ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গুজরাটে কিশোরী মেয়েকে যৌন নির্যাতন, বাবার বিরুদ্ধে মা ভিডিও ধারণ করলেন


গুজরাটে কিশোরী মেয়েকে যৌন নির্যাতন, বাবার বিরুদ্ধে মা ভিডিও ধারণ করলেন

ভারতের গুজরাতের অঞ্জারের নিকট একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। কচ্ছ ইস্ট পুলিশ ১৪ বছরের এক কিশোরীকে নিজ ঘরে ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা ও মাকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ করা হয়েছে, কিশোরীর মা ঘটনার সময় পুরো বিষয়টি নিজের মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।

শুক্রবার রাতে অঞ্জার থানায় উপস্থিত হয়ে কিশোরী তার ওপর ঘটে যাওয়া নির্যাতনের বিস্তারিত বিবরণ দেন, যার পর পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতিকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রমাণ হিসেবে মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে এবং তাতে অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিশোরীটিকে তার এক বন্ধু বা পরিচিত ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে দেখে তার বাবা ক্ষিপ্ত হয়ে যান। রাগের মাথায় তিনি মেয়ের ফোনটি ভেঙে দেন, তাকে মারধর করেন এবং স্ত্রীর সামনে ধর্ষণ করেন। এ সময় কিশোরীর মা সাহায্য করার পরিবর্তে পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করেন।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

অঞ্জার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এইচ এ জাদেজা বলেছেন, দুই-তিন দিন আগে কিশোরী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন করেছিলেন। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তার বাবা ফোন বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

অবশেষে শুক্রবার কিশোরী আবার একটি ফোন জোগাড় করে '১১২' নম্বরে কল দেন এবং জানিয়ে দেন যে তার ওপর যৌন নির্যাতন হচ্ছে। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে, মামলা দায়ের করে এবং রাতেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ আরও জানায়, মূলত উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা এই পরিবারটি গত ছয় বছর ধরে অঞ্জারের কাছে দিনমজুর হিসেবে বসবাস করে আসছে। দম্পতির চার কন্যার মধ্যে নির্যাতিতা কিশোরীটি সবার বড়।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ধর্ষণের ধারা এবং পকসো আইনের অধীনে নাবালিকার ওপর গুরুতর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


ফরিদপুরে হাতি দিয়ে টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তায় হাতি নিয়ে বিভিন্ন দোকান এবং পথচারীদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের একটি ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে। ব্যস্ত বাজারে এভাবে টাকা তোলার ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং পথচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ এবং কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, দুপুরের সময় এক মাহুত হাতি নিয়ে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা এলাকায় উপস্থিত হন। এরপর হাতিটিকে বিভিন্ন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা চাইতে দেখা যায়। হাতি দোকানের সামনে আসলে অনেক পথচারী এবং ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে টাকা দেন।

বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দোকানের সামনে হাতি এসে দাঁড়ালে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অনেকেই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এভাবে প্রতিদিন টাকা তোলা হলে বাজার এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের চৌরাস্তা একটি অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকা। যেকোনো মুহূর্তে হাতিটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি হচ্ছে। হাতি নিয়ে এভাবে টাকা তোলার জন্য কোনো আইনি অনুমোদন রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বন বিভাগ এবং প্রশাসনের স্পষ্ট বক্তব্য দাবি করেছেন তারা।

বিষয়টি নজরে আনলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বন কর্মকর্তা শেখ লিটন জানান, হাতি দিয়ে টাকা সংগ্রহের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার বলেন, "সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলে মাহুত হাতি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন স্থানীয়রা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়ার ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের মাধ্যমে চলছে প্রাথমিক শিক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


কুলাউড়ার ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের মাধ্যমে চলছে প্রাথমিক শিক্ষা

কুলাউড়া উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং ৬৫টি স্কুল চরম জনবল সংকটে ভুগছে। এই সংকটের কারণে উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শিক্ষাক্ষেত্রে মারাত্মক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ৯ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মধ্যে ২ জন কর্মরত থাকলেও ৭ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য রয়েছে। উপজেলা জুড়ে ১৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৫টি স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পাশাপাশি সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে ১০১টি পদও শূন্য রয়েছে।

কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সূত্রে জানা যায়, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা পদে ৯ জনের বিপরীতে মাত্র ২ জন কর্মরত আছেন। তারা হলেন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ খোরশেদ আলম এবং মো. মাহমুদ হোসাইন। এছাড়াও উচ্চমান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদে ১ জন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ৪ জনের মধ্যে ৩ জন, হিসাব সহকারী পদে ১ জন এবং অফিস সহায়ক পদে ১ জন পদটি দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

ফলে ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত বৃহত্তম কুলাউড়া উপজেলার স্কুলগুলো তদারকি করতে হিমশিম খাচ্ছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা এবং ২ সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা। কুলাউড়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৯৩টি, এর বিপরীতে ১২৮টি স্কুলে পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। ৬৫টি প্রাথমিক স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের প্রশাসনিকসহ সকল কার্যক্রম চলছে। অপরদিকে কুলাউড়ায় সহকারী শিক্ষকের ৯৮৯টি পদের মধ্যে বর্তমানে ৮৮৮ জন কর্মরত আছেন, যার ফলে সহকারী শিক্ষক পদে ১০১টি পদ শূন্য রয়েছে।

এদিকে, সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন স্কুলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কারণে শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে স্থানীয় অধিকাংশ লোকজন জানান। বিশেষ করে প্রধান শিক্ষক না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, "বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক পদ শূন্য থাকার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। শূন্য পদে নিয়োগ ও পদায়ন হলে শিক্ষক সংকট অনেকটাই কমে আসবে।"

মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিছুর রহমান জানান, "সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা পদে পুরো জেলায় ৪৪ জনের মধ্যে মাত্র ১১ জন কর্মরত রয়েছেন। তাই কুলাউড়ায় এই সংকট। এছাড়াও সহকারী শিক্ষক পদে পুরো জেলায় নতুন করে ৩৩৩ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শীঘ্রই তাদের ট্রেনিং কার্যক্রম শেষ করে বিভিন্ন স্কুলে দায়িত্ব দেওয়া হবে। প্রধান শিক্ষক পদে যে সংকট রয়েছে সেগুলো পূরণ করতে ইতিমধ্যে শিক্ষকদের মধ্যে প্রমোশন দেওয়ার জন্য আমাদের একটি টিম কাজ করছে। অচিরেই ওই সকল স্কুলে ভারপ্রাপ্তদের চাপ কমিয়ে নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালমন্দ করায় শতবর্ষী মাকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


গালমন্দ করায় শতবর্ষী মাকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

কাজের অবহেলার কারণে গালমন্দ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে গৃহকর্তার প্রায় শতবর্ষী বৃদ্ধা মাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অপরাধে মো. বাদল ওরফে বাবু (২৫) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ মোঃ হাফিজুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাদল জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার রৌহা গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের ছেলে। নিহত শতবর্ষী বৃদ্ধার নাম আহাতন, যিনি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা গ্রামের মুদি দোকানদার সেহাব উদ্দিনের মা।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পি পি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, আসামি বাদল ভূঞাপুরের ফলদা বাজারের দোকানদার সেহাব উদ্দিনের দোকান ও বাসায় কাজ করত। ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর সকালে দোকানে কাজের বিষয়ে সেহাব উদ্দিন বাদলকে পাগলের বাচ্চা বলে গালমন্দ করেন। এই কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে বাদল কাজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

ওইদিনই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সেহাব উদ্দিনের বাসায় গিয়ে কাউকে না পেয়ে সিঁড়ির গোড়ায় থাকা বটি দিয়ে সেহাবের বৃদ্ধা মা আহাতন বেওয়াকে গলা কেটে হত্যা করে বাদল। হত্যাকাণ্ডের পর সে মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে ইব্রাহিমাবাদ (বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব) রেলস্টেশনে চলে যায়। ঘটনার পরপরই পুলিশ ইব্রাহিমাবাদ রেলস্টেশন থেকে ঢাকাগামী 'চিত্রা এক্সপ্রেস' ট্রেনের টিকিটসহ বাদলকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বাদল জানায়, মালিকের ওপর ক্ষোভের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ, সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং আসামির স্বীকারোক্তি পর্যালোচনা করে আদালত বাদলকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সেবার সুযোগ বাড়াতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপের চুক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সেবার সুযোগ বাড়াতে ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপের চুক্তি

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নিত্যব্যবহার্য পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল) এবং বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা ফ্রেন্ডশিপ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল দেশের দুর্গম এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা পণ্যের প্রাপ্তি সহজ করা।

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারক ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। টেকসই স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য কমিউনিটির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় পণ্যের সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করা হবে।

এই উদ্যোগের আওতায় প্রতিষ্ঠান দুটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা, মা ও শিশুর সুস্থতা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করবে। ফ্রেন্ডশিপ কমিউনিটি মেডিকেইডস (এফসিএম)-এর উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এই অংশীদারত্ব। কার্যক্রমের কার্যকারিতা বাড়াতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি কাজ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের ডিরেক্টর, কাস্টমার স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড চ্যানেল এক্সেলেন্স, জিশান বায়েজিদ রহমান এবং ফ্রেন্ডশিপের সিনিয়র ডিরেক্টর, লিগ্যাল অ্যান্ড সিএফও, মুহাম্মদ শামীম রেজা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ২০টিরও বেশি জেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৪২ হাজার মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা, শ্যামনগর, কুষ্টিয়া, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট, মংলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, জামালপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, দক্ষিণ সুরমা, চাঁদপুর, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, কুড়িগ্রাম ও পাবনায় কার্যক্রমটি পরিচালিত হবে।

উদ্যোগটি বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি কাজ করবেন ফ্রেন্ডশিপের ৬৯০ জন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী। তাঁরা স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন এবং প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা পণ্যের প্রাপ্তি সহজ করতে সহায়তা করবেন। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডিটারজেন্ট পাউডার, কাপড় কাচার সাবান, ডিশওয়াশিং বার, টয়লেট ক্লিনার, টুথপেস্ট, গোসলের সাবান ও হ্যান্ডওয়াশ।

ফ্রেন্ডশিপের তৃণমূল পর্যায়ের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক এবং স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে ইউনিলিভার বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এই অংশীদারত্ব বিশেষ করে নারী ও শিশুদের মধ্যে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তন আনতে কাজ করবে। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার ভালো অভ্যাস গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

এই অংশীদারত্ব ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও ফ্রেন্ডশিপের দেশের দুর্গম এলাকার মানুষের দৈনন্দিন স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। প্রয়োজনীয় জ্ঞান, পণ্য ও সহায়তা লাভের সুযোগ বিস্তৃত করার মাধ্যমে সুস্থ ও সচেতন জীবনযাপনে উৎসাহিত করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%