ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্যালট পেপার সংকট নির্বাচনে, গণ-অসন্তোষের মুখে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার


ব্যালট পেপার সংকট নির্বাচনে, গণ-অসন্তোষের মুখে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার

দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট পেপার সংকটের কারণে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি উত্তেজনা বিরাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং রাজপথেও। সিউলে ভোটগণনা কেন্দ্রের সামনে আন্দোলনকারীরা টানা সপ্তম দিনের মতো বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে।

ব্যালট পেপার সংকটের ইস্যুতে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করেছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় নির্বাচন কমিশন (এনইসি) এবং এর কয়েকটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে একযোগে তল্লাশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

গত ৩ জুন অনুষ্ঠিত দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নজিরবিহীন ব্যালট পেপার সংকট এবং নির্বাচন পরিচালনার ব্যর্থতা নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ব্যালট সংকটের কারণে অন্তত ২৬টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। অনেক ভোটার দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ভোট দিতে পারেননি। কোথাও কোথাও ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরেও অন্য কেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার আনার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে।

এ ঘটনার পর রাজধানী সিউলের জামসিল ভোট গণনার কেন্দ্রের সামনে টানা কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। আন্দোলনকারীরা পুনর্নির্বাচন, জবাবদিহিতা এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

দেগু সুসেওং-গু কাউন্সিলর কিম কিয়ং-মিন বলেছেন, ‘ভোটাধিকার নিশ্চিত না করেই অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলকে গণতন্ত্রের আদর্শ রূপ বলা যায় না। প্রয়োজনে আমি নির্বাচিত পদ হারানোর ঝুঁকি নিয়েও ভোটারদের অধিকার রক্ষার পক্ষে থাকব।’

এদিকে, আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা। সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইয়নসে ইউনিভার্সিটি, হানকুক ইউনিভার্সিটি, কিয়ংহি ইউনিভার্সিটি এবং সোগাং ইউনিভার্সিটিসহ ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র প্রতিনিধিরা যৌথ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

তাদের মতে, ব্যালট সংকট শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যর্থতা নয়, এটি নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সাংবিধানিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। শিক্ষার্থীরা সংসদীয় তদন্ত, স্বাধীন বিশেষ কৌসুলি নিয়োগ এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাঠামোগত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

বিতর্কটি আরও প্রসারিত হয়েছে, যখন পুলিশ ব্যালট সংকটের তদন্তের অংশ হিসেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর এবং সিউলের কিছু আঞ্চলিক কার্যালয়ে অভিযান চালায়। ১শ’র বেশি তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন নথি ও তথ্য জব্দ করতে সক্ষম হয়। তদন্তকারীরা পরীক্ষা করছেন, ব্যালট পেপারের ঘাটতি প্রশাসনিক অবহেলার ফল নাকি এটি আরও বড় কোনো ব্যবস্থাগত ব্যর্থতার ফল।

এদিকে, ব্যালট সংকটের দায় স্বীকার করে ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান রো তে-আক। জনমনে ক্ষোভের ব্যাপক প্রতিবিধান না ঘটায় বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সকও কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটে নাই এবং এটি শুধু প্রশাসনিক ভুল নয়, বরং গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং এই ঘটনাকে দক্ষিণ কোরিয়ার গণতান্ত্রিক সুনামের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছেন এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় কোনো কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়ার উদ্দেশ্যে বৈঠকে বসেছে মন্ত্রিসভা। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৈঠকে প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদনের বিষয়ে আলোচনা হবে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক শুরু হয়।

শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচনও করেন প্রধানমন্ত্রী।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংক্রান্ত বিলে অনুমোদন সূচক সই করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে বিকেল ৩টায় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট এবং অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও প্রথম বাজেট হবে।

জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে।

এছাড়াও, আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ। একইসাথে, মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৭ শতাংশ ধরা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘পৃথিবীর প্রথম তারকা বহর’ ঘোষণা করেছে নাসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


‘পৃথিবীর প্রথম তারকা বহর’ ঘোষণা করেছে নাসা

মানুষ অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চাঁদে ফেরার স্বপ্ন দেখে আসছে। কিন্তু এবার লক্ষ্য শুধু চাঁদে গিয়েই ফিরে আসা নয়।

বিজ্ঞানীরা সেখানে একটি গবেষণা কেন্দ্র গড়ে তুলে, দীর্ঘমেয়াদে মানুষের অবস্থান নিশ্চিত করার এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার জন্য চাঁদকে একটি যাত্রা ঘাঁটি বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছেন।

এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে নাসা। সংস্থাটি আর্টেমিস-৩ মিশনের চার নভোচারীর নাম ঘোষণা করেছে এবং নাসা এই দলকে ‘পৃথিবীর প্রথম তারকা বহর’ বলে অভিহিত করেছে।

আর্টেমিস কর্মসূচি নাসার দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ পরিকল্পনার একটি অংশ। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে আবার চাঁদে পাঠানো এবং ভবিষ্যতে আরো গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানের পথে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা।

আর্টেমিস-৩ মিশন কী?

অনেকে ধারণা করেছিলেন, আর্টেমিস-৩ মিশনের মাধ্যমে মানুষ সরাসরি চাঁদের মাটিতে নামবে। কিন্তু নাসা সেই পরিকল্পনার মধ্যে পরিবর্তন এনেছে।

বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে আর্টেমিস-৩ উৎক্ষেপণ হতে চলেছে। কিন্তু এই মিশনের নভোচারীরা চাঁদে অবতরণ করবেন না। বরং এটি হবে একটি বড় ধরনের পরীক্ষামূলক অভিযান। মিশনের সময় নভোচারীরা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে অবস্থান করবেন। সেখানে বিভিন্ন মহাকাশযান ও প্রযুক্তির মধ্যে সংযোগ, সমন্বয় এবং পরিচালনা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হবে।

নাসা চায় যে, ভবিষ্যতে চাঁদে অবতরণের আগে সকল প্রযুক্তির কার্যকরীতা বাস্তব পরিবেশে পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হবে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই মিশন?

এই মিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো নাসার ওরিয়ন মহাকাশযানকে ভবিষ্যতের চন্দ্র অবতরণযানের সঙ্গে যুক্ত করার প্রযুক্তি পরীক্ষা করা। চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে কক্ষপথে একাধিক মহাকাশযান নিরাপদভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজে বেসরকারি মহাকাশ প্রতিষ্ঠানগুলো স্পেসএক্স ও ব্লু অরিজিনের প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্টেমিস-৩ ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করবে। এটি আর্টেমিস-২ এবং চাঁদে অবতরণ মিশনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবেও কাজ করবে। নাসার বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালে আর্টেমিস-৪ মিশনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে চাঁদের মাটিতে মানুষ নামানোর চেষ্টা করা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর প্রথমবারের মতো মানুষ আবার চাঁদের মাটিতে পা রাখবে।

কারা থাকছেন আর্টেমিস-৩ দলে?

চার সদস্যের এই দলে রয়েছে অভিজ্ঞ মহাকাশচারী, যারা দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার রেকর্ডধারী, একজন নতুন নভোচারী এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধি। মিশনের নেতৃত্ব দেবেন র‍্যান্ডি ব্রেসনিক। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন বাহিনীর সাবেক কর্নেল এবং একজন অভিজ্ঞ নভোচারী। এর আগে তিনি ১৫০ দিনেরও বেশি সময় মহাকাশে কাটিয়েছেন। দলের পাইলট হিসেবে থাকবেন ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার নভোচারী লুকা পারমিতানো। তিনি ইউরোপের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মহাকাশচারীদের একজন এবং আর্টেমিস কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া প্রথম ইউরোপীয় নভোচারীও। মিশন বিশেষজ্ঞ হিসেবে থাকবেন ফ্র্যাঙ্ক রুবিও। তিনি টানা ৩৭১ দিন মহাকাশে অবস্থান করে একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে দীর্ঘতম মহাকাশযাত্রার রেকর্ড গড়েছেন। দলের চতুর্থ সদস্য আন্দ্রে ডগলাস, যিনি একজন প্রকৌশলী, রোবট প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক উপকূলরক্ষী কর্মকর্তা। এটি হবে তাঁর প্রথম মহাকাশ ভ্রমণ।

নাসার মতে, ভবিষ্যতে চাঁদের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র পরিচালনা এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাঁর দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‘পৃথিবীর প্রথম তারকা বহর’ কেন?

নাসার প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান আর্টেমিস-৩ দলের পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে ‘পৃথিবীর প্রথম তারকা বহর’ (আর্থস ফার্স্ট স্টারফ্লিট) এর কথাটি ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে তিনি এমন একটি ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরেন, যেখানে মহাকাশ অনুসন্ধান শুধু এক দেশের সরকারি কর্মসূচির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মহাকাশ সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক অংশীদাররা একসঙ্গে কাজ করছে। আর্টেমিস কর্মসূচিও এই বৈশ্বিক সহযোগিতার ফল। স্পেসএক্স চাঁদে মানুষের অবতরণের জন্য স্টারশিপ প্রযুক্তি তৈরি করছে। অন্যদিকে ব্লু অরিজিনও নিজেদের অবতরণযান উন্নয়নের কাজ করছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও নভোচারী দিয়ে এই কর্মসূচিতে সহযোগিতা করছে।

বৈদ্যুতিক গাড়ি আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব

চন্দ্র পোশাকে 'প্রাডা'?

সম্প্রতি নতুন প্রজন্মের চন্দ্র পোশাক তৈরিতে ইতালির বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ড 'প্রাডা'র সম্পৃক্ততার খবর আলোচনায় এসেছে। তবে বিষয়টি ফ্যাশনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। প্রাডা সরাসরি নাসার জন্য পোশাক তৈরি করছে না। তারা নাসার চুক্তিকারী প্রতিষ্ঠান 'অ্যাক্সিয়ম স্পেস'কে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। প্রাডা উন্নত কাপড়, বিশেষ উপকরণ এবং উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করছে। এই সহযোগিতার ফলে তৈরি হয়েছে নতুন অ্যাক্সইএমইউ স্পেসস্যুট। নতুন এই পোশাক নভোচারীদের চাঁদের চরম তাপমাত্রা, ধুলা ও বিকিরণ থেকে সুরক্ষা দেবে। পোশাকটিতে বিশেষ শীতলীকরণ ব্যবস্থাও রয়েছে, যাতে নভোচারীদের শরীর ঠান্ডা রাখা সম্ভব হয়।

চাঁদ থেকে মঙ্গলের পথে

আর্টেমিস-৩ মিশনের ঘোষণা এসেছে আর্টেমিস-২ এর সফলতার পর। ২০২৬ সালে আর্টেমিস-২ মিশনে নভোচারীরা চাঁদের চারপাশ ঘুরে নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসেন। সেই মিশন প্রমাণ করেছে, নাসার ওরিয়ন মহাকাশযান গভীর মহাকাশে মানুষকে নিরাপদে বহন করতে সক্ষম। এখন আর্টেমিস-৩-এর দায়িত্ব হলো যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি মহাকাশযান ও প্রযুক্তি একসাথে কাজ করতে পারে তা প্রমাণ করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধাপটি চাঁদে অবতরণের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। অ্যাপোলো কর্মসূচি প্রমাণ করেছে মানুষ চাঁদে পৌঁছাতে পারে, আর্টেমিস কর্মসূচির লক্ষ্য হলো দেখানো যে মানুষ সেখানে দীর্ঘ সময় থাকতে পারে, ঘাঁটি তৈরি করতে পারে এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার উৎক্ষেপণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই আর্টেমিস-৩ চাঁদে না নামলেও এর গুরুত্ব কম নয়। বরং এই মিশনের সফলতা নির্ধারণ করতে পারে ভবিষ্যতের চন্দ্র ঘাঁটি বা উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, মহাকাশ গবেষণা এবং মঙ্গল অভিযানের পথ।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, মানুষ আবার চাঁদে ফিরবে। আর সেই পথ ধরেই একদিন শুরু হতে পারে মঙ্গল গ্রহে মানুষের যাত্রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননের জনগণকে হিজবুল্লাহবিরোধী অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩২ পি.এম


লেবাননের জনগণকে হিজবুল্লাহবিরোধী অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বুধবার লেবাননের জনগণকে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের এই লড়াইয়ে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, জঙ্গি গোষ্ঠীটি তাদের দেশকে ‘জিম্মি’ করে রেখেছে।

লেবাননের জনগণের উদ্দেশে নেতানিয়াহুর দেওয়া একটি ভিডিও বিবৃতিতে তিনি বলছেন, ‘ইসরায়েল আপনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেই। আমরা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধে আছি। তারা আপনাদের দেশকে জিম্মি করে রেখেছে... আমরা আপনাদের সঙ্গে, লেবাননের সঙ্গে শান্তি কামনা করি।’

নেতানিয়াহু আরও উল্লেখ করেছেন, ‘ইসরায়েল আপনাদের সঙ্গে শান্তি চায়। নিজেদের ভবিষ্যৎকে নিজের হাতে তুলে নিন। ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দিন। আমাদের সকল সন্তানের জন্য নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি গড়ে তুলুন। আর একবার হিজবুল্লাহকে নির্মূল করা গেলেই, সম্ভাবনার কোনো শেষ থাকবে না এবং তা হবে আকাশচুম্বী।’

এদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য ক্রমেই আরো গভীর সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই সংকটের প্রভাব পুরো অঞ্চলের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য আরো গভীর সংকটে নিমজ্জিত হচ্ছে এবং এর পরিণতি শুধু এই অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’

গুতেরেস আরও বলেন, ‘এই সপ্তাহে হামলার পরিধি বেড়েছে এবং পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি রয়েছে, তা অনেকটা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের বদলে কম মাত্রার সংঘাতের মতো।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘কম মাত্রার এই সংঘাত যে কোনো সময় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ নিতে পারে। এই ঝুঁকিকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’ সব পক্ষকে কূটনৈতিক সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আর কোনো হামলা নয়, আর কোনো অজুহাত নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করলো মাদক কারবারিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করলো মাদক কারবারিরা

নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক কারবারিদের হামলায় নিহত হয়েছে আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) নামের দশম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্র। এই ঘটনার পর আরও ৪ জন আহত হয়েছে।

গতকাল বুধবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীসিংহপুর গ্রামে আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ফাহিমের বাড়ি পাশ্বর্বতী বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের শাহজাহানের ছেলে। সে স্থানীয় পৌর হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র ছিল এবং সেনবাগে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।

স্থানীয় লোকজন ও নিহত ফাহিমের স্বজনেরা জানায়, ফাহিমের নানার বাড়ি আঞ্জু মিয়াজী বাড়ির উঠান ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে হারুনসহ তার সহযোগীরা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হারুন ও তার সহযোগীরা ওই বাড়ির পাশে মাদক সেবন করছিল। ঘটনাস্থলে তাদের ধাওয়া দিলে তারা প্রথমে পালিয়ে যায়। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী হারুন, মমিন ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ সময় বাড়ির লোকজনও মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন।

অন্ধকারে মাদক কারবারিদের ছুরিকাঘাতে ফাহিম, শাকিব, রিফাত এবং হারুনসহ অন্তত ৫ জন আহত হন। এর মধ্যে ফাহিম, শাকিব ও রিফাতকে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে হারুনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে।

সেনবাগ থানার ডিউটি অফিসার শিমুল স্কুল ছাত্র ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং স্থানীয়রা জানিয়েছেন যে, মাদক কারবারিদের হামলায় ওই ছাত্র নিহত হয়েছে। পুলিশ পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং হারুন নামক একজনকে আটক করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%