বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:২৯ পি.এম
ঋণের চাপ কমানোর জন্য বেঙ্গল গ্রুপ রাজধানীর হাতিরঝিল-সংলগ্ন তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ‘সুইস টাওয়ার’ বিক্রি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই ভবনটি বেঙ্গল গ্রুপের মালিকানাধীন এবং এটি ২৭ তলা নির্মাণাধীন ভবন। বেসরকারি খাতের পূবালী ব্যাংক এই ভবনটি কিনে নিচ্ছে। ভবনটিতে আন্তর্জাতিক তারকা চেইন হোটেল সুইসটেল হওয়ার কথা ছিল।
বুধবার (২২ জুলাই) অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় ভবন কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের খবর বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে পূবালী ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৮০০ কোটি টাকায় সুইস টাওয়ার কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তবে, ব্যাংক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ভবনটি বর্তমানে ৫৮ কাঠা জমির ওপর নির্মাণাধীন এবং এর ৩ তলা বেজমেন্ট রয়েছে, যেটি মাটির নিচে। যদি এই ভবনটি কিনে নেওয়া হয়, তাহলে পূবালী ব্যাংক তাদের প্রধান কার্যালয় এখানে স্থানান্তর করবে। বর্তমানে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় মতিঝিলে অবস্থিত।
জানা গেছে, বেঙ্গল গ্রুপ ভবনটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকঋণ পরিশোধের লক্ষ্যে। এই ভবন নির্মাণে গ্রুপটি ৩০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ পেয়েছে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) এবং দেশি প্রতিষ্ঠান ইডকল থেকে। এর বাইরেও গ্রুপটির অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের উপর বড় অঙ্কের ঋণ রয়েছে। এই ভবনটি বিক্রি করে সেই ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে বেঙ্গল গ্রুপের।
এ বিষয়ে বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিমউদ্দিন জানিয়েছেন, ‘এই ভবনে সুইসটেল হোটেল করার কথা ছিল। ভবনের মূল কাঠামো এরই মধ্যে নির্মিত হয়ে গেছে। ৩৭০টি হোটেলকক্ষ হওয়ার পরিকল্পনা ছিল ভবনটিতে। বর্তমানে আমরা একটি আর্থিক সংকটে পড়েছি। তাই ভবনটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবনটি বিক্রি করলে আমরা বড় অঙ্কের ব্যাংকঋণ পরিশোধ করতে পারব। পূবালী ব্যাংকের সঙ্গে ভবনটি বিক্রি করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেজবুত তওহীদ নিষিদ্ধের দাবিতে নোয়াখালীতে ঐতিহাসিক ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে মহা-সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটি।
এই সভাটি বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালী সুপার মার্কেটের ফুড-পেস্তা রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আয়োজন করা হয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-এর তত্ত্বাবধানে, যেখানে ‘জমইয়্যাতুল মাদারিসিল ক্বাওমিয়্যাহ’ এবং ইসলামবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ রয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নোয়াখালী সুপার মার্কেট পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ইকরাম উল্লাহ ডিপটি। মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, ‘জমইয়্যাতুল মাদারিসিল ক্বাওমিয়্যাহ’ নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের সভাপতি, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অন্যান্য বক্তব্য প্রদান করেন বিভিন্ন আলেম-ওলামা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে হেজবুত তওহীদকে ঈমান বিধ্বংসী সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তারা ১ আগস্ট নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় সাংবাদিক এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণ মহা-সমাবেশ সফল করতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলায় ১০ ফুট লম্বা একটি বিষধর শঙ্খচূড় (কিং কোবরা) উদ্ধারকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘স্নেক লেডি’ নামে পরিচিত প্রশিক্ষিত সাপ উদ্ধারকারী জানকী দেবী, সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করার পর গলায় মাফলারের মতো জড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও এখন ভাইরাল হয়ে গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি পশ্চিম চম্পারণের বাল্মিকীনগরে মুন্নি লাল নামে এক বাসিন্দার বাড়িতে ঢুকে পড়ে প্রায় ১০ ফুট লম্বা একটি শঙ্খচূড়। সাপটি দেখতে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিবেশীদের সতর্ক করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয় এবং বাড়ির সামনে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে ওঠে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান জানকী দেবী। তিনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিষধর সাপটিকে উদ্ধার করেন। এরপর সাপটিকে নিকটবর্তী একটি জঙ্গলে নিরাপদে অবমুক্ত করা হয়। জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার সময় সাপটিকে গলার চারপাশে জড়িয়ে হাঁটার দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওটি ‘গাঁওয়ালা’ নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। তবে ভিডিওটির সত্যতা এবং এটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় বন কর্মকর্তা সত্যম কুমার জানান, বর্ষাকাল ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের সময় সাপ প্রায়ই শুকনো ও নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসে। বিশেষ করে বাল্মিকী ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় এ ধরনের ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটে। তিনি সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, আতঙ্কিত না হয়ে সাপ ধরার চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন এবং প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারীদের খবর দিন।
স্থানীয়দের কাছে জানকী দেবী একজন সুপরিচিত বন্যপ্রাণী উদ্ধারকর্মী। বন বিভাগের তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে তিনি হাজার হাজার বিষধর সাপকে নিরাপদে উদ্ধার করেছেন। মাত্র ১২ বছর বয়সে সাপ উদ্ধারের কাজ শুরু করেছিলেন জানকী এবং উদ্ধার অভিযানের সময় তিনি একাধিকবার সাপের কামড়েও শিকার হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা শহরের মুগদা থানায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২২ জনকে গ্রেফতার করেছে মুগদা থানা পুলিশ।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আজ বৃহস্পতিবার তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- সাহেদ হোসেন প্লাবন (২৬), পলাশ (২৫), মো. এরশাদ (৪৭), মো. সহির আলী (৬৩), আব্দুল গনি (৫০), মো. হারুন (৪০), মো. রবু হোসেন (২২), মো. রোহান ওরফে প্রান্ত (১৮), মো. সাজ্জাদ হোসেন (২৭), মো. মিলন (২৮), মো. কামরুল হাসান (২১), মো. কামাল (৫৫), মো. বাবু (৩৫), মো. রাজু (২২), তানজির হোসেন খান (৩৯), আবু বক্কর সিদ্দিক (৩৯), মো. সাজ্জাদ ওরফে শরীফা (৩২), মো. টুটুল আহমেদ রাকিব (২৯), নুর নবী (৪০), মো. আতিকুর ইসলাম (৩৩), মো. নাইম (১৯) এবং নাহিদুল ইসলাম (২০)।
এদের মধ্যে ২ জনকে পরোয়ানা মোতাবেক এবং বাকী ২০ জনকে ডিএমপি অধ্যাদেশ মতে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে রিয়াদ থেকে মক্কায় যাওয়ার সময় একটি সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। বাবার পাশাপাশি ছেলে বেঁচে গেলেও মা ও অন্য দুই ছেলে ও মেয়ে নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে সৌদি আরবের রিয়াদ-মক্কা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম নাজিমুদ্দিন মোল্লার মেয়ে তানিয়া তাহমিনা রিনা (৪৫), তার ছেলে তাসবিক (২০) এবং মেয়ে জারা (১৫)। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন রিনার স্বামী শফিকুল ইসলাম খোকন এবং তাদের বড় ছেলে নাবিল, যিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব এলাকার বাসিন্দা।
নিহত তানিয়া তাহমিনা রিনার মামাতো ভাই নাসিম আহমেদ কবীর জানান, সকালে তারা ওমরাহ হজ্ব পালনের উদ্দেশ্যে রিয়াদ থেকে মক্কায় যাচ্ছিলেন। রিয়াদ থেকে ৩০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর তাদের প্রাইভেট কারকে পেছন থেকে একটি বড় যানবাহন সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার বোন, ছোট ভাগনে ও ভাগনি মারা যায়। এই ঘটনায় আমার দুলাভাই ও বড় ভাগনে গুরুতর আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ