০৭:০৪ পি.এম
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ একটি ভিন্ন বিষয়; কিন্তু যারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।
আজ সোমবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: লালন সাঁইয়ের দর্শনে মানবতা ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ার আহ্বান : খাদ্যমন্ত্রী
ডেপুটি স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার করা প্রয়োজন। তবে এই বিচার শুধুমাত্র শাস্তির জন্য নয়; ভবিষ্যতে যেন কেউ বাংলাদেশে আবারও কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সেই লক্ষ্যে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করাও এর উদ্দেশ্য।
কায়সার কামাল বলেন, যেসব ব্যক্তি বিদেশে অবস্থান করছেন, তারা কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের নামে তাদের দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
গত দেড় দশকে বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল। তিনি বলেন, বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশে একটি ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।
ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে শক্তিশালী ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। সরকারের বৈধতা ও জনআস্থা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসনের ওপর নির্ভর করে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: শ্রম আদালতের মামলাজট নিরসনে কার্যকর রোডম্যাপের আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন