মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ পি.এম
লক্ষ্মীপুরে চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর উদ্দেশ্যে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পাল আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে স্বর্ণালংকারগুলো।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রণজিতকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন এবং জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার। তার আগের দিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়।
এদিকে, বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এ ঘটনায় একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের মালিক। তিনি পরিবারসহ শহরের শাঁখারীপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা হলেন তমা শিল্পালয়ের পলাশ কুরী, বণিক শিল্পালয়ের সাগর বণিক, পুনম শিল্পালয়ের ঝুটন কুরী এবং শিবানী শিল্পালয়ের অসীম কর।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রায় ৩০ বছর ধরে রণজিত লক্ষ্মীপুর বাজারে ব্যবসা করে আসছেন। তার অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিল। এক ব্যবসায়ী অন্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গহনা এনে গ্রাহকদের দেখায় এবং বিক্রি করে থাকে। একইভাবে, রণজিত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৪টি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি সোনার গহনা নিয়ে আসে কিন্তু সেগুলো ফেরত দেয়নি। তার দোকান খোলা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ভাড়া বাসায়ও তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সপরিবারে পালিয়ে গেছেন।
পলাশ কুরী বলেন, সোনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে আমি লিখিত অভিযোগ করেছি, পুলিশ তাকে আটক করেছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে লক্ষ্মীপুরে নিয়ে আসা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জার্মানি এবং ইতালির দুটি উগ্র ডানপন্থী দল একত্রিত হয়ে ইউরোপে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাচ্ছে। সম্প্রতি ইতালির ওরভিয়েতো শহরে অনুষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক সমাবেশে উভয় দলের শীর্ষ নেতারা ইউরোপের জাতীয়তাবাদী দলগুলোকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রায় ৯০ বছর আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও ফ্যাসিস্ট ইতালি যেভাবে জোট গঠন করেছিল, বর্তমানের এই রাজনৈতিক সম্পর্ক সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জার্মানির কট্টর ডানপন্থী দল ‘অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি’ বা এএফডি-র জ্যেষ্ঠ নেতা মার্ক ইয়োংগেন এবং ইতালির ডানপন্থী নেতা রবার্তো ভান্নাচ্চি। সম্প্রতি জার্মানির একটি রাজ্যে এএফডি দলের ঐতিহাসিক জয়ের পর এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ইউরোপের রাজনীতিতে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি?
১৯৩৬ সালে ইতালির তৎকালীন শাসক বেনিতো মুসোলিনি জার্মানির সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন, যা ইতিহাসে ‘রোম-বার্লিন অক্ষ’ নামে পরিচিত। তিন বছর পর, দুই দেশ সামরিক ও রাজনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।
বর্তমানের দলগুলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে রাজনীতি করলেও, তাদের এই নতুন মিত্রতা ১৯৩০-এর দশকের পুরনো ইতিহাসকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।
সমাবেশের মূল কথা
ওরভিয়েতোর সমাবেশে ভান্নাচ্চি তার জার্মান সহযোগী মার্ক ইয়োংগেনের প্রশংসা করে বলেন, "তাকে নিয়ে মানুষের ভয়ের কোনো কারণ নেই, কারণ তিনি কোনো উগ্রপন্থী নন বরং একজন শ্রদ্ধেয় দর্শন অধ্যাপক।" অন্যদিকে, ইয়োংগেন মন্তব্য করেন যে জার্মানি এবং ইতালির ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নিজেদের আলাদা সত্তা ও পরিচয় বজায় রেখে একসঙ্গে চলা উচিত। তারা নিজেদেরকে ‘সহোদর দল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অভিবাসন নিয়ে কঠোর অবস্থান
এই বৈঠকের মূল আলোচনার বিষয় ছিল অভিবাসন। দুই নেতা বর্তমানের উদার অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। জার্মান নেতা ইয়োংগেন ২০১৫ সালের শরণার্থী নীতির সমালোচনা করে একে ‘বড় ধরনের চাপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, অভিবাসন সমস্যা ইতালির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানিতে বর্তমান চ্যান্সেলরের দল যখন একের পর এক নির্বাচনে হোঁচট খাচ্ছে এবং উগ্র ডানপন্থী এএফডি ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে, ঠিক সেই সময়ে এই দুই দেশের উগ্রপন্থী দলগুলোর হাত মেলানো ইউরোপের রাজনীতিতে একটি নতুন মোড় আনতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম উপকূলীয় রাজ্য ক্যালিফোর্নিয়ায় সোমবার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এল নিনোর প্রভাব মোকাবিলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
পূর্বাভাসদাতারা জানিয়েছেন, এল নিনোর কারণে আগামী কয়েক মাসে এই অঞ্চলে তীব্র ও ধ্বংসাত্মক ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। অতিরিক্ত জোয়ারের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে, যা উপকূলীয় এলাকায় বন্যার সৃষ্টি করতে পারে।
লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে এএফপি সংবাদ সংস্থার মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গভর্নর গ্যাভিন নিউজম মন্তব্য করেছেন, "সমস্যা দেখা দেওয়ার পর অপেক্ষা না করে আগেই তা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে স্থানীয় জনগণের পাশে দাঁড়ানো, জরুরি সেবাদানকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা এবং রাজ্য যে প্রস্তুত, সে বিষয়ে পরিবারগুলোর মধ্যে আস্থা তৈরি করা।"
নিউজম উল্লেখ করেছেন, "আমরা এবার এল নিনোর জন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কারণ, প্রত্যেক ক্যালিফোর্নিয়াবাসীর নিজের ঘরে নিরাপদ থাকা, নিজ সম্প্রদায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সুরক্ষা নিশ্চিত করার অধিকার রয়েছে।"
এই ঘোষণা মূলত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এসেছে। এর ফলে রাজ্য সংস্থাগুলোর প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ সহজ হবে। বন্যা মোকাবিলার জন্য বালুর বস্তা ও পানিনিষ্কাশন পাম্পের মতো সরঞ্জামও আগেভাগে নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে বন্যা মোকাবিলা, উদ্ধার ও অনুসন্ধান, প্রকৌশল এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনার কাজে সহায়তার জন্য ক্যালিফোর্নিয়া ন্যাশনাল গার্ডকেও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
এল নিনো হল ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে প্রাকৃতিকভাবে সংঘটিত একটি চক্রের উষ্ণ পর্যায়। এই চক্রটি ‘এল নিনো-সাউদার্ন অসিলেশন’ বা ‘ইএনএসও’ নামে পরিচিত। এটি প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঘটে।
পূর্ব থেকে পশ্চিমমুখী বায়ুপ্রবাহ দুর্বল হলে এল নিনো শুরু হয়। তখন সাধারণত পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে জমে থাকা উষ্ণ পানি পূর্ব দিকে সরে গিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে আসে।
সমুদ্রপৃষ্ঠের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উষ্ণ তাপমাত্রা কয়েক মাস স্থায়ী হলে ওই অঞ্চলে ঝড় ও মেঘের পরিমাণ বেড়ে যায়। এর ফলে গোটা বিশ্বজুড়ে বায়ুমণ্ডলে পরিবর্তন দেখা দেয়। কোথাও তাপমাত্রা বাড়ে এবং আবহাওয়া শুষ্ক হয়। আবার কোথাও ঠান্ডা ও বৃষ্টিপাত বেড়ে যায়।
মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন এল নিনোর প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। উষ্ণ বায়ুমণ্ডল বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করে। ফলে এল নিনোর সঙ্গে সম্পর্কিত বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হতে পারে। আবার কিছু এলাকায় এল নিনোর কারণে খরা দেখা দিলে মাটি আরও শুষ্ক হয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এনওএএ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এল নিনো রেকর্ডে এবারেরটি সবচেয়ে শক্তিশালী হওয়ার আশঙ্কা ৭৫ শতাংশ। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এর তীব্রতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা থাকলেও এরই মধ্যে এটি বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়া সৃষ্টি করছে।
একজন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী সোমবার এএফপিকে জানিয়েছেন, বহুল ব্যবহৃত একটি সূচকে এই এল নিনো ইতোমধ্যে রেকর্ডের সবচেয়ে তীব্র এল নিনোর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
বার্কলে আর্থের জলবায়ুবিদ এবং জাতিসংঘের জন্য প্রণীত জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিস্তৃত প্রতিবেদনগুলোর সহলেখক জেক হাউসফাদার বলেছেন, ক্রান্তীয় প্রশান্ত মহাসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার অস্বাভাবিকতা বর্তমানে ৩ দশমিক ০৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২০১৫-২০১৬ সালের এল নিনোর সময়ও এই তাপমাত্রা ছিল একই মাত্রায়।
এদিকে ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলীয় এলাকায় একের পর এক ঝড় আঘাত হেনেছে, যার ফলে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
উপকূলীয় ভাঙনের কারণে সান্তা মনিকায় একটি সংগীত উৎসবও বাতিল করা হয়েছে। ওই উৎসবে কিলারস, অলিভিয়া ডিন ও জ্যাক হোয়াইটের অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় আহত ও নিহত শ্রমিকদের পরিবার এবং জটিল রোগে আক্রান্ত শ্রমিকদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কুমিল্লা অঞ্চলের ৫ জেলার ৯৯ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর, কুমিল্লার আয়োজনে এই চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
উপকারভোগীদের হাতে চেক তুলে দেওয়ার জন্য উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক শ্রম দপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক মো. আবুল বাশার, কুমিল্লা জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক মো. শাহ্ আলম শফি, এবং আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা গোলাম সহিদ সারোয়ারসহ অন্যান্য অতিথিরা।
আঞ্চলিক শ্রম দপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, এই অনুদান কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহায়তা এবং জটিল রোগে আক্রান্ত শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহে প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের আওতায় এই সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
কুমিল্লা ছাড়াও লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ফেনী ও নোয়াখালী জেলার শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই সহায়তা পেয়েছেন। মোট ৫ জেলার ৯৯ জন উপকারভোগীর মধ্যে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রী রানি মুখার্জির মা কৃষ্ণা মুখার্জি আর আমাদের মাঝে নেই। মঙ্গলবার তিনি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। রানি মুখার্জির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যশ রাজ ফিল্মস এক বিবৃতির মাধ্যমে এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেছে। তবে, তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
যশ রাজ ফিল্মসের প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে রানি মুখার্জির মা মিসেস কৃষ্ণা মুখার্জি (৭৫) আজ বিকেলে প্রয়াত হয়েছেন। আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সমর্থনের জন্য পরিবারটি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ এবং এই গভীর শোকের সময়ে তারা সম্মানের সঙ্গে গোপনীয়তা রক্ষার অনুরোধ জানাচ্ছে।’
কৃষ্ণা মুখার্জিকে বিভিন্ন সময় তাঁর মেয়ের সঙ্গে জনসমক্ষে দেখা গেছে। রানি মুখার্জির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অভিনেত্রী নিজেও অনেক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন। শুধু মেয়ের মা হিসেবে নয়, কৃষ্ণা বাংলা চলচ্চিত্রের অঙ্গনেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি একজন প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবেও কাজ করেছেন।
এদিকে, মায়ের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে এই কঠিন সময়ে সবার ভালোবাসা, প্রার্থনা ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শোকের এই সময়ে পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
‘গুলাম’, ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘সাথিয়া’, ‘হাম তুম’ ও ‘ব্ল্যাক’-এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে বলিউডে রানি মুখার্জি একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সর্বশেষ ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মারদানি ৩’ সিনেমায় তাঁকে দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ