ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাইরে শান্তিচুক্তির বিরুদ্ধে বি-ক্ষোভ: গণমাধ্যম


ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বাইরে শান্তিচুক্তির বিরুদ্ধে বি-ক্ষোভ: গণমাধ্যম

ঢাকা, ১৪ জুন, ২০২৬ : ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয়ের সামনে শনিবার শান্তিচুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সংঘটিত হয়েছে।

যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে টেলিভিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির দেওয়া সাক্ষাৎকারের প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা তার বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আরও পড়ুন: পুলিশের ১১ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে

ফার্স নিউজ এজেন্সি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভবনের সামনে কালো চাদর পরা নারীরা লাল ও কালো পতাকা নেড়ে স্লোগান দিচ্ছেন। তারা আব্বাস আরাকচির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে "পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অপমানজনক মৃত্যু হোক, সে একজন অনুপ্রবেশকারী"—এই ধরনের স্লোগান দেন।

এই বিক্ষোভ এমন এক সময় সংঘটিত হয়েছে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি শান্তি চুক্তির কথা বলছে। তবে ইরানের ভেতরে কট্টরপন্থী কিছু মহল এই চুক্তির বিরোধিতা করছে।

তাদের দাবী হলো, এই চুক্তি ইরানের স্বার্থ রক্ষা করবে না এবং হরমুজ প্রণালীতে তাদের কৌশলগত প্রভাব কমিয়ে দেবে। সাথে সাথে তারা অভিযোগ করেন, চুক্তি করতে গিয়ে ইরানি আলোচকরা অতিরিক্ত ছাড় দিয়েছেন।

এর আগে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শুক্রবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরাকচি জানান, আলোচনার টেবিলে থাকা চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে। এই অবরোধটি মূলত হরমুজ প্রণালীতে ইরানের আরোপিত অবরোধের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা আরোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালীর প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা আগের মতো থাকবে না।’ তিনি এই জলপথকে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে (যেগুলোর সত্যতা এএফপি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি) দেখা যায়, তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সামনে লোকজন ‘আরাকচি, পদত্যাগ করো’ এবং ‘গালিবাফ, পদত্যাগ করো’ স্লোগান দিচ্ছেন। বাঘের গালিবাফ ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং প্রধান আলোচক হিসেবে পরিচিত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান শনিবার জানায়, যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রস্তাবিত চুক্তিটি রোববারই স্বাক্ষর হতে পারে। তবে তেহরান এ বিষয়ে সময়সূচি নিয়ে তুলনামূলকভাবে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং নিশ্চিতভাবে কোনো তারিখ ঘোষণা করেনি।

আরও পড়ুন: ‘গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত ও সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবশেষে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে চালু হলো আইসিইউ সেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৭ পি.এম


অবশেষে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে চালু হলো আইসিইউ সেবা

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে, মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যার আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) সেবা চালু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হাম আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য এই সেবা চালু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা নিশ্চিত করে, সকল রোগীর জন্য পূর্ণাঙ্গভাবে আইসিইউ সেবা চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে।

রবিবার সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে, মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে, সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, 'মাদারীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল জেলা হাসপাতালে একটি কার্যকর আইসিইউ সেবা চালু করা। আজ সেই প্রত্যাশার বাস্তবায়ন শুরু হলো। আপাতত হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসিইউ চালু করা হয়েছে। খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে, পূর্ণাঙ্গভাবে সব ধরনের রোগীর জন্য এই সেবা চালু করা হবে।'

তিনি আরও বলেন, 'উন্নত স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। জেলার মানুষ যাতে চিকিৎসার জন্য ঢাকামুখী না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মাদারীপুর জেলা হাসপাতালের আইসিইউ চালু হওয়া সেই উন্নয়নেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।'

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আধুনিক ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালটিতে তিন কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে আইসিইউ ইউনিটের জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়। ২০২৩ সালে ইউনিটটির উদ্বোধন করা হলেও, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স ও টেকনিশিয়ানদের সংকটের কারণে এতদিন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি। এই কারণে ব্যয়বহুল যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল।

আইসিইউ সেবা না থাকায় সংকটাপন্ন রোগীদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অথবা ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করতে হতো। ফলে রোগী ও স্বজনদের অতিরিক্ত সময়, অর্থ ও দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে।

রোগীর স্বজন ইসমাইল খান বলেন, 'আগে কেউ গুরুতর অসুস্থ হলেই আইসিইউ সুবিধা না থাকায়, তাকে ফরিদপুর অথবা ঢাকায় প্রেরণ করা হতো। এতে রোগীর অবস্থা আরও জটিল হয়ে যেত। আপাতত হাম রোগীদের জন্য হলেও আইসিইউ চালু হওয়া আমাদের জন্য স্বস্তির খবর।'

অপর রোগীর স্বজন শহিদুল হাসান বলেন, 'আমরা চাই দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে আইসিইউ বেড চালু করা হোক। শুধু হাম রোগী নয়, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও অন্যান্য জটিল রোগীরাও যেন এখানে চিকিৎসাসেবা পায়। সেই ব্যবস্থা দ্রুত করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।'

মাদারীপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ শরীফুল আবেদিন কমল বলেন, 'হাসপাতালে প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি রয়েছে। তারপরও হাম আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসিইউ সেবা চালু করা হয়েছে। ধাপে ধাপে জনবল সংকট নিরসনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গভাবে ইউনিটটি চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যন্ত্রপাতির সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।'

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ানসহ অনুমোদিত ২৬৭টি পদের মধ্যে, বর্তমানে ১০২টি পদ শূন্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব শূন্য পদ দ্রুত পূরণ করা হলে আইসিইউসহ হাসপাতালের অন্যান্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং জেলার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা লাভ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন

ভারতের আপত্তির কারণে বাংলাদেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত নেপালের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


ভারতের আপত্তির কারণে বাংলাদেশে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থগিত নেপালের

ইতোমধ্যে ভারতের অনুমোদন না পাওয়ার কারণে নেপাল থেকে বাংলাদেশে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি আপাতত বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটির জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফলে ১৫ জুন থেকে বাংলাদেশে নেপাল থেকে মোট ৬০ মেগাওয়াট নয়, বরং আগের মতোই ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি করা হবে।

তারা জানিয়েছেন, ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (সিইএ) ট্রান্সমিশন লাইনের সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণ উল্লেখ করে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানির অনুমোদন স্থগিত করে রেখেছে।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, শুধুমাত্র ভারতের অনুমোদন নয়, এ জন্য আরও অনেক প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক ধাপ বাকি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন বা সংশোধিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি এবং নেপাল-ভারত জ্বালানি সচিব পর্যায়ের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির (জেএসসি) চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি (এনইএ) ইতোমধ্যে ভারতের এনটিপিসি বিদ্যুৎ ব্যবসা নিগম লিমিটেডের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রফতানির অনুরোধ জানিয়েছিল।

তবে পরে নিগম লিমিটেড জানিয়ে দেয়, ভারত-বাংলাদেশ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বরাদ্দ দেওয়ার মতো জায়গা নেই বা সংকুলান হবে না। অথচ এই সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা ১,০০০ মেগাওয়াটেরও বেশি।

নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির বিদ্যুৎ বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক থার্কা বাহাদুর থাপা মন্তব্য করেন, “এখন শুধুমাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি করা হবে। অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াটের জন্য ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সম্পন্ন হয়নি, তবে আমরা ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির মাধ্যমে প্রক্রিয়া শুরু করেছিলাম।”

তিনি আরও জানান, “প্রস্তাবিত সম্প্রসারণের বিষয়ে এখন নেপাল–ভারতের যৌথ স্টিয়ারিং কমিটি (জেএসসি) এবং যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে নতুন সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে।”

বিদ্যমান চুক্তি ও বিদ্যুৎ রফতানির কাঠামো ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নেপাল-ভারত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির (জেএসসি) বৈঠকে ভারতীয় ট্রান্সমিশন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এর পর পরিত্যক্ত হয়ে ২০২৪ সালের অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে নেপাল, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানি করা হয়।

এই বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় নেপালের ত্রিশুলি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে। এসব প্রকল্পের বিদ্যুৎ ভারতেও রফতানির অনুমোদন রয়েছে।

নেপাল প্রথমবারের মতো ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর মাত্র ১২ ঘণ্টার জন্য বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রফতানি করে পরীক্ষামূলকভাবে।

কীভাবে নেপালের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসে নেপালের বিদ্যুৎ প্রথমে ঢালকেবার-মুজাফফরপুর ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইনের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর ভারত হয়ে বাহারামপুর-ভেড়ামারা ৪০০ কেভি লাইন দিয়ে তা বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়।

বর্তমানে অনুমোদিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে প্রতি ইউনিট ৬ দশমিক ৪০ মার্কিন সেন্ট দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট অনুমোদন পেলে একই দরে সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল।

ভারতের অনুমোদন ছাড়া সম্প্রসারণ অনিশ্চিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ রফতানির জন্য এখন নেপাল-ভারত যৌথ বৈঠক এবং ভারতের সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এরপর নতুন ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে। এ সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় বিদ্যুতের রফতানি সম্প্রসারণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

নেপাল সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুমোদন পাওয়া গেলে বাংলাদেশে মোট রফতানি ৬০ মেগাওয়াটে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যে বৃদ্ধি সরকারি তথ্যানুযায়ী, নেপাল ইতোমধ্যে ভারত ও বাংলাদেশের কাছে মোট ১,১৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রফতানির অনুমোদন পেয়েছে। ভারতের বিদ্যুৎ বাজারে নেপালের বিদ্যুৎ ইন্ডিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জের (আইইএক্স) মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক দামে বিক্রি হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে নেপাল বাংলাদেশ ও ভারতে বিদ্যুৎ রফতানি করে আয় করেছে প্রায় ২০ দশমিক ৯৯৫২ বিলিয়ন রুপি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে আয় ছিল ১৩ দশমিক ১০৩৩ বিলিয়ন রুপি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণে এ ধরনের প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। নেপাল-ভারত-বাংলাদেশ ত্রিপক্ষীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্য কাঠামোকে এবং কার্যকর করতে অবকাঠামো উন্নয়ন ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ জরুরি। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আর এস ফাহিম গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আর এস ফাহিম গ্রেফতার

রাষ্ট্রের অখণ্ডতা বিপন্ন করার ষড়যন্ত্র ও গোপন বৈঠকের অভিযোগে রমনা থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে আদালত গ্রেফতার দেখিয়েছেন।

রবিবার (১৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা পুলিশের করা আবেদন মঞ্জুর করে ফাহিমকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন যে, গত ৯ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা আসামির উপস্থিতিতে শুনানির আবেদন করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গে আজ আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে শুনানির শেষে আদালত এই আদেশ দেন।

গ্রেফতার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর এই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে ফাহিমকে গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। প্রাথমিক তদন্তে এই ঘটনার সঙ্গে ফাহিমের সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রমনা পার্ক এলাকায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে একটি গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা সেই স্থান থেকে পালিয়ে যান। ওই ঘটনায় রমনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। এজাহারে ফাহিম চৌধুরীকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও এই চক্রের অন্যতম অর্থ জোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে, গত ২৯ মার্চ মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা ফাহিমকে আটক করে শাহ আলী থানার পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে তাঁকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে গত ৩০ মার্চ তাঁকে প্রথম কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। নতুন এই মামলার পরে তাঁকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুদ্ধের প্রভাবে শক্তি সঞ্চয় করছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


যুদ্ধের প্রভাবে শক্তি সঞ্চয় করছে ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে দুর্বল করার লক্ষ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সংঘাত শুরুর চার মাস পর যেন এই সমীকরণ উল্টে গেছে।

সরকার পরিবর্তন অথবা পারমাণবিক সক্ষমতা ভেঙে দেওয়ার পরিবর্তে ইরান এখন আরও সামরিককেন্দ্রিক, ঝুঁকি নিতে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এই সময়ে তেহরান আঞ্চলিক প্রভাব নিজেদের কবজায় রাখতে কৌশলগত কর্মসূচির প্রতি দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

এখন প্রশ্ন হলো—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কি তাদের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছে? তারা পূর্বে বলেছিল, ইরানে সরকার পরিবর্তন, পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমানোই এর মূল উদ্দেশ্য।

এ প্রশ্নের উত্তর কিংবা চলমান এই যুদ্ধের ফলাফল নিয়ে বিতর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। গুরুতর কৌশলগত ছাড় না দিয়েই ইরান সংঘাত টিকে রেখে নতুনভাবে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এমন তথ্য তুলে ধরেছে।

‘ইসলামিক রিপাবলিক ৩.০’

প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে, যুদ্ধের শুরুতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের ক্ষমতার কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে তাত্ত্বিকভাবে যুব, আরও কঠোর অবস্থানসম্পন্ন এবং নিরাপত্তাকেন্দ্রিক নেতৃত্ব ক্ষমতা দখল করেছে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) রাষ্ট্র পরিচালনায় আরো শক্তিশালী ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা কর্মসূচির পরিচালক সানাম ভাকিল বলেন, ‘ইরান এখন আরও তরুণ এবং সাহসী একটি প্রজন্মের হাতে পরিচালিত হচ্ছে।’

অন্যদিকে, ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থা নিয়ে কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সাবেক মার্কিন কূটনীতিক অ্যারন ডেভিড মিলার বলেন, এটি ‘ঐশ্বরিক ক্ষমতা’ থেকে ‘কঠোর ক্ষমতার’ দিকে রূপান্তর।

বিশ্লেষকদের অনেকেই বর্তমান ব্যবস্থাকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক ৩.০’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। তারা বলেন, এটি আগের তুলনায় কম ধর্মতান্ত্রিক এবং অনেক বেশি আইআরজিসি-নিয়ন্ত্রিত সামরিক কাঠামোতে পরিণত হয়েছে।

সামরিক ও কৌশলগত ইরান

ইরান দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক হামলা এবং অর্থনৈতিক চাপ মোকাবেলা করলেও তার পারমাণবিক অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ইরান এখনো ‘নিউক্লিয়ার থ্রেশহোল্ড’ বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিলে তারা অস্ত্র তৈরির পথে দ্রুত অগ্রসর হতে পারে।

আঞ্চলিক ক্ষেত্রেও হিজবুল্লাহ, হামাস এবং হুথি বিদ্রোহীদের মতো মিত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে ইরান তাদের প্রভাব বজায় রেখেছে।

যুদ্ধ এবং অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন

বর্তমানে নিরাপত্তা, পররাষ্ট্রনীতি এবং শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইআরজিসি প্রধান সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের আচার-আচরণেও পরিবর্তন এসেছে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, সংঘাতের এই পর্যায়ে প্রথমবারের মতো ইরান সরাসরি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে, যেখানে আগে তারা মূলত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ওপর নির্ভর করত।

এটি আগের সতর্কনীতির পরিবর্তে আরো আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক কৌশলের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আঞ্চলিক স্থায়িত্ব

ইরান এখন লেবানন এবং হরমুজ প্রণালিসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ইস্যুকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার অংশ হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইরান বিশেষজ্ঞ এবং অবসরপ্রাপ্ত ইসরায়েলি সামরিক গোয়ন্দা কর্মকর্তা ড্যানি সিত্রিনোভিচ বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের প্রভাব এখনও তাদের প্রতিরোধ কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ইরানকে এমন একটি তাস দিয়েছে, যা ব্যবহার করে তারা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে নতুন হামলা থেকে নিরুৎসাহিত করতে পারে।

তিনি সতর্ক করেন, এই যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। কিন্তু সেটিই হয়তো দেশটিকে এমন এক পর্যায়ে ঠেলে দিয়েছে, যেখান থেকে ফিরে আসা কঠিন।

আলোচনায় ইরান কী চাইছে?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বিলুপ্ত করতে রাজি নয়। বরং তারা সীমিত আকারের একটি সমঝোতা চায়।

তেহরানের দেওয়া সম্ভাব্য ওই কাঠামোর মধ্যে রয়েছে—ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সাময়িক স্থগিত করা, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি অংশ বিদেশে পাঠানো বা পাতলা করা। তবে পারমাণবিক অবকাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রাখা।

এছাড়া, তেহরান নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ ফেরত চাচ্ছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, তারা প্রাথমিকভাবে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে, যা পরবর্তী অংশ চুক্তি বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

ইরানের প্রধান হাতিয়ার

ইরানের প্রধান দুটি হাতিয়ার হলো—তাদের পারমাণবিক প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচলে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা।

যদিও ইরানের অর্থনীতি মারাত্মক চাপের সম্মুখীন রয়েছে এবং যুদ্ধ শেষ হলে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বাড়তে পারে। তবে তেহরানের ধারণা, একটি চুক্তি করার জন্য ওয়াশিংটনের প্রয়োজন আরো বেশি। ফলে তারা বড় ধরনের ছাড় দিতে অনাগ্রহী।

সানাম ভাকিলের মতে, ইরানের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ হামলা প্রতিরোধ করা, উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা, আরব-ইসরায়েল ঘনিষ্ঠতা দুর্বল করা এবং অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি কমানো।

এখন সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কী?

যদিও প্রাথমিক কোনো সমঝোতা হলেও গভীর মতপার্থক্যগুলো দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে পারমাণবিক আলোচনা দীর্ঘ সময় ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় চলতে পারে।

ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের ইরান বিশেষজ্ঞ সুজান ম্যালোনি বলেন, আমরা সম্ভবত দীর্ঘ সময়ের জন্য ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ ধরনের একটি পরিস্থিতিতে থাকব। যা ইরানের জন্য সুবিধাজনক।

এই অবস্থা একদিকে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বজায় রাখবে, অন্যদিকে জ্বালানি বাজার এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ইরানের কৌশলগত প্রভাবও অক্ষুণ্ণ রাখবে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো—ইরান অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে ভুল পদক্ষেপ নিতে পারে, যেমনটি অতীতেও করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%