০১:৫১ এম
পাবনার ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনে সান্টিং ইঞ্জিনের ধাক্কায় অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। এই ঘটনা গত শুক্রবার রাতের। ঘটনার পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর একপর্যায়ে যাত্রীদের ধাওয়ায় সান্টিং ইঞ্জিনের লোকোমাস্টার পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।
ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি সেখানে উপস্থিত হয়ে আহত যাত্রীদের খোঁজখবর নেন এবং রেল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রেলওয়ে পুলিশের সঙ্গে কথাও বলেন।
এই বিষয়ে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. আসলাম হোসেন জানান, খুলনা থেকে রাজশাহীগামী মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল, তখন একটি সান্টিং ইঞ্জিন পেছন দিক থেকে এসে মহানন্দা ট্রেনটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এর ফলে ট্রেনটির ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উপড়ে পড়া গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক
ঈশ্বরদী রেলওয়ে জিআরপি থানার ওসি মো. জিয়াউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আহত যাত্রীদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এর পর মহানন্দা এক্সপ্রেস রাজশাহীর উদ্দেশে যাত্রা করে।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর যাত্রীরা চালককে ধাওয়া করেন, তবে তিনি প্রথমে সেখান থেকে চলে যান। পরে আবার ফিরে আসেন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই এমপি অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল স্টেশন গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন। তিনি আহত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের চিকিৎসা ও সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এ সময় তিনি বলেন, "রেলযাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না। কীভাবে সান্টিং ইঞ্জিনটি মহানন্দা এক্সপ্রেসের পেছনে গিয়ে ধাক্কা দিল, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে। দায়িত্বে কারও অবহেলা থাকলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
আরও পড়ুন: চুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম ৩৬ দিন পর আংশিক শুরু, আন্দোলন অব্যাহত
দুর্ঘটনার কারণ ও দায়িত্বে কারও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন