মামুন বিল্লাহ (কালিগঞ্জ) সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
০২:৩৩ পি.এম
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোঃ শহিদুল ইসলাম। শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় তিনি বিদায়ী ওসি মোঃ জুয়েল হোসেনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মোঃ শহিদুল ইসলাম এর আগে সাতক্ষীরার তালা থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সাম্প্রতিক বদলির আদেশে তিনি তালা থানা থেকে কালিগঞ্জ থানায় যোগদান করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে নবাগত ওসি বলেন, কালিগঞ্জে মাদক ব্যবসার বিস্তার এবং এর সামাজিক ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। মাদক নির্মূল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং থানা এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন।
তিনি বলেন, “মাদকমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ কালিগঞ্জ গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে কোনো ধরনের অপরাধ, সন্ত্রাস কিংবা অনিয়মের সঙ্গে আপস করা হবে না। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য।”
নবাগত ওসি আরও বলেন, পুলিশের একার পক্ষে অপরাধ সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতাসহ সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত কালিগঞ্জ থানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল নবাগত ওসির প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর নেতৃত্বে কালিগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি দলের ধন্যবাদ প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিদেশের সঙ্গে সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ সব চুক্তি সংসদে উত্থাপন করা উচিত। তিনি বলেন, জনগণের প্রতিনিধিরা যখন এসব বিষয়ে অবগত থাকবেন, তখন সরকার ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও সেতুবন্ধ আরও দৃঢ় হবে।
শনিবার দিনে বেলা ১১টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া বাজেট অধিবেশনের প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী সফরের বিষয়ে সরকারি দলের ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন বিষয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, 'এই সংসদ যেন সব কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়। সংসদকে বাইপাস করে যেন কিছু না হয়, আগামী দিনের জনগণ সরকারি দল-বিরোধী দল সবার কার্যক্রমকে তাদের একাউন্টে নিয়ে তারাই তাদের সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে সরকারি দল সব ক্রেডিট নেবে আর বিরোধী দল সবকিছুতে বিরোধিতা করবে। আমরা ব্যক্তিগতভাবে এবং দলগতভাবে এই কালচার সমর্থন করি না। সরকারি দলকেও বিরোধী দলকে সম্মান করতে হবে, আর বিরোধী দলেরও দায়িত্ব থাকবে দেশ গঠনে তার জায়গা থেকে যথাযথ ভূমিকা রাখা।’
বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, 'আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে। আমি আশা করি প্রধানমন্ত্রী সেই সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। আমি এ-ও আশা করি যে আমাদের স্বাধীন ফরেন পলিসিতে কেউ হস্তক্ষেপ করুক এটা আমরা কখনো মেনে নেব না। দেশের স্বার্থ আগে। তারপরে অবশ্যই কারো সঙ্গে আমাদের চুক্তি যাই হোক, সেটা হবে মিউচুয়াল ইন্টারেস্টের ভিত্তিতে। আমরা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না। কিন্তু আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাই না। এই ভারসাম্যটা রক্ষা করেই আগামীর পলিসি যেন পরিচালিত হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রী সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং তার সরকারের সফলতাও কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি কোনো ইউরোপীয় দেশ মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থাগুলোর ওপর ডিজিটাল সেবা কর আরোপ করে, তাহলে সেই দেশের ওপর ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করা হবে।
ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে লেখেন, ইউরোপের অনেক দেশ বর্তমানে এ ধরনের শুল্ক আরোপের বিষয়ে আলোচনা করছে এবং কিছু কিছু দেশ খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, এই শাস্তিমূলক শুল্ক শিগগিরই প্রয়োগ করা হবে এবং তাতে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তিগুলোও অকার্যকর হয়ে যাবে।
যেসব দেশ নতুন কর আরোপের পথে এগোচ্ছে, তাদের লক্ষ্য করেই ট্রাম্প এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তবে যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। দেশটি ২০২০ সাল থেকে এ ধরনের কর আরোপ করে রেখেছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই বক্তব্য সতর্কবার্তা হিসেবে নিতে হবে—যে দেশ এ ধরনের কর আরোপ করবে, যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো তাদের সমস্ত পণ্যের ওপর অবিলম্বে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।’
সূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর সম্পর্কে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ায় বিরোধীদলীয় নেতাসহ সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার দুপুরে সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম পর্বে শেষ সময়ে দাঁড়িয়ে এই ধন্যবাদ প্রস্তাব তিনি জানান। এ সময় সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। স্পিকার প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তার বিদেশ সফরের বিষয়টি তুলে ধরেন যেখানে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় বলেন, দেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখার জন্য। আমাদের শ্লোগান রয়েছে-‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা সবার আগে বাংলাদেশ। তাই আমার সফরে দেশের স্বার্থ নিয়েই আলোচনা করেছি। এখানে কারো কোন ব্যক্তিগত বিষয় নেই। সুতরাং, এই সফরে যদি কোন অর্জন হয়ে থাকে, তবে তা দেশের এবং দেশের মানুষের অর্জন।
তিনি আরও বলেন, যেহেতু সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার ক্ষেত্রে উৎসাহ দেখিয়েছেন, সেজন্য আমি তাকে এবং সব সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ