সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৭ পি.এম
ডেঙ্গু মশার বিস্তাররোধের লক্ষ্যে দেশব্যাপী তিন মাসের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে পিরোজপুর জেলার মঠবড়িয়া উপজেলা প্রশাসন শনিবার দুপুরে একটি পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে।
আজ শনিবার সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাউর রাব্বি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মঠবাড়িয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হন।
এরপর উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে বের করা হয়।
এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন্নেসা সুমি, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কে এম হুমায়ুন কবির ও নিজামুল কবির মিরাজ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্কাউট সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অবশেষে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি পৌর নাগরিকদের ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সচেতন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের ওপর নির্ভরশীল থাকা উচিত নয়। বরং, তাদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা প্রয়োজন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি, মানবিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেমের বিকাশ ঘটবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দময় এবং মানবিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
মুন্সিগঞ্জের হরগঙ্গা কলেজের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। ভাইস-চ্যান্সেলর আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার মান উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করে যাচ্ছে। কলেজগুলোর বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে সরাসরি জানতে এ ধরনের মতবিনিময় সভার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
হরগঙ্গা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি এবং প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, কলেজটির অনার্স, প্রিলিমিনারি ও মাস্টার্সসহ বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রমের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মতবিনিময় সভার শেষে ভাইস-চ্যান্সেলর কলেজ ক্যাম্পাসে একটি বনজ ও ফল গাছ রোপণ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান রতন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ. কে. এম. ইরাদত, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল করিম, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মোঃ মেনহাজুল আলম (পিপিএম), সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম এবং মুন্সীগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর নিশাত নাহার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জলবায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণের বিধিনিষেধগুলো তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে কয়লা ও গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার এ বিষয়ে ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন ২০২৪ সালে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর করেছিল। এই বিধিনিষেধের আওতায় কয়লা ও গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে প্রায় সব ধরনের কার্বন নিঃসরণ বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।
বার্তা সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে।
ব্লুমবার্গ নিউজ এবং নিউইয়র্ক টাইমস রোববার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিএ) প্রশাসক লি জেলডিন হিউস্টনে জি-২০ জ্বালানিমন্ত্রীদের বৈঠকে এই পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বিধিতে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পারদ, আর্সেনিক এবং অন্যান্য দূষণকারী পদার্থের নিঃসরণে কিছু নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে।
গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের ক্ষেত্রে কয়লা সবচেয়ে বেশি দূষণকারী জ্বালানি হিসেবে পরিচিত। এটি জলবায়ু পরিবর্তনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ট্রাম্প প্রায়ই মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘ধাপ্পাবাজি’ বলে অভিহিত করেন। গত বছর ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে তিনি বেশ কিছু পরিবেশগত বিধিনিষেধ বাতিলের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে অনেক বিধিনিষেধ জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার সীমিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু ঘটেছে। তাদের মধ্যে একজন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অপরজন ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ মৃত্যুর ফলে চলতি বছরে হাসপাতালটিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ জনে পৌঁছেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ডেঙ্গু পরিস্থিতির সামারিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৫ জন রোগী ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫৮ জন।
বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৩১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৩ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ছয়জন শিশু রয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি মারা যাওয়া দুজন হলেন ভালুকা উপজেলার রাশিদা খাতুন (৪২) এবং গাজীপুরের শ্রীপুরের জাফর আলী (৭০)।
রাশিদা খাতুন ভালুকা উপজেলার নুর হোসেনের স্ত্রী। তিনি ১১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জাফর আলী গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জৈনা বাজার এলাকার মৃত আব্দুল হোসেনের ছেলে। তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর প্রাথমিক কারণ হিসেবে এক্সপ্যান্ডেড ডেঙ্গু সিনড্রোমের সঙ্গে তীব্র শ্বাসকষ্ট, সেপসিস, সেপটিক শক ও রক্ত জমাট বাঁধার জটিলতা (ডিআইসি) উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছর এ পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২ হাজার ১৭৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৮ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ফোকাল পারসন অধ্যাপক ডা. এমদাদুল্লাহ খান জানান, ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। প্রতিদিন নতুন করে রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন এবং অনেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে পারে। বিশেষ করে জটিলতা দেখা দিলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। তাই জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভর্তি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৫-২৬ ইনসেনটিভ স্কিমের চার মাসে ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড ওয়াকারু ৩১ লাখ ২৮ হাজার ৩০৪ জোড়া জুতা বিক্রি করেছে। এই সাফল্যের জন্য শীর্ষ ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের প্রতিষ্ঠানটি সম্মাননা প্রদান করেছে।
এই উপলক্ষে ঢাকার লে-মেরিডিয়ানে ওয়াকারু ইনসেনটিভ স্কিমের সমাপনী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সাল থেকে প্রতিবছর আয়োজন করা এই ইনসেনটিভ স্কিমের এবারের সময়কাল ছিল ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ মার্চ পর্যন্ত। এতে ওয়াকারুর ১০ হাজারের বেশি খুচরা বিক্রেতা এবং শীর্ষ পাইকার ও ডিলার অংশগ্রহণ করেন।
সমাপনী সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৩২০ জনের বেশি ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা উপস্থিত ছিলেন। বিতরণ চেইনের বিভিন্ন স্তরের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নগদ পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো—বেস্ট ডিলার, হোলসেলার, রিটেইল মেগা ডিসপ্লে, পিইউ, ইভিএ এবং বেস্ট ইমার্জিং ডিলার।
পুরস্কার বিতরণ করেন ওয়াকারু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ভি নৌশাদ, গ্রুপের পরিচালক ভি আব্দুল রশিদ এবং ওয়াকারু বাংলাদেশের পরিচালক ড. শামীম ইমাম ও রামেশ উম্মের। অনুষ্ঠানে ব্র্যান্ডটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা আফরান নিশোও উপস্থিত ছিলেন।
ভি নৌশাদ বলেন, "চার মাসে ৩১ লাখের বেশি জোড়া জুতা বিক্রির কৃতিত্ব তাঁদের, যাঁদের দোকানে ওয়াকারুর পণ্য জায়গা করে নিয়েছে।" তিনি এও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ এখন তাদের গ্রুপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার।
২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা হওয়া ওয়াকারু ২০১৮ সালে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশ করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশেই পুরুষ, নারী, শিশু, স্পোর্টস, পিইউ ও ইভিএ ক্যাটাগরির জুতা তৈরি করছে। তাদের সংগ্রহে দেড় শতাধিক ডিজাইন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ওয়াকারুর বিভিন্ন ফুটওয়্যার সংগ্রহ প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ডিলারদের সামনে প্রথমবারের মতো ‘ফ্লিপফ্লপজ’ নামে ফ্লিপ-ফ্লপ ক্যাটাগরির নতুন পণ্য উন্মোচন করা হয়। এটি শিগগিরই বাজারে আসবে বলে জানানো হয়।
রামেশ উম্মের বলেন, "শুরু থেকেই তাদের লক্ষ্য সাধ্যের মধ্যে ভালো মানের পণ্য বাজারজাত করা।" তিনি দাবি করেন যে, এ কারণেই প্রতিবছর তাদের নেটওয়ার্ক বড় হচ্ছে।
ঢাকায় ওয়াকারুর দুটি উৎপাদন কারখানা ও দুটি গুদাম রয়েছে। এসব কারখানায় দৈনিক ৪০ হাজার জোড়া জুতা উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। নিজস্ব ডিজাইন স্টুডিও থেকে প্রতি মাসে গড়ে ১৫টি নতুন ডিজাইন বাজারে আনা হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে সরাসরি এক হাজারের বেশি কর্মী কাজ করেন। পরোক্ষভাবে আরও প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানানো হয়।
ম্যাজিক ও মিউজিক্যাল শো এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ