আহমেদ আক্তার রানা প্রতিনিধি কুলাউড়া
বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০৮ পি.এম
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় দস্যুতা, ডাকাতি, চুরি এবং মাদক মামলাসহ একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত এবং মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সাদেকপুর রোড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশনায় সেকেন্ড অফিসার এসআই ফরহাদ মাতুব্বরের নেতৃত্বে এসআই জুনেদসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে দস্যুতা, ডাকাতি ও চুরিসহ মোট ১০টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত এবং একটি মাদক মামলায় এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোস্তাফিজুর রহমান ফুল (৩৬)-কে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মোস্তাফিজুর রহমান ফুল কুলাউড়া উপজেলার জয়পাশা গ্রামের বাসিন্দা। তার প father's নাম মন্তাজ আলী।
কুলাউড়া থানা পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন মামলায় পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ নিয়ে রোমাঞ্চিত অস্ট্রেলিয়ার ডান-হাতি পেসার জশ হ্যাজেলউড। বাংলাদেশের বেশিরভাগ টেস্ট ক্রিকেটারের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায়, তিনি জানান যে প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব বেশি ধারণা নেই। তবে খেলা চলাকালীন পরিস্থিতি বুঝে পরিকল্পনা সাজানোর একটি নকশা কষেছেন হ্যাজেলউড।
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সর্বশেষ টেস্ট ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৭ সালে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত এই দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। ঐ সিরিজে খেলানো মুশফিকুর রহিম, মোমিনুল হক ও তাইজুল ইসলামের বিপক্ষে তিনি খেলেছেন। বাংলাদেশের এই তিন ক্রিকেটার ছাড়া দলের আর কোন খেলোয়াড় সম্পর্কে ধারণা নেই তার।
এছাড়াও, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার প্রথম টেস্টের ভেন্যু ডারউইন নিয়ে কোন ধারণা নেই হ্যাজেলউডের। কারণ, সর্বশেষ ২০০৪ সালে এই ভেন্যুতে টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর ডারউইনের ভেন্যুতে আর কখনও টেস্ট ম্যাচ হয়নি।
‘আনপ্লেয়েবল পডকাস্ট’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হ্যাজেলউড বলেন, ‘সিরিজটা শুরু করার আগে অনেক কিছুই অজানা। মাঠের পরিস্থিতি অজানা, বিশেষ করে উইকেট এবং এই অবস্থায় প্রতিপক্ষ কেমন হবে। অনেক কিছুই অজানা, তবে আমার মতে এটা বেশ রোমাঞ্চকর।’
ভিডিও ফুটেজ দেখে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন হ্যাজেলউড। তিনি বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে ব্যাটারদের খেলার ধরন বোঝা সম্ভব। তবে মাঠে নেমে পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে নতুন পরিকল্পনার প্রয়োজনও হতে পারে, যা সব সময়ই ব্যতিক্রমী ও নতুনত্বের স্বাদ দিয়ে থাকে।’
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট দিয়ে ২০০৩ সালে ডারউইনের অভিষেক হয়। এরপর ঐ ভেন্যুতে ২০০৪ সালে শ্রীলংকার মুখোমুখি হয়েছিল অসিরা।
হ্যামস্ট্রিং ও পেশির চোটের কারণে গত বছরের নভেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খেলছেন না হ্যাজেলউড। গত এপ্রিল-মে মাসে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেললেও, এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারেননি তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন এই ডান-হাতি পেসার।
টেস্টে যথেষ্ট সময় থাকায় খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে বলে জানান হ্যাজেলউড, ‘টেস্টে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য সময় পাওয়া যায়। প্রথম স্পেলের অর্ধেকটা পার করে দেওয়ার পর মনে হতে পারে, এবার নতুন কিছু চেষ্টা করা যাক। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে সময় পাওয়া যায় না। ভুল হলেই চার-ছক্কা হজম করতে হয়।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে ৩শ উইকেট শিকারের মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে হ্যাজেলউড। মাত্র ৫ উইকেট প্রয়োজন তার। এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার আটজন বোলার ও ছয়জন পেসার টেস্টে ৩শ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগ অতীতের মতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ‘জঙ্গিবাদের ন্যারেটিভ’ সামনে আনার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকাকালে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো আড়াল করতে দলটি যেভাবে জঙ্গিবাদের প্রসঙ্গ তুলত, এখন বিদেশের মাটিতে বসেও একই কৌশল অনুসরণ করছে’।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের ‘জঙ্গিবাদ’ প্রসঙ্গ উত্থাপন নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘এটি আওয়ামী লীগের পুরনো নোংরা রাজনীতি। শেখ হাসিনা ১৭ বছর ধরে দমন-পীড়ন চালানোর সময় যখনই গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় সামনে এসেছে, তখনই তারা জঙ্গিবাদের ন্যারেটিভ তৈরি করেছে। এখন বিদেশের মাটিতে বসেও একই কাজ করছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ও বিরোধী দল রয়েছে। তাই দেশে জঙ্গিবাদের কোনো প্রশ্ন ওঠে না। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মনোযোগ পাওয়ার জন্যই আওয়ামী লীগ এসব প্রচারণা চালাচ্ছে।’
শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ইতোমধ্যে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে এবং কূটনৈতিক ভাষায় ভারতের কাছে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানানো হয়েছে। এর আগেও একই বার্তা একাধিকবার দেওয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হোক, সেটি দুই দেশের সরকার ও জনগণই চায়। কিন্তু ভারতের মাটিতে বসে একজন সাজাপ্রাপ্ত স্বৈরাচার এবং আওয়ামী লীগের নেতারা যদি ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ভারত সরকার যদি সেটি বন্ধ না করে, তাহলে অবশ্যই বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হবে।’
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, পানি, সীমান্তসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যেগুলোর সমাধান সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। তবে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত ভারত সরকারকেই নিতে হবে।’
মানবাধিকার নিয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মুখে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা অত্যন্ত হাস্যকর।’
তিনি বলেন, ‘ইলিয়াস আলীসহ অসংখ্য মানুষ গুম হয়েছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়েছে। জুলাই-আগস্টে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। তখন মানবাধিকার কোথায় ছিল?’
তার ভাষায়, ‘বাংলাদেশের মানুষ দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ এবং গত ১৭-১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’
ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে কি না— এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সরকার-সরকার সম্পর্ক বহুমাত্রিক। একটি ইস্যুর কারণে অন্য সহযোগিতা থেমে থাকতে পারে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে জ্বালানি, পানিবণ্টন, সীমান্তসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা রয়েছে। এসব নিয়ে আলোচনা চলবে। তবে জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করে এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ভারতকে আরও সংবেদনশীল হতে হবে।’
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, তা তার সময়সূচি ও ব্যস্ততার ওপর নির্ভর করবে।’
ভারতকে পাঠানো বাংলাদেশের কূটনৈতিক বার্তার জবাব সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের চিঠি দিয়েছি। এখন ভারত কী জবাব দেয়, সেটির জন্য অপেক্ষা করুন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অথবা যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে অযথা হয়রানি থেকে পুরুষদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নে নির্দেশনার জন্য করা রিটটি হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেয়।
বাটারফ্লাই হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান এবং সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. খলিলুর রহমান গত মে মাসে এই রিটটি দাখিল করেন।
রিটের পক্ষে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান নিজে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিদুল ইসলাম জনি।
শুনানি শেষে আইনজীবী কাজী ইলিয়াসুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আদালত রিটটি খারিজ করে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও যৌতুক আইনের অপব্যবহারের মাধ্যমে পুরুষদের অযথা হয়রানি থেকে সুরক্ষার জন্য ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা-ব্যর্থতা আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করতে রুল চাওয়া হয়েছিল। নারীদের এই অপ্রয়োজনীয় হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুল চাওয়া হয়।
রুল হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়ার আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ‘অপব্যবহারের’ মাধ্যমে পুরুষদের অযথা হয়রানি থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘পুরুষ নির্যাতন দমন ও প্রতিরোধ আইন’ নামে নতুন আইন প্রণয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনার প্রার্থনা জানানো হয়েছিল রিটে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বালুবাহী একটি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় জিরার প্রায় সাড়ে ছয় টন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ করা জিরার এবং পাচারে ব্যবহৃত ট্রাকের সম্মিলিত মূল্য অঙ্কিত হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
বিজিবি-২৫ ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
বিজিবি জানায়, বুধবার দুপুরে ইসলামপুর এলাকায় সন্দেহজনক একটি বালুবাহী ট্রাক আটক করা হয়েছিল। পরে ট্রাকটিতে একত্রিত তল্লাশি করতে গিয়ে দেখতে পাওয়া যায় যে, ট্রাকের ওপরের অংশে বালু রয়েছে এবং নিচে জিরার বস্তা হিসাব করা হয়েছে।
তল্লাশির সময় মোট ৬ হাজার ৪৫০ কেজি ভারতীয় জিরা জব্দ করা হয়। এসব জিরার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৪ লাখ টাকা হিসাব করা হয়েছে। এ ছাড়া পাচারকাজে ব্যবহৃত ট্রাকটির মূল্যও হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিজিবি-২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানিয়েছেন, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা এবং চোরাচালান প্রতিরোধের লক্ষ্যে বিজিবির অভিযান এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল জব্দ করার কাজ চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ