ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বেতন ছাড়াও রাষ্ট্রপতি যেসব সুবিধা পাবেন


বেতন ছাড়াও রাষ্ট্রপতি যেসব সুবিধা পাবেন

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৫টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে তিনি শপথ নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতির বেতন, রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও সাংবিধানিক ক্ষমতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে খুবই আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির বেতন ও সুবিধা ‘দ্য প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (সংশোধন) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আয়করমুক্ত। বেতনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির আপ্যায়ন ও বিনোদনের জন্য বার্ষিক ভাতা থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন হলো বঙ্গভবন। বঙ্গভবনের সাজসজ্জা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বহন করা হয়। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য রাষ্ট্রপতি সরকারি গাড়ি ও প্রয়োজনীয় পরিবহন সুবিধা পান। বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও সরকার নির্ধারিত হারে ভাতা পাওয়ার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতির জন্য স্বেচ্ছাধীন তহবিল রয়েছে। এ তহবিলে বছরে ২ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকে। রাষ্ট্রপতির বিবেচনায় বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা প্রদানের জন্য এ অর্থ ব্যয় করা যেতে পারে। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে। তাঁরা দেশের যেকোনো হাসপাতালে বিনা মূল্যে চিকিৎসা নিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শে যদি বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তবে সে ব্যয়ও সরকার বহন করে। রাষ্ট্রপতির বিমানভ্রমণের জন্যও বিশেষ সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে এ সুবিধার পরিমাণ বছরে ২৭ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের আগে এই সুবিধা ছিল ১৫ লাখ টাকা। এর মানে হল, রাষ্ট্রপতির জন্য সরকারি বাসভবন, গাড়ি ও পরিবহন, চিকিৎসা, বিদেশ সফরের ভাতা, আপ্যায়ন এবং বিমানভ্রমণের মধ্যে যে রাষ্ট্রীয় সুবিধাগুলো রয়েছে, সেগুলো অর্থ সহায়ক। রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে বাধ্য নন দুটি বিশেষ ক্ষেত্রে, যা হলো প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দল যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তাহলে সাধারণত ওই দলের সংসদীয় দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন। তবে যদি কোন দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন না করে, তবে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রনীতি-সংক্রান্ত বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখেন। রাষ্ট্রপতি যদি কোনো বিষয় মন্ত্রিসভার বিবেচনার জন্য পাঠাতে চান, তবে প্রধানমন্ত্রী তা মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আদালত তদন্ত করতে পারে না। রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দণ্ড মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফ করা। সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া দণ্ডকে মার্জনা, স্থগিত, হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁর সাংবিধানিক দায়মুক্তি রয়েছে। তাঁর কার্যকাল চলাকালীন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা করা যায় না। তাঁকে গ্রেপ্তার কিংবা কারাগারে পাঠানোর জন্য আদালত থেকে পরোয়ানা জারি করা যায় না। তবে রাষ্ট্রপতি সম্পূর্ণ অপসারণের বাইরে নন। সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে সংসদীয় প্রক্রিয়ায় তাঁকে অভিশংসন করা যেতে পারে। শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে তাঁকে অপসারণের বিধানও রয়েছে। অভিশংসনের ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষরযুক্ত অভিযোগ স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করা হয়। এরপর সংসদ সদস্যদের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পাস হলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হয়ে যায়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর, তবে উত্তরাধিকারী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি পদে বহাল থাকতে থাকেন। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে আবদুল হামিদ পরপর দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিনাজপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাপের বিষ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:২৯ পি.এম


দিনাজপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাপের বিষ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় বিজিবি সদস্যদের একটি বিশেষ অভিযানে ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৮শ’ টাকা মূল্যের সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর ৪২ বডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন।

বিজিবি সূত্র জানাচ্ছে, ১৩ আগস্ট দুপুর দেড়টা নাগাদ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন ৪২ বিজিবি, দিনাজপুর র‌্যাব-১৩ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ অভিযানিক দল জেলার চিরিরবন্দর উপজেলার আমবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৪ জনকে আটক করা হয়।

আবিদানে আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৩টি কাচের জারে আনুমানিক ৫ কেজি ৭শ’ গ্রাম সাপের বিষ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও একটি প্রাইভেটকার, দু’টি মোটরসাইকেল, ৪টি মোবাইল ফোন এবং ৬টি সিমকার্ডও জব্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন চিরিরবন্দর উপজেলার দামুর গ্রামের মো. মোখলেছুর রহমানের পুত্র মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৩), দিনাজপুর শহরের ছোট গুড়গোলা মহল্লার শহিদুল ইসলামের পুত্র মো. সালাউদ্দিন সান্জু (৪১), ফুলবাড়ী উপজেলার খেতদিঘী গ্রামের আব্দুল মজিদের পুত্র মো. আনিছুর রহমান (৫৫) এবং বিরামপুর উপজেলার কুন্দনহাট গ্রামের মোবারক আলীর পুত্র মো. উজ্জল আলী (৫৪)।

বিজিবি’র সূত্র জানাচ্ছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছে। তারা পূর্বে বিভিন্ন সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশে সাপের বিষ পাচার করেছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে। উদ্ধার সাপের বিষই বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল বলেও বিজিবি’র সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিজিবি জানাচ্ছে, উদ্ধার সাপের বিষ, যানবাহন এবং অন্যান্য মালামালের মোট সিজার মূল্য ৩৮ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার ৮শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আটকদের গত ১৩ আগস্ট উদ্ধার করা মালামালসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিরিরবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পরে আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরিতে উদ্ধার করা নমুনার রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় নমুনাটি সাপের বিষ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য শুক্রবার রাতে হাবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ বিজিবিসহ যৌথ বাহিনী অভিযান টিমকে পত্রের মাধ্যমে অবগত করেছে। ফলে উদ্ধার আলামত সাপের বিষ এবং মূল্যবান সম্পদ বিদেশে পাচারে প্রস্তুতির বিষয় নিশ্চিত হয়েছে। এই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের গতকাল শুক্রবার রাতে অবহিত করা হয়।

দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন ৪২ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বাসস’কে জানান, অতি মূল্যবান সম্পদ ও বন্যপ্রাণীজাত পণ্যসহ যে কোন অবৈধ দ্রব্যের পাচার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনেও বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ রয়েছে।

জেলার চিরিরবন্দর থানার ওসি পরিদর্শক মো. মাহামুদুন নবী জানান, আজ শুক্রবার রাতে দিনাজপুর হাবিপ্রবি থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানের উদ্ধার আলামত পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত রিপোর্টে উদ্ধার আলামত সাপের বিষ হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি জানান, শুক্রবার রাতে বিজিবি’র পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার ৪ জন এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে চিরিরবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ শনিবার গ্রেপ্তার ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। বিচারক আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করলে জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের গডফাদারদের গ্রেপ্তারসহ আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান খানের জিমে অগ্নিকাণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


সালমান খানের জিমে অগ্নিকাণ্ড

দিল্লির একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে সালমান খানের জিমে বৃহস্পতিবার রাতে আগুনের ঘটনা ঘটে। এই জিমটি গ্রেটার কৈলাশ-১ এলাকার এম ব্লক মার্কেটে অবস্থিত। তবে, দ্রুত সকলকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ফলে কোনো হতাহত হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে জিমটির প্রথম তলায় আগুন লাগে। খবর পাওয়া মাত্রই দিল্লি পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যায়। আগুন লাগার পর, দমকল বাহিনী আসার আগেই পুলিশ সদস্যরা জিমের ভেতরে থাকা সকলকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন।

পরে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। অতি শিগগিরই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এতে করে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের ঘটনা ঘটে নেই বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, শর্ট সার্কিটের ফলেই আগুন লাগতে পারে। ঘটনার সঠিক কারণ জানতে জিমের ভেতরের পরিস্থিতি এবং আশপাশের বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর, পুলিশ জিমটির জায়গাটি নিরাপত্তার জন্য নিয়ন্ত্রণে নেয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি সালমান খানের জিম ব্র্যান্ডের অধীনে পরিচালিত একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। সালমান খান দীর্ঘদিন ধরে শরীরচর্চা ও ফিটনেসের সঙ্গে যুক্ত আছেন। তার ফিটনেস ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে এবার দিল্লির ব্যস্ত এম ব্লক মার্কেট এলাকায় আগুন লাগার ঘটনা সাময়িক উদ্বেগ তৈরি করেছে।

তবে পুলিশের দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা ও দমকল বাহিনীর কার্যক্রমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় প্রাণহানি বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এখন জিমটিতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যদি কিছু থেকে থাকে, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেললাইনের পাশে হেঁটে যাচ্ছিল শ্রবণ প্রতিবন্ধী, তারপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


রেললাইনের পাশে হেঁটে যাচ্ছিল শ্রবণ প্রতিবন্ধী, তারপর...

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রেনের ধাক্কায় এক শ্রবণ প্রতিবন্ধী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনা ঘটে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে এগারোটায়, যখন উপজেলার ছাপড়া মসজিদ এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

নিহতের নাম অমর দাস (৫০), তিনি সুনামগঞ্জ জেলার শালনা থানার আঙ্গুরিয়া গ্রামের হরিধন দাসের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায় যে, অমর দাস অনেক দিন আগে সুনামগঞ্জ থেকে কর্মসংস্থানের তাগিদে পরিবারসহ কালিয়াকৈরে চলে আসেন। তিনি উপজেলার ছাপড়া মসজিদ এলাকায় রিয়াজের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং সেখানে তার ছেলে সন্তানও ছিল।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় অমর দাস রেললাইনের পাশে হাঁটছিলেন, সেই সময় তাকে একটি ট্রেন ধাক্কা মারে। পরে তিনি গুরুতর আহত হন এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই বিষয়ে গাজীপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক জানিয়েছেন যে, বিষয়টি এখনও ওই এলাকার রেল স্টেশন মাস্টারের কাছে পৌঁছায়নি। তবে জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ সালের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের কথা ভাবছে চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


২০২৮ সালের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন আয়োজনের কথা ভাবছে চীন

বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় নিজেদের নেতৃত্বের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করতে চীন ২০২৮ সালের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন (কপ-৩৩) আয়োজনের জন্য প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে।

এই বিষয়ে অবগত দুটি সূত্র শুক্রবার এএফপিকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তবে চীন কপ-৩৩ আয়োজনের বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়নি। চলতি বছরেই সম্মেলনের আয়োজক দেশ নির্ধারণ করতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতাও নেই।

এখনও পর্যন্ত কপ-৩৩ আয়োজনের উদ্দেশ্যে চীনের আগ্রহের খবর প্রথম প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ নিউজ।

জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনগুলো বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের মধ্যে পালাক্রমে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। চলতি বছরের কপ-৩১ তুরস্কে অনুষ্ঠিত হবে এবং ২০২৭ সালের কপ-৩২ ইথিওপিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৮ সালের সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ওপর পড়বে।

গত এপ্রিল মাসে ভারত কপ-৩৩ আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নেয়। তবে কেন এই প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে জানায়নি দেশটি। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়াও সম্মেলনটি আয়োজনের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।

চীনের এই সম্ভাব্য উদ্যোগের বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) সচিবালয় এএফপিকে জানিয়েছে, কপ-৩৩-এর আয়োজক দেশ হিসেবে কোনো দেশের নাম এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক জোট তাদের জানায়নি।

সচিবালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো দেশ আয়োজক হওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক জোটের সদস্য দেশগুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে। ঐকমত্যে পৌঁছানোর পর আঞ্চলিক জোটের চেয়ারম্যান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের সচিবালয়ে আয়োজক দেশের নাম প্রস্তাব করেন।

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিপরীতে নিজেদের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ়ভাবে তুলে ধরছে চীন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে দ্বিতীয়বারের মতো বের হয়ে গেছে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন আয়োজন করা চীনের জন্য নিজেদের জলবায়ু নেতৃত্বের দাবি আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে চীনের এখানে একটি অর্থনৈতিক স্বার্থও রয়েছে। এই দেশটি সৌর প্যানেল, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ুবিদ্যুৎ টারবাইন ও ব্যাটারিসহ বিভিন্ন পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি রপ্তানিতে শীর্ষস্থানীয়।

যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কও এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে যদি চীন সম্মেলন আয়োজন করে, তখন তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে নিজেদের রেকর্ড নিয়ে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হতে পারে। ১৪০ কোটির বেশি জনসংখ্যা এবং বিশাল শিল্প উৎপাদনের জন্য চীন বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ। এর পরে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

চীন ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষতা অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে অর্থনীতিজুড়ে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ সর্বোচ্চ পর্যায়ের তুলনায় শুধুমাত্র ৭ থেকে ১০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

একটি সূত্র জানিয়েছে, কপ-৩৩ আয়োজনের বিষয়টি পর্যালোচনার সময় চীন যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের গতিপ্রকৃতিও বিবেচনায় নিচ্ছে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও বারাক ওবামার সময় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র-চীন সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ২০২৮ সালে যদি কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তাহলে কপ-৩৩ দুই দেশের মধ্যে নতুন করে জলবায়ু সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

সম্মেলনটি সম্ভবত ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েক দিন পরে অনুষ্ঠিত হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ই৩জি-এর বিশেষজ্ঞ অ্যালডেন মেয়ার এএফপিকে বলেছেন, গত ৩৫ বছরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক কখনো অগ্রগতির, আবার কখনো উত্তেজনার কারণ হয়েছে। আগামী মার্কিন নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%