জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৫:৪২ পি.এম
আমাদের দুজনকে যদি বিয়ে না দেয়, তাহলে আমরা আত্মহত্যা করব” এভাবেই বলছে মাত্র পঞ্চম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর পড়ুয়া প্রেমিক-প্রেমিকা। যাদের প্রেমের ঘটনা লাইলি-মজনু কিংবা শিরি-ফরহাদের গল্পকেও হার মানায়। এটি কোনো সিনেমার কাহিনী নয়, বরং রাজধানী ঢাকার মিরপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা। ভালোবাসার কারণে তারা পরিবারকে জানিয়ে না, ঢাকা থেকে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর পাংশায় চলে এসেছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি, পাংশা মডেল থানার পুলিশের সন্দেহের কারণে বর্তমানে তারা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ঢাকার মিরপুরের একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে মোহাম্মদ রাহুল, যিনি পড়াশোনার পাশাপাশি স্থানীয় একটি হোটেলে কাজ করে। একদিন ওই হোটেলেই খেতে এসেছিলো একই এলাকার দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী মাহি। সেখান থেকেই মাহির প্রতি ভালো লাগার সৃষ্টি হয় রাহুলের। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে মাহিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় রাহুল। প্রথম তিনবার মাহি প্রত্যাখ্যান করলেও, চতুর্থবারের চেষ্টা সফল হয়। এরপর থেকে চলতে থাকে তাদের প্রেমের সম্পর্ক, যা গত এক বছর ধরে ছিল।
রাহুলের বয়স মাত্র ১১ বছর এবং মাহির বয়স ১০ বছর। তাদের বয়স কম হওয়ার কারণে দুই পরিবারের পক্ষ থেকে এ সম্পর্ক মেনে নেয়া হয়নি। এর ফলে গত শুক্রবার রাহুল ও মাহি, তাদের বন্ধু প্রথম শ্রেণীর পড়ুয়া রোজানের সহযোগিতায় বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় বিয়ে করার উদ্দেশ্যে। তাদের পরিবার বিভিন্ন স্থানে সন্তানদের খোঁজার জন্য মেশিনে অনুরোধ করে কিন্তু কোনো সন্ধান পায়নি।
রাহুল ও মাহি তাদের সম্পর্ক বজায় রাখতে, তাদের বন্ধুকে নিয়ে গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে রাজবাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটি পাংশা সরদার বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে ছোট শিশুদের দেখে টহল পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে পাংশা মডেল থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে প্রেমিক প্রেমিকা পুলিশের কাছে তাদের প্রেমের কথা স্বীকার করে। তারা জানায়, "আমরা দুজনকে ভালোবাসি এবং বিয়ে করতে চাই। পরিবার রাজি না হওয়ার কারণে আমরা বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছি। যদি আমাদের বিয়ে না দেয়, আমরা আত্মহত্যা করব।"
তবে তাদের সহায়ক বন্ধু রোজান জানায়, সে এ পালিয়ে আসার মূল কারণ জানত না। ঢাকা থেকে রওনা হওয়ার পর সে বিষয়টি বুঝতে পারে। পরে পুলিশ ওই শিশুদের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সাহায্যে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে।
পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, ভোররাতে সন্দেহজনক অবস্থায় একটি অ্যাম্বুলেন্স থেকে আমরা এ তিন শিশুকে উদ্ধার করি। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানা যায়, তাদের মধ্যে দুজন প্রেমিক-প্রেমিকা এবং তারা ঘর ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছি এবং অভিভাবকরা থানায় আসার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
তিনি বলেন, মূলত অপ্রাপ্তবয়সী শিশুরা আজ এ বয়সে বিপথগামী অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপের দিকে প্রবাহিত হচ্ছে বাবা-মার অসচেতনতা ও সঠিক নজরদারির অভাবে। সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের আরো বেশি যত্নশীল ও সতর্ক থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আইরিন খানকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
আজ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া, প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটে সম্পূর্ণ প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকার আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা প্রদান করেছে যিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত।
তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতাদি এবং আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হবেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)’র ট্রাফিক বিভাগের ৩১ জন কর্মকর্তা ও সদস্যদের (ফোর্স) সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। তাদের কর্মক্ষেত্রে গত এক মাসে প্রদর্শিত প্রশংসনীয় কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে আজ বুধবার বেলা ১১ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননার পুরস্কার তাদের হাতে তুলে দেয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কেএমপি সদর দপ্তরের সম্মেলন পক্ষে অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, বিপিএম-সেবা।
অনুষ্ঠানে ১ জন পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন), ৫ জন সার্জেন্ট/টিএসআই, ৫ জন এটিএসআই এবং ২০ জন কনস্টেবল আর্থিক পুরস্কার গ্রহণ করেন।
পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়মিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি নির্দেশ দেন যে, যদি কোনো সন্দেহজনক মিছিল, মোটরসাইকেল মহড়া, অপরাধমূলক কার্যক্রম বা যেকোনো জরুরি ঘটনা চোখে পড়ে তাহলে দ্রুত কন্ট্রোল রুমে বা বেতার যোগাযোগের মাধ্যমে জানাতে হবে।
এর পাশাপাশি, পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১২ হাজারেরও বেশি গাছের চারা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই গাছগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দপ্তর ও উপযুক্ত স্থানে রোপণ করা হবে। তিনি সকল পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ বাড়ি, অফিস ও কর্মস্থলে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান এবং একে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সদকায়ে জারিয়ার একটি উত্তম মাধ্যম হিসেবে স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি আরও জানান, ভালো কাজের স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা সকল পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আরও উৎসাহ ও প্রেরণা জোগাবে।
এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক অ্যান্ড প্রটোকল) মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ খালেদ, পিপিএম-সেবা; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরের ১৪০ মিটার উঁচু একটি সেতুর টাওয়ারে উঠে ছবি আঁকার অভিযোগে পুলিশ ২২ বছর বয়সী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে যুবকটি টাওয়ারের চূড়ায় অবস্থান করায় পুলিশের সঙ্গে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল।
এই সময় সেতুর একটি লেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। মঙ্গলবার মেলবোর্নের বোল্টে ব্রিজে এই ঘটনা ঘটে। শহরের কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকার কাছে অবস্থিত ক্যান্টিলিভার সেতুর টাওয়ারে উঠে ওই যুবক স্প্রে পেইন্ট দিয়ে একটি বড় কার্টুন পাখির ছবি আঁকেন বলেও অভিযোগ করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যুবকটি টাওয়ারের একেবারে চূড়ায় বসে আছেন।
তার দুটি পা নিচের দিকে ঝুলছিল। পরে, একই ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় কর কমানোর দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, নিচে নামার আগে তার কাছে ড্রোনের মাধ্যমে একটি চিনাবাদামের মাখনের স্যান্ডউইচ পৌঁছে দিতে হবে।
তার এই দাবির পর পুলিশ এবং যুবকের মধ্যে দীর্ঘ সময় আলোচনা চলে। নিরাপত্তার কারণে সেতুর একটি লেন বন্ধ করে দেওয়া হয়, যে কারণে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ভিক্টোরিয়া পুলিশের ভারপ্রাপ্ত সার্জেন্ট পল হোগান জানান, কয়েক ঘণ্টা পর যুবকটি টাওয়ারে থেকে নিচে নামলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আর জানান, যুবকের বিরুদ্ধে সেতুর বাইরের দেয়ালে স্প্রে দিয়ে ছবি আঁকার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ বারবার নিচে নামতে বললেও, তিনি দীর্ঘ সময় সেই নির্দেশ মানেননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, পুরো ঘটনায় বড় ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। ঘটনাস্থলে ইউনিফর্মধারী পুলিশ, মহাসড়ক টহল পুলিশ, সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলা দল, অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল এবং জল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
এছাড়া, সেতুর গায়ে আঁকা ছবিটি ‘প্যাম দ্য বার্ড’ নামে পরিচিত একটি কার্টুন পাখির ছবির সঙ্গে মিল রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মাঝে মেলবোর্নের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে এই প্রতীক দেখা গেছে। শহরের ঐতিহাসিক ফ্লিন্ডার্স স্ট্রিট রেলওয়ে স্টেশনে একই ধরনের ছবি আঁকা হয়েছিল। তবে কী কারণে শেষ পর্যন্ত ওই যুবক নিচে নামতে রাজি হন, সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। ঘটনার পরে যুবকের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টে লেখা হয়, 'স্যান্ডউইচ ছাড়াই এখানে ড্রোন উড়িয়ে পাঠানোর সাহস দেখাল!' পোস্টটি থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে, শেষ পর্যন্ত তার দাবি অনুযায়ী চিনাবাদামের মাখনের স্যান্ডউইচ পাঠানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালতলী উপজেলার মধ্য আমখোলা গ্রামের দুটি ট্রলার সাগরে ইলিশ শিকার করতে গিয়ে বৈরি আবহাওয়ার মধ্যেও তলিয়ে গেছে। বুধবার সকালে দুটি ট্রলারের ১৬ জন জেলেকে উদ্ধার করা হলেও, কালাম পাইক ও শহীদুল খান নামের দুইজন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
সংবাদ পাওয়া গেছে যে মঙ্গলবার বিকেলে বঙ্গোপসাগরের কুয়াকাটা এলাকায় ঘটনা ঘটেছে। তালতলী উপজেলার আমখোলা এলাকার তপন জোমাদ্দার ও ফুল মিয়ার দুটি ট্রলার ইলিশ শিকার করতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ ঘাট থেকে সাগরে গিয়েছিল। কিন্তু ওইদিন বিকেলে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ট্রলার দুটি সাগরে ডুবে যায়। ট্রলারের জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকে।
উদ্ধার হওয়া ১৬ জন জেলে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে গতকাল বুধবার সকালে উদ্ধার হয় এবং তাদের ফকিরহাট ঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কালাম ও শহীদুল নামের দুইজন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানিয়েছেন যে, তপন জোমাদ্দারের ট্রলারের দুই জেলে ট্রলারের নীচে রয়েছেন এবং তারা ট্রলার থেকে বের হতে পারেননি।
এছাড়াও, মঙ্গলবার দুপুরে শুভ সন্ধ্যায় নিখোঁজ হওয়া পর্যটক দাখিল ফলপ্রার্থী আসাদুলও একদিনে উদ্ধার করা হয়নি। উদ্ধার হওয়া জেলে কামাল ও জামাল বলেন যে, আমাদের ট্রলারের দুইজন ছাড়া অন্য সকল জেলেকে মৌডুবির একটি ফিসিং ট্রলারে উদ্ধার করা হয়েছে। কালাম পাইক ও শহীদুল খান ট্রলারের মধ্যে থেকে বের হতে পারেননি এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে কিছুই জানা যাচ্ছে না। ট্রলার মালিক তপন জোমাদ্দার বলেন, তার ট্রলার বৈরি আবহাওয়ায় ডুবেনি, বরং অন্য একটি ট্রলার তার ট্রলারকে ডুবিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, ট্রলারের নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধানে চেষ্টা চলছে। তালতলী থানার ওসি সাইদুল ইসলাম ঘটনাটি জানিয়েছেন এবং দুজন নিখোঁজের উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ট্রলারে মোট ১৮ জন জেলে ছিল, তাদের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ