০৫:৫৬ পি.এম
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পূর্ণ সুন্দর ও সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল (২০ আগস্ট) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সিইসি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আমাদের যতরকম প্রস্তুতির প্রয়োজন, তা আমরা সম্পন্ন করেছি। আমাদের প্রস্তুতির মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। এই নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পাচ্ছি। আমাদের বিশ্বাস, সুন্দর একটা নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে এখন বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে। সুতরাং এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এটি আমার জন্য এক ধরনের ভাগ্যের কথা।
আরও পড়ুন: যেকোনো বাধা উপেক্ষা করে ফুটপাত দখলমুক্ত করবে ডিএনসিসি প্রশাসক
সিইসি বলেন, দেশবাসী, পুরা জাতি এবং বিশ্ববাসী জানে, আমাদের একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আপনারা সবাই জানেন, ১৯৯১ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল। এর পর আর হয়নি। এ কারণে আমরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা অভ্যস্ত নই। সংসদ সচিবালয় যেখানে গভীরভাবে ইনভলভ থাকে, তারা এই ধরনের কার্যক্রমে অভ্যস্ত না। তবে, আমরা যত রকমের কাজ করা সম্ভব এবং প্রয়োজন, তা করেছি। যাতে করে আমাদের পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে কোনো গ্যাপ না থাকে।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালের আইনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা রয়েছে। আইন এবং বিধিমালার আলোকে আমরা নিশ্চিত করেছি যে কয়েকটি স্তরে এই কার্যক্রমটাকে ভাগ করা যায়। প্রথমত, যদি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে থাকে তাহলে এক ধরনের ব্যবস্থা। আর যদি অধিবেশনে না থাকে, তবে আরেক ধরনের ব্যবস্থা। এখন আমাদের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে না। অধিবেশন ডাকতে হবে, এমনও নয়। নির্বাচনের জন্য একটি বৈঠক আহ্বান করলেই চলবে। আইন অনুযায়ী এটি নির্বাচনী কর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া আছে। তিনি একটি বৈঠক আহ্বান করবেন। সংসদ সদস্যগণ ভোট দেবেন।
তিনি আরও জানান, আমরা এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছি। আমাদের ভোটার সংখ্যা হচ্ছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। এখানে আমাদের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধী দলীয় নেতা সবই ভোটার।
সিইসি জানান, প্রথমে যখন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার এবং বিরোধী দলের নেতা ভোট দেবেন, তখন তা লাইভ টেলিকাস্ট হবে। এরপর ৫টার সময় ভোট গণনা শুরু হলে, আবারও লাইভ টেলিকাস্ট হবে। সংসদ সদস্যরা যেহেতু ভোটার, তারা ভোট দিয়েই চলে যাবেন, এমন নয়, তারা উপস্থিত থাকতে পারবেন। তারা ভোট গণনার সময়ও থাকতে পারবেন। এটি খুব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্যে হবে। তাই এখানে কারো কোনো আপত্তির কথা হওয়ার কথা নয়।
আরও পড়ুন: সউদীর দাম্মাম ও রিয়াদে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত
কোন প্রার্থী কতটি ভোট পেল, কতটি ভোট বাতিল বা নষ্ট হলো, এসব সংখ্যা বিস্তারিত আমি ঘোষণা করব। যিনি বিজয়ী হবেন অথবা যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পাবেন, তার নাম ঘোষণা করে দিব। এর পর গেজেট প্রকাশ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন