০৮:০৬ পি.এম
টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী।
এই অবস্থায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার সমান উচ্চতায় প্রবাহিত হয়। উল্লেখ্য, এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।
আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে প্রশাসনের সভা, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশনা
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৬টা ও ৯টায় তিস্তার পানি সমতল ছিল ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে সকাল ১১টায় ৫২ দশমিক ২৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়, যা বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।
এরপর দুপুর ১২টায় পানির সমতল ৫২ দশমিক ২১ সেন্টিমিটার, দুপুর ২টায় ৫২ দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার, বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার এবং বিকেল ৪টায় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়। অর্থাৎ, বিকেল ৪টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার সমান উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।
এদিকে সকালে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানান, সকালে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি কমতে শুরু করেছে। মানুষের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেনি, এটি স্বস্তির বিষয়।
আরও পড়ুন: সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, মধ্যরাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।
এছাড়া, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি কমতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি বৃদ্ধির শঙ্কা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন