০৫:৫৫ পি.এম
দেশ ছেড়ে পালানোর পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার প্রসঙ্গে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল শুক্রবার বলেছেন, এই আয়োজনটি একটি বেসরকারি গণমাধ্যমের এবং এতে নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা বা সংশ্লিষ্টতা নেই।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট), তিনি নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।
তিনি আরও কতেছেন, ওই ফোরামে যদি কোনো মতামত প্রকাশ করা হয় তবে ভারত সরকার তার কোনটিই সমর্থন করে না। এটি সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি উদ্যোগ হিসেবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের রাশিয়ায় পাচার, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ভয়ংকর তথ্য!
এর আগে একই দিনে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শেখ হাসিনার বক্তব্য কোনও গণমাধ্যম যেন প্রচার না করে সেজন্য আহ্বান জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের পক্ষ থেকে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, আদালতের আদেশ অমান্য করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, এর আগে একই বিষয়ে গণমাধ্যমের জন্য সতর্কতামূলক নির্দেশনা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল।
কেউ যদি আগাম বলে যে শেখ হাসিনা বক্তব্য দেবেন এবং পরে তা প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, তাহলে সেটি আদালতের আদেশ অমান্য করার শামিল হবে।
আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার
তিনি সবাইকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চান, কেউ যেন এ ধরনের কাজ না করেন।
আদালতের নির্দেশনা মেনে চলা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সরকারের কাজ হলো আদালতের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।
তিনি আরও বলেন, আদালতের আদেশ না থাকলে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে বাধা দেওয়া সঠিক হবে না—এটি তার ব্যক্তিগত মতামত।
যদি কেউ আদালতের ওই আদেশের সঙ্গে একমত না হন, তাহলে আদালতে গিয়ে সেই আদেশ চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন। তবে যতক্ষণ অত্কি আদালতের আদেশ বহাল থাকবে, ততক্ষণ সবাইকে তা মেনে চলতে হবে।
আরও পড়ুন: আঘাত হানল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, বাতাসের গতি পৌঁছাল ১৫০ কিলোমিটারে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন