ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বকীয়তার প্রতীক: মির্জা ফখরুল


শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বকীয়তার প্রতীক: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং এই দেশের মানুষের স্বকীয়তার প্রতীক।

তিনি বলেন, 'জিয়াউর রহমান অতি অল্প সময়ের মধ্যে এই ভূখণ্ডের মানুষকে একটি অনন্য জাতীয় পরিচিতি (আইডেন্টিটি) তৈরি করে দিয়েছিলেন।'

আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ওই আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বক্তৃতা করেন।

আরও পড়ুন: রুমিকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয়নি পুলিশ: রাশেদ খান

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে 'বর্তমান প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের স্বাধীন নির্জোট কূটনীতি' বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করে পিআইবি ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (বিআইপিএসএস) সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজের অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ ও ব্রেইনের নির্বাহী পরিচালক ড. সফিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, '১৯৭১ সালে যখন দেশের মানুষ একটি চরম সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল, গোটা দেশের মানুষ তাদের নেতার কাছ থেকে যুদ্ধের ঘোষণার প্রত্যাশা করছিল- সেটা যখন আসলো না, তখন এক সাধারণ মেজর চট্টগ্রাম থেকে হঠাৎ করেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন। পাকিস্তান হানাদার বাহিনী ১৯৭১ সালে যেভাবে এ দেশের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে, নির্বিচারে মানুষ হত্যা করেছে; সে কারণে পাকিস্তানি বর্বরতাকে আমি কখনোই ক্ষমা করতে পারি না।'

মন্ত্রী তার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বলেন, '১৯৪৮ সালে জন্ম নেওয়া একজন মানুষ হিসেবে আমি পাকিস্তানের অংশ ও তাদের শোষণ-বঞ্চনা প্রচুর দেখেছি। একাত্তরের সেই ভয়ংকর যুদ্ধ ও পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতাকে আমি খুব কাছ থেকে একজন সংগঠক হিসেবে দেখেছি। আর সেই কারণেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমার কাছে একজন অনন্য ও ক্ষণজন্মা পুরুষ, যিনি মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।'

আরও পড়ুন: মামলা হলে রুমিন ফারহানা নিজেকে এক নম্বর আসামি মনে করছেন

বিএনপি উদার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'বিএনপি সব সময়ই একটি উদার ও বহুমাত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি (লিবারেল ডেমোক্রেসি) লালন করে। জিয়াউর রহমানের রাজনীতি ছিল সবাইকে নিয়ে পথচলার, কোনো বিভাজন সৃষ্টি করার নয়। একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রকাঠামো ও অর্থনীতির মধ্যে এসে তিনি নতুন কোনো বিভক্তি না করে, সমস্ত রাজনৈতিক চিন্তার দলগুলোকে নিয়ে প্রথমে ফ্রন্ট ও পরে বিএনপি গঠন করেন। রাজনীতির মূল বিষয়টাই ছিল ‘রিকন্সিলিয়েশন’ বা সবাইকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এই প্রথা তিনিই চালুর করে গেছেন।'

তিনি আরও বলেন, 'জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে কারোর শত্রু বানাতে চাননি; এটাই ছিল তাঁর রাজনীতি। বরং সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছিলেন, এজন্য তিনি সফল হয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নিয়ে দেশকে আধিপত্যবাদের বাইরে একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছেন।'

পিআইবি’র মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, ডেইলি ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, বিআইপিএসএস-এর সিনিয়র ফেলো শাফাকাত মনির, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ওয়ারেস করিম।

আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে ২৩ বছরেও বালু নদের সেতু চালু হয়নি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক ও সংসদ মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


সাংবাদিক ও সংসদ মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। ছবিটি বাসস দ্বারা তোলা।

ঢাকা, ৪ জুন, ২০২৬ (বাসস): জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, সাংবাদিকরা জনগণ ও সংসদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সাংবাদিক ও সংসদকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিপিজেএ সভাপতি হারুন জামিল এবং সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী খান লিথোর নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দলে অন্য সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল ইসলাম (তানিম আহমেদ), নির্বাহী কমিটির সদস্য মশিউর রহমান, মনিরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান পঞ্চায়েত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও এ সময়ে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

স্পিকার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সংসদকে ঘিরে জনগণের প্রত্যাশা অত্যন্ত ব্যাপক। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা এবং মানের অবনতির কারণে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সংসদ প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক ত্যাগ, সংগ্রাম ও রক্তের বিনিময় হয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে সংসদের নিবিড় সম্পর্ক থাকতে হবে। গণবান্ধব রাজনীতির বিকাশ এবং জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।’

সাংবাদিকতার স্বাধীনতার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, অতীতের কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে দেশের গণমাধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রভাব সাংবাদিকতার ওপর দীর্ঘদিন ধরে রয়ে গেছে। তবে বর্তমানে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে এবং তিনি উল্লেখ করেন যে, সংবাদমাধ্যম এখন অনেক বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা নিয়ে বক্তৃতা করতে গিয়ে স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালে জনগণ যে স্বপ্ন নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, সেই স্বপ্নের অনেকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সময়ের সঙ্গে। তিনি অভিযোগ করেন, বিগত সময়ে দেশে গুম, নির্যাতন, দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে, যা জনগণের প্রত্যাশার বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ, বিশেষ করে ছাত্র-তরুণ ও সাধারণ মানুষের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের শক্তিই পরিবর্তনের পথ তৈরি করেছে। কিন্তু বর্তমান সংসদ যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হবে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সবার উপরে দেশ। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে সংসদকে কার্যকর ও গতিশীল করে তুলবে। বিরোধী দলের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা এবং সরকারি দলের দায়িত্ব হল সংসদের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া।

গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, সাংবাদিকদের উচিত সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা হিসেবে তুলে ধরা। সংসদকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে গণমাধ্যমের গঠনমূলক সমালোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মতবিনিময় সভায় বিপিজেএ নেতৃবৃন্দ সংসদ রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন স্পিকার।

সভায় সংসদ ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, তথ্যপ্রবাহ সহজীকরণ এবং সংসদীয় কার্যক্রমের আরও কার্যকর প্রচার-প্রসারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদুল আযহায় দেশে প্রায় ৯৪ লাখ গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


ঈদুল আযহায় দেশে প্রায় ৯৪ লাখ গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আজ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। ছবিটি পিআইডি থেকে তোলা। ঢাকা, ৪ জুন, ২০২৬ (বাসস): পবিত্র ঈদুল আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশে মোট ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি গবাদিপশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, এ বছরের কোরবানিযোগ্য পশুর মোট চাহিদা ছিল ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে কোরবানিযোগ্য পশুর প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। কোরবানি শেষে দেশে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪২২টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। দেশের খামারিদের উৎপাদিত পশুর মাধ্যমেই কোরবানির শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। আজ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই বিষয়গুলো জানিয়েছেন। দেশব্যাপী কোরবানিকৃত গবাদিপশুর প্রাথমিক হিসাব এবং সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করার জন্য এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন আটটি বিভাগ থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী এ বছর মোট কোরবানিকৃত পশুর সংখ্যা ৯৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪১৮টি। এর মধ্যে গরু ও মহিষ ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ১৫৮টি, ছাগল ও ভেড়া ৪৫ লাখ ২ হাজার ২৩৩টি এবং অন্যান্য পশু ১ হাজার ২৭টি। বিভাগের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে যে, সবচেয়ে বেশি পশু কোরবানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কোরবানি হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। এছাড়া গত বছরের তুলনায় কোরবানির পশুর সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি। তিনি জানান, ঢাকা বিভাগেই সর্বাধিক ২৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৬টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী বিভাগে দ্বিতীয় সর্বাধিক ২৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৯টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগে কোরবানি হয়েছে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫টি পশু। তাছাড়া, রংপুর বিভাগে ১০ লাখ ৫০ হাজার ৫৫৪টি, খুলনা বিভাগে ৮ লাখ ৪৬ হাজার ৫টি, বরিশাল বিভাগে ৪ লাখ ১৬০টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮১৮টি এবং সিলেট বিভাগে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩২১টি পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ৭৯ হাজার ২০২টি এবং প্রাপ্যতা ছিল ১ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৭টি। ওই বছর দেশে মোট ৯১ লাখ ৩৬ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল এবং উদ্বৃত্ত ছিল ৩৩ লাখ ১১ হাজার ৩৩৭টি পশু। সে হিসেবে, গত বছরের তুলনায় এ বছর ২ লাখ ৩১ হাজার ৪১৮টি পশু কোরবানি হয়ে গেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সময়োপযোগী নীতি সহায়তা, খামারিদের কঠোর পরিশ্রম এবং উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের ফলে প্রাণিসম্পদ খাত আজ একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল অবস্থানে পৌঁছেছে। গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করার জন্য এবং প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও খামারিবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে কাজ করছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ৯০৫০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০০ পি.এম


গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ৯০৫০ ফিলিস্তিনি নিখোঁজ

গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছে।

শনিবার (২০২৬ সালের ৪ জুন) ফিলিস্তিনের গাজা শহরের দৃশ্যে এক নারী পথমধ্যে হাঁটছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সাড়ে ৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের অন্তর্ভুক্ত প্রায় ৪৭০০ জন নারী ও শিশু।

গাজা-ভিত্তিক এনজিও ‘আল-দামির অ্যাসোসিয়েশন ফর হিউম্যান রাইটস’ এ বিষয়টি উল্লেখ করেছে।

প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রায় ৮১০০ জন মানুষ ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর বিরাট ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের নিকটে আরও ২৫০ জন ফিলিস্তিনি নিখোঁজ হয়েছেন এবং উত্তর গাজা থেকে দক্ষিণে সরিয়ে নেওয়ার সময় ইসরায়েলি সামরিক চেকপয়েন্টগুলোতে ৮০০-এরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করা ৩৫০ জন ব্যক্তির বর্তমান অবস্থা এখনো অজানা রয়ে গেছে।

জোরপূর্বক গুম করার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে আল-দামির জানায়, ‘এটা চলমান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সবচেয়ে জটিল ও বেদনাদায়ক মানবিক সংকটগুলোর মধ্যে একটি।’

সংস্থাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি এবং নিহতদের মরদেহ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। একইসাথে, ভুক্তভোগী শনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে একটি জেনেটিক (ডিএনএ) ডাটাবেস তৈরির তাগিদও তারা দিয়েছে।

সূত্র : আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


চট্টগ্রামে ওয়াসিম হত্যা: অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

চট্টগ্রামে ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি পেছানো হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ শুনানির সময় নির্ধারণ করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি বলেন, আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু গ্রেফতার পাঁচজনের মধ্যে ফজলে করিমকে হাজির করা হয়নি। এজন্য আগামী ৭ বা ৮ জুন পর্যন্ত সময় চাওয়া হয়েছে।

ফজলে করিম প্রসঙ্গে জহিরুল আমিন জানান, তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এই কারণে আজ ট্রাইব্যুনালে তাকে হাজির করা হয়নি।

এদিকে, হাছান মাহমুদ ছাড়া পলাতক অন্য আসামিরা হলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%