০৪:৪৫ পি.এম
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সুয়াদি এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস উঠে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সুয়াদি গ্রামের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যান। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা দুর্ঘটনাকবলিত বাসসহ অন্তত ছয়টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে। এর ফলস্বরূপ শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা থেকে রাত প্রায় দেড়টা পর্যন্ত ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন জানান, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে। তিনি জানান, বৈরি আবহাওয়া এবং নিহতদের দাফন নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকায় মামলা করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বাসটির ব্রেক ফেল হওয়ার ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ওসি হেলালউদ্দিনের ভাষ্যমত, প্রায় আধা কিলোমিটার আগে থেকেই বাসটির ব্রেক বিকল হয়ে যায় এবং স্টিয়ারিং লক হয়ে যায়। এ কারণে চালক গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসিটি মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের উপর উঠে যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন