ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ট্রাম্প প্রশাসনের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর চাপ বন্ধের নির্দেশ আদালতের


ট্রাম্প প্রশাসনের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর চাপ বন্ধের নির্দেশ আদালতের

মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন আগ্রাসী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন এক ফেডারেল বিচারক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ইউএস ডিস্ট্রিক্ট জজ ত্রিনা থম্পসন একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে বলেন, ‘যদিও বিবাদীরা (ট্রাম্প প্রশাসন) দাবি করছেন যে তাদের এই পদক্ষেপগুলো অ-নাগরিকদের অবৈধ ভোটদান বন্ধ করার জন্য নেওয়া হয়েছে। তবে এর ফলে নির্বাচনী পরিচালনায় হস্তক্ষেপ ঘটার এবং বৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার হরণের প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।’

তিনি নির্দেশ দেন যে, এই আদেশ কার্যকর থাকা অবস্থায় বিচার বিভাগ এবং ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কোনো অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ব্যালট আলাদা করার, ভোটার তালিকা থেকে ভোটার বাদ দেওয়ার কিংবা ব্যালট প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিতে পারবে না। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কর্তৃক নিযুক্ত বিচারক থম্পসন ওই সংস্থাগুলো কর্তৃক নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার হুমকি দেওয়ার পথও বন্ধ করে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: শেনজেন ভিসার আবেদন বন্ধ করেছে সুইডিশ দূতাবাস

তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, ভোটাররা ‘অযোগ্য’, এমন দাবি তুলে ব্যালট প্রক্রিয়াকরণের নিয়ম পরিবর্তনের জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তাদের হুমকি, ভয়ভীতি বা চাপ সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ প্রশাসন নিতে পারবে না। প্রশাসন গত কয়েক মাস ধরে যে অভিযোগ করেছে যে নির্বাচনী কর্মকর্তারা অবৈধ ভোট ঠেকাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিচ্ছেন না, বিচারক থম্পসনের রুলিংয়ে তার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

তিনি লিখেছেন, ‘যখন রাজ্য ও স্থানীয় সরকারের কর্মীরা আইন অনুযায়ী ব্যালট বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ, গণনা কিংবা অন্য কোনোভাবে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন, তখন তারা কোনো ফেডারেল ফৌজদারি আইন লঙ্ঘন করেন না, এমনকি যদি কোনো নির্দিষ্ট ব্যালট এমন একজন নিবন্ধিত ভোটারেরও হয় যাকে বিবাদী পক্ষ (প্রশাসন) ভোটদানের অযোগ্য বলে দাবি করছে।’

বিচারক আরো নির্দেশ দিয়েছেন, প্রশাসন যে তালিকা তৈরি করেছে, তার ভিত্তিতে কোনো ‘সার্চ ওয়ারেন্ট আবেদন, গ্র্যান্ড জুরি সমন কিংবা নির্বাচনী সামগ্রী বা ব্যালট নেওয়ার অন্য কোনো নির্দেশ’ জারি করা হয়ে থাকলে তা প্রশাসনকে অবশ্যই আদালতকে জানাতে হবে। বিচারক এই আদেশের মেয়াদ ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে শ্রমিক ইউনিয়ন এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা সংগঠনগুলোর একটি জোট মামলাটি দায়ের করেছে, যার মধ্যে ‘এনএএসিপি’ এবং ‘লীগ অফ ইউনাইটেড ল্যাটিন আমেরিকান সিটিজেনস’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের সাম্প্রতিক আচরণ ভোটাধিকার আইন লঙ্ঘন করে এবং নির্বাচন পরিচালনার ওপর রাজ্যগুলোর সাংবিধানিক কর্তৃত্বে এক অন্যায় হস্তক্ষেপের শামিল।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মধ্য-ডানপন্থীদের প্রাইমারিতে অংশ নেবেন না এদুয়ার ফিলিপ

প্রশাসনের এই তৎপরতার কেন্দ্রে রয়েছে ডিএইচএস-এর নেতৃত্বাধীন একটি বিতর্কিত ডেটা-ম্যাচিং প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে রাজ্যের ভোটার তালিকার সাথে ফেডারেল রেকর্ডের তুলনা করা হয়েছে। তবে নির্বাচনী কর্মকর্তারা বলছেন, এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে ডিএইচএস সন্দেহভাজন অ-নাগরিকদের যে তালিকা তৈরি করেছে তা নির্ভরযোগ্য নয় এবং এর মধ্যে অনেক প্রকৃত মার্কিন নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দায়ের করা বেশ কয়েকটি মামলায় এখন বিভিন্ন বিচারক এই ডেটা-ম্যাচিং পদ্ধতির চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন। অ-নাগরিকদের ভোট দেওয়া বন্ধ করার লক্ষ্য দাবি করে ফেডারেল সরকার রাজ্যগুলোকে যেভাবে তাদের সাথে সহযোগিতা করতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে, তা ট্রাম্প প্রশাসনের সেই আগ্রাসী তৎপরতাকে আদালতের চৌকাঠে বারবার ধাক্কা খাওয়াচ্ছে।

মামলা চলা সত্ত্বেও বিচার বিভাগ চাপ বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। তারা ২৯টি অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে চিঠি পাঠিয়ে তদন্তের হুমকি দিয়েছে এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনের সমস্ত রেকর্ড ও ভোটার ডেটা সংরক্ষণ করার দাবি জানিয়েছে। যদিও ফেডারেল আইন অনুযায়ী নির্বাচনের পর ২২ মাস পর্যন্ত সমস্ত রেকর্ড সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক।

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিচার বিভাগ হাজার হাজার ভোটারের ব্যালট গণনা বন্ধ করতে মামলা করেছিল, যাদের ফেডারেল সরকার অ-নাগরিক হতে পারে বলে দাবি করছে। তবে একটি ফেডারেল আপিল আদালত প্রশাসনের সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইউএস নাইন্থ সার্কিট কোর্ট অফ আপিল জানিয়েছে, রাজ্যগুলো কীভাবে ভোটারদের নাগরিকত্ব যাচাই করবে, সেই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার ফেডারেল প্রশাসনের নেই।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল ইরান যুদ্ধে প্রভাব ফেলতে পারে

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘খলনায়ক’ সিনেমায় নিশো ও চঞ্চল, নতুন উদ্যোগ এসভিএফ আলফা-আইয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ পি.এম


‘খলনায়ক’ সিনেমায় নিশো ও চঞ্চল, নতুন উদ্যোগ এসভিএফ আলফা-আইয়ের

ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে সুখ্যাতি অর্জন করেছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড’। তারা ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক মানের ও মৌলিক সিনেমা নির্মাণ করে আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে ‘সুড়ঙ্গ’, ‘তুফান’, ‘দাগি’, ‘তাণ্ডব’ এবং ‘দম’ সিনেমার মতো সফল প্রজেক্টের পর এবার তারা বড় ক্যানভাসে নিয়ে আসছে নতুন সিনেমা ‘খলনায়ক’। সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারধর্মী এ সিনেমা নির্মাণে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করছেন নির্মাতা ভিকি জাহেদ।

'খলনায়ক' সিনেমার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো কোলাবরেশন করতে যাচ্ছেন এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট ও হইচই স্টুডিওজের সঙ্গে। খুব শিগগিরই এ সিনেমার আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ, বিস্তারিত তথ্য এবং কনটেন্ট প্রকাশ করা হবে।

এ সিনেমার মূল দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন দেশের অন্যতম দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরী। তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী তমা মির্জাকে। আরও অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, ইন্তেখাব দিনার, সুমন আনোয়ার, গাজী রাকায়েত, বিজরী বরকতুল্লাহ, সোহেল মন্ডল, সুমন আনোয়ার, তুষার খান, সেন্টু প্রমুখ। এ ছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা সরকার।

'খলনায়ক' সিনেমা প্রসঙ্গে অভিনেতা আফরান নিশো মন্তব্য করেন, ভিকি জাহেদের নির্মাণ ও গল্প বলার ধরন অন্যদের থেকে ভিন্ন। ‘খলনায়ক’ সিনেমার চিত্রনাট্য শোনার পরেই মনে হয়েছে— এটি দারুণ মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাস। দেশের অন্যতম শীর্ষ ও প্রভাবশালী অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে অভিনয় করাটা সবসময়ই আনন্দের ও নতুন চ্যালেঞ্জের। আশা করি দর্শকরা নতুন এক অভিজ্ঞতা পাবেন।

অন্যদিকে, চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ভিকি জাহেদের কাজে সবসময়ই নতুনত্ব ও ভিন্ন ধাঁচের গল্প থাকে। ‘খলনায়ক’ সিনেমার চরিত্রটি বেশ জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক, যা একজন অভিনেতা হিসেবে আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে। নিশোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও সবসময় উপভোগ্য। আশা করি, বড়পর্দায় এ সিনেমাটি দর্শকদের একদম ভিন্ন রকমের একটি অভিজ্ঞতা দেবে।

'খলনায়ক' সিনেমা প্রসঙ্গে নির্মাতা ভিকি জাহেদ বলেন, ‘খলনায়ক’ শুধু একটি গল্প নয়, এটি মানব চরিত্রের গভীর জটিলতা ও রহস্যময়তার এক নতুন চিত্রায়ন। চিত্রনাট্য, কাস্টিং থেকে শুরু করে নির্মাণশৈলী— প্রতিটি ক্ষেত্রেই দর্শক বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা দেখতে পাবেন। তিনি বলেন, 'নিশো ভাই ও চঞ্চল ভাইয়ের মতো শক্তিশালী অভিনেতাদের একসঙ্গে পরিচালনা করাটা যেমন রোমাঞ্চকর ও চ্যালেঞ্জিং, ঠিক তেমনই আনন্দের।'

এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সোনি জানান, বাংলাদেশি সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছেন, ‘খলনায়ক’ সেই অগ্রযাত্রার একটি বড় মাইলফলক। একঝাঁক অসাধারণ তারকা ও দক্ষ টেকনিক্যাল টিমের সমন্বয়ে নির্মিত এ সিনেমাটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের মন জয় করবে বলে তিনি আশাবাদী।

এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, শুরু থেকেই তারা কনটেন্টের গুণগত মান এবং দর্শক চাহিদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছেন। ‘খলনায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বাংলা ভাষার সিনেমাপ্রেমীদের তারা বিশ্বমানের একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার থিয়েট্রিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স উপহার দিতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলন করে সরকার গঠন সম্ভব নয়: চিফ হুইপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


আন্দোলন করে সরকার গঠন সম্ভব নয়: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি মন্তব্য করেছেন যে, আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে জনগণের ওপর চাপ সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, "আন্দোলন করে সরকার গঠন করা যায় না।" সরকার পরিবর্তনের একমাত্র গণতান্ত্রিক পন্থা হলো নির্বাচন। যদি জনগণ সরকারের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট হন, তবে পরবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোটের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন করবেন।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইডিইবি) ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ আরও বলেন, "আন্দোলন করে কি সরকার হতে পারে?" তিনি জানান, সরকার গঠনের সঠিক পথ হলো নির্বাচন। যারা আন্দোলনের নামে অস্থির পরিবেশ তৈরি করতে চান, তাদের বোঝা উচিত, দেশের স্থিতিশীলতা এবং জনগণের কল্যাণ সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, "আমরা চাই দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকুক।" প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার যদি ভালো কাজ করে, তাহলে জনগণ তার সুফল ভোগ করবে। অন্যদিকে, যদি সরকার ভালো কাজ না করে, তবে জনগণ পরবর্তী নির্বাচনে তাদের ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে। শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তবে নিজেদের মধ্যে বিরোধ ও সংঘাত সৃষ্টি হলে তা অন্যদের সুযোগ দেবে। "আমরা নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করার পর পথ সুগম হবে কার?" তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, "যখন দুই ভাই ঝগড়া করে, তখন পাশের বাড়ির লোক সালিশ করতে আসে; কিন্তু সেই সুযোগে সে দুই ভাইয়ের সম্পত্তিই কিনতে চায়।"

নূরুল ইসলাম মনি বলেন, "দেশটা যদি ধ্বংস হয়, তাহলে আমরা পরবর্তী প্রজন্মকে কী জবাব দেব?" ৫৪ বছরে আমরা অনেক সময় নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছি। এখন দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে।

জ্বালানি সংকট ও সাম্প্রতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মোকাবেলায় সরকার ভর্তুকি দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছু মানুষ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, "কিছু মানুষ এখনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকারকে জিম্মি করতে চায়, দেশের ২০ কোটি মানুষকে জিম্মি করতে চায়।" এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন উদ্যোগ: ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ পি.এম


গ্রামীণ অর্থনীতি সমৃদ্ধ করতে জিয়াউর রহমানের খাল খনন উদ্যোগ: ত্রাণমন্ত্রী

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের লক্ষ্যে খাল খনন আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তিনি নিজে খাল কাটার কাজে কোদাল ব্যবহার করেছেন।

শনিবার সকালে লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর খাল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামীলীগের দীর্ঘকালীন অপশাসন ও দুঃশাসনের কারণে অতীতে খাল খনন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ফলে খালগুলো দখল হয়ে গেছে এবং সরকারি সম্পত্তি বেহাত হয়েছে। আমাদের প্রথম কাজ হলো এগুলো উদ্ধার করা। দ্বিতীয় কাজ হলো খাল খননের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচের মাধ্যমে কৃষকদের ফসল উৎপাদনে সহায়তা করা।

খাল পরিদর্শনের সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক উপস্থিত ছিলেন।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোদাগাড়ীর ১৬৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বন্ধ, শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ডাটা ব্যবহার করতে বাধ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


গোদাগাড়ীর ১৬৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বন্ধ, শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ডাটা ব্যবহার করতে বাধ্য

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ১৬৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ ও যাবতীয় সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও প্রায় এক মাস ধরে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে সেবা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে শিক্ষকদের হাজিরা প্রদান, দাপ্তরিক যোগাযোগ এবং অন্যান্য অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ পুনর্বহাল করা না হলে প্রাথমিক শিক্ষার ডিজিটাল রূপান্তর মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের ‘ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন (ইডিসি)-১ম সংশোধিত’ প্রকল্পের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই প্রকল্পের অধীনে ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে গ্রামীণ টেলিকম এবং রাজশাহীর ‘এশিয়া প্যাসিফিক কমিউনিকেশন লিমিটেড (এপিসি)’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান গোদাগাড়ীর ১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফাইবার অপটিক ক্যাবলের মাধ্যমে মাসিক ১২০০ টাকায় ২০ এমবিপিএস গতির সংযোগ প্রদান করে। তবে সংযোগ দেওয়ার পর কিছুদিন সচল থাকলেও বর্তমানে সেবাটি প্রায় পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে।

ফলে বিদ্যালয়গুলোর অনলাইন দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক নানা কাজ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জরুরি দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে নিজেদের ব্যক্তিগত মোবাইল ডাটা ব্যবহার করছেন। আবার অনেক বিদ্যালয়ে বাড়তি টাকা খরচ করে স্থানীয়ভাবে বিকল্প ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে।

মহিশালবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ মন্তব্য করেন, "ইন্টারনেট সেবা চালুর পর দাপ্তরিক কাজের গতি অনেক বেড়েছিল। কিন্তু গত ১৫ দিন ধরে সংযোগ থাকলেও ইন্টারনেট পাওয়া যাচ্ছে না। অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি। প্রতিদিন তথ্য আদান-প্রদান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা গ্রহণ এবং হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা পাঠানোর জন্য ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়। বাধ্য হয়ে আমরা ব্যক্তিগত ডাটা দিয়ে কাজ চালাচ্ছি।"

শেখেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন জানান, শুরুতে সার্ভিস ভালো থাকলেও পরে ধীরগতি এবং ঘন ঘন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। বর্তমানে সংযোগ প্রায় পুরোটাই অচল হয়ে গেছে।

একই অভিযোগ করেছেন গোদাগাড়ী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলিপুর, ঘনশ্যামপুর, সারেংপুর, হরিণবিস্কা এবং সুলতানগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকবৃন্দ।

এ বিষয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এশিয়া প্যাসিফিক কমিউনিকেশন লিমিটেডের নেটওয়ার্ক অপারেশন ম্যানেজার রাকিবুল ইসলাম বলেন, "ক্যাবল চুরি ও সার্ভার জটিলতার কারণে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। তবে সেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকার দাবিটি সঠিক নয়।"

গোদাগাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুন মুন সুলতানা জানান, বিভিন্ন স্কুল থেকে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে। তিনি আরও জানান, ইডিসি প্রকল্পের আওতায় থাকা ৮৯টি বিদ্যালয়ে এক মাস ধরে কারিগরি ত্রুটি রয়েছে, তবে বাকি ৭৫টি স্কুলে গ্রামীণ টেলিকমের সংযোগ সচল রয়েছে।

গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত জাহান বলেন, "উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সংযোগে কারিগরি ত্রুটির অভিযোগ পেয়েছি। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%