০২:২২ পি.এম
কুয়েতে এক ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশি এক প্রবাসী আত্মসমর্পণ করেছেন পুলিশের কাছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোরে তিনি দেশটির শার্ক থানায় গিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। পুলিশ তাকে আটক করেছে এই ঘটনার জন্য।
কুয়েতের সংবাদমাধ্যম ‘আরব টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে জন্ম নেওয়া ওই বাংলাদেশি ভোরে শার্ক থানায় উপস্থিত হয়ে কর্তব্যরত কর্মকর্তার কাছে হত্যার কথা জানান। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই সময় তাকে ভীত ও উদ্বিগ্ন দেখাচ্ছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহভাজন দাবি করেন যে, নিহত ইয়েমেনি নাগরিক তার শরীরে পানি ছিটিয়েছিলেন। এই ঘটনার কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করেন এবং তার গলা কেটে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন: বাণিজ্য ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্যের নতুন অঙ্গীকার
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে কুয়েতের মুতলা শহরের একটি স্থাপনার ভেতর থেকে ১৯৯১ সালে জন্ম নেওয়া এক ইয়েমেনি নাগরিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশি সন্দেহভাজনের স্বীকারোক্তির যোগসূত্র পাওয়া গেছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থল ঘিরে রাখেন। পরে সেখানে পাবলিক প্রসিকিউশন, অপরাধ তদন্ত বিভাগ ও ফরেনসিক দলের সদস্যরা পৌঁছে আলামত সংগ্রহ এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, সন্দেহভাজন বাংলাদেশি আগে থেকেই নিজ আবাসস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে নথিভুক্ত ছিলেন। তাকে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তবে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ ও কথিত উদ্দেশ্য সম্পর্কে কুয়েতের কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি।
আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্টের ভর্ৎসনা, ইমরান খানকে ক্ষমা প্রার্থনার নির্দেশ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন