নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৮:৩৬ পি.এম
জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের কৃতি সন্তান ডাঃ গালিব হাসান। সম্প্রতি ঘোষিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন। কমিটিতে ডাঃ গালিব হাসানের অন্তর্ভুক্তি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে।
ডাঃ গালিব হাসান নেছারাবাদ উপজেলার প্রফেসর মোঃ মহাসিন রেজার ছেলে। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল থেকে উঠে আসা এ তরুণ নেতা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাকেন্দ্রিক ছাত্র ও যুব রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।
জানা যায়, ছাত্রজীবনে তিনি শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজে ছাত্রদলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সফলতার সঙ্গে পালন করেছেন।
পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল হাসান বলেন, “ডাঃ গালিব হাসান ছাত্রজীবন থেকেই একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক। সংগঠনের প্রয়োজনে তিনি সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।”
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, “তিনি একজন মানবিক চিকিৎসক ও পরিশ্রমী রাজনৈতিক কর্মী। অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।”
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোঃ ফকরুল আলম বলেন, “যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য স্থানে মর্যাদা পেয়েছেন। আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করি।”
স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, ডাঃ গালিব হাসানের এই পদ লাভ তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দলের প্রতি নিষ্ঠার যথাযথ স্বীকৃতি। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি দল ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে একটি আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা প্রকাশ করে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, খেলাধুলাকে পেশাগত স্বীকৃতি প্রদান, নতুন প্রজন্মকে মাদক ও প্রযুক্তি আসক্তি থেকে দূরে রাখা এবং একটি সুস্থ, মেধাবী এবং ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনের জন্য সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক আরো জানান, দেশের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ জন জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। আগামী জুনের পর ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যসেবা, বীমা সুবিধা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মোবাইল ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য খেলাধুলা অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবে, একই সঙ্গে মানসিক বিকাশও ঘটবে এবং মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কর্মসূচি চালু করেছে, যেখানে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে ও মেয়েরা সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নতুন নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে।
ক্রীড়া কূটনীতির উপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশি ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে তুরস্কের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দুই দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরো জোরদার করা হবে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংস্থার বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিকেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী শহীদ শাহাজাহান মাঠে শহীদ জিয়া স্মৃতি উন্মুক্ত গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন করেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা ও আনন্দ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। ব্রাজিলের প্রিয় দলকে শুভ কামনা জানাতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। আর আর্জেন্টিনা সমর্থকরা তাদের অভিবাদন জানিয়ে হাতে ধরিয়ে দেয় আলোচিত কোমল পানীর বোতল।
শুক্রবার বিকেলে শহরের শহীদ মিনার থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে গায়ে হলুদ জার্সি পরে এবং হাতে হলুদ-সবুজ পতাকা নিয়ে সমর্থকরা রাঙ্গামাটি শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমবেত হন।
বয়স এখানে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শিশু, যুবক এবং বৃদ্ধ সকলেই অংশ গ্রহণ করেন। দেখে মনে হয় যেন এক ঝাঁক হলুদ পাখি। ভুভুজেলা বাঁশি বাজিয়ে শহরের অলিগলি ঘুরে ছুটে চলা মোটরশোভাযাত্রার গন্তব্য ছিল শহরের আসামবস্তি ব্রাজিল সেতু। সেতুতে পৌঁছে এরা স্লোগানে মুখর করে তোলে পুরো সেতু এলাকা। এটি যেন মনে হলো এক টুকরো ব্রাজিল।
সমর্থক সাজিদ হাসান বলেন, ‘আমাদের থেকে ব্রাজিলের আকাশ পথের দূরত্ব প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার। তারপরও আমরা ব্রাজিল দলকে উৎসাহিত করতে এ আয়োজন করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার আমাদের হেক্সা মিশন অবশ্যই পূরণ হবে।’
অন্যদিকে সমর্থক মো. ইব্রাহিম জানালেন, ‘আমরা ৫টি বিশ্বকাপ জিতেছি। এবারের পুরো দল দারুণ ছন্দে রয়েছে। তাছাড়া এবারের দলটাও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। আশা করছি এবারই আমাদের জার্সিতে সিক্স স্টার হবে।’
মিশু মল্লিক বলেছেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনাকে কোনো দলই মনে করি না। তাদের বিশ্বকাপ জেতার পিছনে কলঙ্ক রয়েছে। হাত দিয়ে গোল করা, পেনাল্টি পাওয়া আরও কত অভিযোগ। তারা আমাদের সাথে কোন মুখে বড়াই করে? আমাদের মতো জার্সিতে ফাইভ স্টার যোগ করতে কম করে হলেও আরও ৩৬ বছর লাগবে।’
অন্য দিকে, ব্রাজিলের সমর্থকদের উল্লাসের মধ্যেও দমে যায়নি আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। শহরের কাঁঠালতলীতে কিছু আর্জেন্টিনা সমর্থক অবস্থান নেয়। ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রা পৌঁছাতেই তারা তাদের অভিবাদন জানিয়ে হাতে ধরিয়ে দেয় আলোচিত কোমল পানীয়র বোতল। তখন উভয় দলের সমর্থকদের মধ্যে হাস্যরস ও সৌহার্দ্য বিনিময় হচ্ছে। কেউবা নিজ থেকেই চেয়ে নিচ্ছে কোমল পানীয় সেভেন আপ।
আর্জেন্টিনা সমর্থক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘ব্রাজিলের সমর্থকরা র্যালি করে ক্লান্ত হয়ে গেছে তাই তাদের কোমল পানীয় দিয়ে অভিবাদন জানিয়েছি। তারাও আমাদের পানীয় সাদরে গ্রহণ করেছে। এটা আমাকে অভিভূত করেছে। আসলে এটা মজা করা। যারা পাগল বিষয়টি সিরিয়ালি নেয়।’
ব্রাজিলের এই শোভাযাত্রায় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল অংশ নেয়। আগামী ১১ জুন সমর্থকরা নিজেদের প্রিয় দলের শুভকামনায় আর্জেন্টিনা সমর্থকেরা শোভাযাত্রা বের করবে। দুই দলের সমর্থকরা শহরের বিভিন্ন স্থানে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত বাণিজ্য মেলা স্থগিত বা বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন জেলার একটি সামাজিক সংগঠনের নেতারা। একই সঙ্গে মেলা আয়োজনের অনুমোদন প্রক্রিয়া, আয়োজক নির্বাচন এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিষয়াদি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবুর স্বাক্ষরিত এক আবেদনে এ দাবি জানানো হয়। আবেদনের অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
আবেদনে বলা হয়, কুড়িগ্রাম দেশের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ ও পিছিয়ে থাকা জেলা। প্রতিবছর বন্যা, নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সঙ্গে লড়াই করে জেলার মানুষ জীবনযাপন করে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারী বর্ষণ ও নদীভাঙনে অনেক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
এ অবস্থায় বাণিজ্য মেলার আয়োজনকে সময়োপযোগী নয় বলে উল্লেখ করে আবেদনকারীরা বলেন, জেলার মানুষের প্রধান চাহিদা হচ্ছে নদীভাঙন প্রতিরোধ, কৃষি পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সহায়তা নিশ্চিত করা। এমন বাস্তবতায় মেলা আয়োজন জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, অতীত অভিজ্ঞতায় এ ধরনের মেলায় স্থানীয় অর্থনীতি বা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশিত সুবিধা পান না। বরং কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ পায় বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ধারণা রয়েছে। পাশাপাশি মেলার সময় মাদক, জুয়া, লটারি, কিশোর অপরাধ, চুরি ও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক সমস্যার বিস্তার ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রস্তাবিত বাণিজ্য মেলার অনুমোদন পুনর্বিবেচনা, অনুমোদন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষ তদন্ত, অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন এবং জেলার প্রকৃত সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, “কুড়িগ্রামের মানুষ বর্তমানে নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা মনে করি, এই সময়ে মেলার চেয়ে মানুষের মৌলিক সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। তাই জনস্বার্থ বিবেচনায় আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”
মেলা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও কুড়িগ্রাম জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ বলেন,
“কুড়িগ্রামের মানুষের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও পরিবারবান্ধব বিনোদনের পরিবেশ সৃষ্টি করাই এই মেলার মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ এবং জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করাও আমাদের লক্ষ্য। আগামী ২০ জুনের মধ্যে মেলার আয়োজন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে। মেলা পরিচালনাকারীর কাছ থেকে ৬০ লাখ টাকা নেওয়া বা কোনো ধরনের আর্থিক ভাগাভাগির যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মেলার সব কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও বিধিবিধান অনুসরণ করেই পরিচালিত হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার (বালক) পরিদর্শন করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী এতিম ও পথশিশুদের সুরক্ষা ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকারি শিশু পরিবারগুলোকে আধুনিক ও শিশুবান্ধব করে গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে। আজ দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার (বালক) পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন। এ সময় তিনি শিশুদের প্রতি আরও আন্তরিক হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহবান জানান। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী শিশু পরিবারের সার্বিক কার্যক্রম, আবাসন ব্যবস্থা, খাবারের মান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা সেবা ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের লেখাপড়া, খেলাধুলা ও বিনোদনের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: সাইফুর রহমান, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: রাজু আহমেদ, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কায়কোবাদ মামুন, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম টুটুল, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন শাকিলসহ শিশু সদনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়া, ময়মনসিংহ নগরীর ঐতিহ্যবাহী এডওয়ার্ড স্কুলের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের হোস্টেল পরিদর্শন করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন। এ সময় মন্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শিশুদের সর্বোচ্চ কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ