহাম্মদ মিলন (৫২) নামে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সি গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মিলন নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোল্লা গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১টার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের মেঘনা শাখা নদীর পাড়ে ঠেলা জাল নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে নদীতে নামেন মিলনসহ আরো কয়েকজন জেলে। মাছ ধরার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত মিলন নদীর পানিতে তলিয়ে যান। কাছাকাছি থাকা অন্য জেলেরা প্রথমে বিষয়টি বুঝতে পারেননি। পরে পানির ওপর তার জাল ভাসতে দেখে সন্দেহ হলে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে নদীর পানি কিছুটা কমে এলে মিলনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেবহাটায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে "উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশাল র্যালি, আলোচনা সভা, উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ, গাছের চারা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-এর যৌথ আয়োজনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এর পূর্বে দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি আকর্ষণীয় র্যালি উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিলন সাহা। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার মন্ডল। উপজেলা রিসোর্স ইনস্ট্রাক্টর মহিতোষ কর্মকারের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওঃ অলিউল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আব্দুল বারী মোল্লা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসমিন জাহান, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মনোজিৎ কুমার মণ্ডল, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা এবং দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পল্লী উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা এসময় মন্তব্য করেন যে, তারা প্রাপ্ত ঋণ যথাযথ ও উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ করতে পারলে নিজেই নির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবেন, পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন। এদিকে ঋণের সঠিক ব্যবহার ও সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত হলে বিআরডিবির কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে। অন্যদিকে বক্তারা সতর্ক করে দিয়ে উল্লেখ করেন, ঋণ পরিশোধে অনিয়ম বা জটিলতা সৃষ্টি হলে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষে উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ, বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা এবং পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ