ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি


তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি

টানা ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে আবারও ফুঁসে উঠেছে তিস্তা নদী।

এই অবস্থায় নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার সমান উচ্চতায় প্রবাহিত হয়। উল্লেখ্য, এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

আরও পড়ুন: রাঙ্গামাটিতে রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে প্রশাসনের সভা, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশনা

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৬টা ও ৯টায় তিস্তার পানি সমতল ছিল ৫২ দশমিক ২৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর দুই ঘণ্টার ব্যবধানে পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে সকাল ১১টায় ৫২ দশমিক ২৩ সেন্টিমিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হয়, যা বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।

এরপর দুপুর ১২টায় পানির সমতল ৫২ দশমিক ২১ সেন্টিমিটার, দুপুর ২টায় ৫২ দশমিক ১৭ সেন্টিমিটার, বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার এবং বিকেল ৪টায় ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার রেকর্ড করা হয়। অর্থাৎ, বিকেল ৪টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার সমান উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছিল।

এদিকে সকালে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে।

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহীন জানান, সকালে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি কমতে শুরু করেছে। মানুষের বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেনি, এটি স্বস্তির বিষয়।

আরও পড়ুন: সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার হোসেন মারা গেছেন

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, মধ্যরাত থেকে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করে। সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

এছাড়া, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি কমতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় পানি বৃদ্ধির শঙ্কা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না, রাঙামাটিতে পিসিএনপির শোকসভায় বক্তারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ ‎মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না, রাঙামাটিতে পিসিএনপির শোকসভায় বক্তারা

গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) এর উদ্যোগে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৪টায় আয়োজন রেস্টুরেন্টে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শোকসভায় বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্তব্য করেন, তাঁদের আত্মদান দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অনন্য প্রেরণা হয়ে থাকবে।

বক্তরা আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনো বৈষম্য বিরাজ করছে। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশে এ ধরনের বৈষম্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সমঅধিকার নিশ্চিত করা গেলেই জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত সফলতা আসবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হারুন অর রশিদ। প্রধান বক্তা ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও বিশিষ্ট সাংবাদিক মোহাম্মদ সোলায়মান।

বক্তব্য দেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের জেলা অর্থ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ পেয়ার আহমেদ খান এবং এনসিপি নেতা শহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম। সঞ্চালনা করেন নাগরিক পরিষদ নেতা মোহাম্মদ রকিব হোসেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা আয়োজনে পাবনায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


নানা আয়োজনে পাবনায় পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

পাবনায় যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য এবং দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে সাড়ে ৭টায় জেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের বিভিন্ন কর্মসূচির সূচনা হয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তির কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

পরবর্তীতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, পাবনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব, জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ, এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জহুরুল ইসলাম বিশু। এছাড়াও পাবনা প্রেসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনেরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা মন্তব্য করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি স্বর্ণোজ্জ্বল ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। স্বৈরাচারবিরোধী এই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতিকে সর্বদা স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সত্য ইতিহাস, মূল চেতনা এবং আত্মত্যাগের সঠিক বার্তা পৌঁছাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলা সদরের পাশাপাশি পাবনার সব উপজেলাতেও উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক সংগঠনের অংশগ্রহণে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বজ্রপাত রোধে ৫ কিলোমিটার সড়কে ২৩০০ তালগাছ রোপণের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


চট্টগ্রামে বজ্রপাত রোধে ৫ কিলোমিটার সড়কে ২৩০০ তালগাছ রোপণের উদ্যোগ

চট্টগ্রাম, ৫ আগস্ট, ২০২৬ : প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় বজ্রপাতে প্রাণহানির ঘটনা এখন নিয়মিত হয়ে উঠেছে। এই ঝুঁকি থেকে পরিবেশ ও মানুষকে রক্ষা করার জন্য এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন জেলার মিরসরাইয়ের তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা ও প্রকৃতিপ্রেমী মো. ওমর শরীফ। তিনি উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ২ হাজার ৩০০ তালগাছের চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের ছত্তর ভূঁইয়ারহাট এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চারা রোপণের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

উদ্বোধনের আয়োজনে মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘কালের বিবর্তনে আমাদের দেশ থেকে তাল ও খেজুর গাছ প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে। অথচ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং বিশেষ করে বজ্রপাত রোধে তালগাছের ভূমিকা অপরিসীম। ওমর শরীফের এই সময়োপযোগী এবং দায়িত্বশীল উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’ তিনি পরিবেশ রক্ষার জন্য এই চারাগুলোর সঠিক পরিচর্যা করতে স্থানীয়দের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

উদ্যোক্তা ওমর শরীফ বলেন, ‘প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করে থাকি। কিন্তু বর্তমানে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সরকারের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি জানান, ঠাকুরদীঘি থেকে ছত্তর ভূঁইয়ারহাট পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুই পাশে ধাপে ধাপে এসব তালের চারা রোপণ করা হবে।

জোহরা অ্যাগ্রো ফার্মস অ্যান্ড নার্সারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর শরীফের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগে সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা অংশ নিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আলিউল কবির ইকবাল, কাটাছরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর গণভোজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর গণভোজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ১৯ আবাসিক হল মিলিয়ে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থীকে নিয়ে একটি গণভোজ এবং স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা, শহীদদের স্মরণ করা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ পরিষদের সহযোগিতায় বুধবার (৫ আগস্ট) এই বিশেষ গণভোজের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা মোট ১৩ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক হলে ৪৪০ জন, শাহ্ মখদুম হলে ৬৬০ জন, নবাব আব্দুল লতিফ হল ৬২০ জন, সৈয়দ আমীর আলী হল ৫৫৩ জন, শহীদ শামসুজ্জোহা হল ৭২০ জন, শহীদ হবিবুর রহমান হল ১ হাজার ২৬২ জন, মতিহার হল ৮০০ জন, মাদার বখশ হল ৯৫০ জন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল ৮৫০ জন, শহীদ জিয়াউর রহমান হল ৯৯২ জন, বিজয় ২৪ হল ৮০০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেন।

এছাড়া, মন্নুজান হল ১ হাজার ১২ জন, রোকেয়া হল ৯২৮ জন, তাপসী রাবেয়া হল ৫৭০ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৬৬০ জন, রহমতুন্নেসা হল ৭৩৬ জন, জুলাই ৩৬ হল ১ হাজার ২৪০ জন, বিজয় ৭১ এবং শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ডরমিটরিতে ৩৭ জন শিক্ষার্থী এই গণভোজে অংশগ্রহণ করেন।

বিশেষ এই গণভোজে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবার হিসেবে পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, ডাল মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিবেশন করা হয়।

মতিহার হলের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান রাজু বলেন, “প্রশাসনের উদ্যোগে হল থেকে আজকে যে খাবার বিতরণ করা হলো তা খুব ভালো ছিলো। এমন আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। সুন্দর রান্নার জন্য রাধুনিকেও ধন্যবাদ জানাই।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও মাদারবক্স হলের প্রাধ্যক্ষ ড. শাহ হোসেন আহমেদ মেহেদী বলেন, “আজকের আয়োজনে আমরা সবগুলো হল মিলে ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন এর জন্য আয়োজন করেছি। আমরা মনে করছি শিক্ষার্থীদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি সার্বিকভাবে সফল হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আয়োজনের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরাসরি কোন অভিযোগ আসেনি। তবে এতবড় আয়োজনে দুই-এক জনের একটু সমস্যা হতে পারে। যেহেতু অনেকগুলো পাত্রে রান্না হয়, কোনকিছু কমবেশি হতেই পারে। আমরা একই মেনুতে রান্না করে সর্বোচ্চ ভালো করার চেষ্টা করেছি। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই সন্তুষ্ট বলে আমার মনে হয়।”

জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. এস এম কামরুজ্জামান বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে। এটাতো একটা আনন্দের দিন এবং সবাই এটাকে উৎযাপন করছে এজন্যই আমরা আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছি। ১৩ হাজার ৮ শত ৩০ জন শিক্ষার্থী টোকেন কিনেছিলো এবং এর বাইরেও অনেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। আয়োজনে সবকিছু ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো কোন অভিযোগ আসেনি।”

জুলাইয়ের তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, “জুলাই মানে আমাদের শক্তি, সাহস এবং আমাদের পথচলা। জুলাই গত ১৭ বছরের বঞ্চনা থেকে একটি মুক্তির দিন। জুলাই সাধারণ মানুষের ওপর বিভিন্ন অন্যায় নির্যাতনের জবাব।”

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়, সাড়ে ১০ টায় আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এর কিছু সময় পর সিনেট ভবন চত্বরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় বৃক্ষরোপণ করেন। বেলা ১১টায় সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয় “জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারুণ্যের প্রত্যয়; গণতন্ত্রের অঙ্গীকার ও নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা” শীর্ষক আলোচনা সভা। এরপর বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%