ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বুশেহর পরমাণু স্থাপনায় মার্কিন হামলা, জর্ডানকে টার্গেট করল তেহরান!


বুশেহর পরমাণু স্থাপনায় মার্কিন হামলা, জর্ডানকে টার্গেট করল তেহরান!

যুক্তরাষ্ট্র বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে বিমান হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, জর্ডানে ইরান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যাহোক, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কার্যকরভাবে আটকে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ-কে ইরানের স্থানীয় কর্মকর্তা এহসান জাহানিয়ান জানান, দুপুরের সময় বুশেহরে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হামলা শেষ হওয়ার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও পর্যন্ত হামলার বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। মেহের নিউজ জানাচ্ছে যে, বুশেহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, তবে তেহরান জানিয়েছে যে, পরমাণু স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার কোনো খবর নেই। বিশ বছর আগে রুশ কর্মীদের সহযোগিতায় বুশেহর কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ‘বি-টু’ বোমারু বিমান দ্বারা নাতাঞ্জ, ফোরদো ও ইসফাহানে হামলা হয়েছিল কিন্তু বুশেহর নিরাপদ ছিল। সেখানে এখনও রুশ কর্মীরা উপস্থিত আছেন। তেহরান নিশ্চিত করেছে যে, পরমাণু কেন্দ্রটির কোনো ক্ষতি হয়নি। ফারস নিউজ সূত্রে জানা যায়, উত্তরের গোলেস্তান প্রদেশের আক তাকেহ খান রেল সেতুতেও মার্কিন হামলা হয়েছে। এই সেতুটি প্রধান বাণিজ্য সহযোগী চীন এবং অবরুদ্ধ থাকার সময় রাশিয়ার সাথে পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেতুটি তুর্কমেনিস্তান ও কাজাখস্তান হয়ে চীনে প্রবাহিত হয়েছে। তবে এতে কোন ক্ষতি হয়নি এবং দ্রুতই সেতুটি মেরামত করা হবে। এদিকে, জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, সারা দেশে সাইরেন বেজে ওঠার পর তারা আকাশে ইরানের আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আটকে দিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার ফলে কোনো হতাহত বা আর্থিক ক্ষতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ তীরবর্তী বন্দর আব্বাসে একাধিক বিস্ফোরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


হরমুজ তীরবর্তী বন্দর আব্বাসে একাধিক বিস্ফোরণ

এবার হরমুজ প্রণালীর তীরে অবস্থিত বন্দর আব্বাসে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইরানের বিভিন্ন শহরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। এই ঘটনায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে নতুন করে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ উল্লেখ করেছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানের হামলা নতুন দফায় শুরু হয়েছে। পাল্টা জবাবে, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের উপর হামলা চালিয়েছে।

এইভাবে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও তীব্র আকার দিচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধে অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি কার্যত ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালীর তীরে অবস্থিত বন্দর আব্বাস বিশ্বের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও নৌবন্দর। এখানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি আন্তর্জাতিক বাজারে পরিবহন করা হয়। তাই সামরিক উত্তেজনার বৃদ্ধি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহণ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে অভিযোগ করেন, হরমুজ প্রণালীতে সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের জাহাজে হামলার ঘটনাগুলো যুদ্ধবিরতির অবসানের ইঙ্গিত বহন করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হামলা বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হতে পারে এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

আক্রমণের কিছুক্ষণ পর, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। তেহরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সূত্রে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র মধ্যপ্রাচ্যের দেশে হামলা চালানো হয়েছে। তবে কোন কোন দেশে হামলা হয়েছে এবং এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে চলমান এ উত্তেজনা শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপরও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে।

এদিকে, বন্দর আব্বাসে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ, হামলার লক্ষ্যবস্তু এবং হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে ইরানের পক্ষ থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, বর্তমান সরকার নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২২তম দিনে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা এবং চালসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমদানি সহজীকরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করহার যৌক্তিকীকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিকল্প উৎস থেকে পণ্য আমদানির অনুসন্ধানও অব্যাহত রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায় রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার রয়েছে অত্যন্ত আন্তরিক। এই লক্ষ্যে পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, মজুত এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ সময় নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলোর মধ্যে উল্লেখ করা হয়—

আমদানি সহজীকরণ ও শুল্ক হ্রাস: গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও করের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনার কাজ চলছে। এর পাশাপাশি, একক কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে বিকল্প দেশ থেকে পণ্য আমদানির সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।

বাজার তদারকি ও অভিযান: বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি, মজুতদারি বা অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অসাধু ব্যবসায়িক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

টিসিবির কার্যক্রম: নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের সুবিধার্থে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরবরাহ শৃঙ্খল ঠিক রাখা: বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সরবরাহ শৃঙ্খল সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যখনই প্রয়োজন হচ্ছে, দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে যাতে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে : শামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে : শামা

ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নয়াদিল্লি চুক্তিটির গুরুত্ব অনুধাবন করবে।

আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে... চুক্তি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এ মুহূর্তে আলোচনার সব বিষয় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।’

শামা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে ভারত এ চুক্তির গুরুত্ব এবং উভয় দেশের জন্য গঙ্গার পানির তাৎপর্য সম্পর্কে অবগত।

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ভারত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেই অভিন্ন স্বার্থকে সামনে রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে অল্প সময় বাকি থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গঠিত দল ও কমিটি এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

এ বিষয়ে আশাবাদের কারণ জানতে চাইলে শামা ওবায়েদ বলেন, চলমান আলোচনা সম্পর্কে এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু ব্যাখ্যা করার সুযোগ নেই। আমরা আশাবাদী।’

তিনি আরও বলেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে প্রায় ছয় মাস বাকি রয়েছে এবং এর নবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের উপর নির্ভর করছে।

শামা বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, আশা করি ভারত গঙ্গা চুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে এবং সে অনুযায়ী এগিয়ে আসবে।’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বরে এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।

চুক্তিটি দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের কাঠামো নির্ধারণ করে। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে।

অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন নদী-সংক্রান্ত বিষয়ে দুই দেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মাধ্যমে আলোচনা করে থাকে। এই কমিশন যৌথ পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির দাফনের শহর মাশহাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


খামেনির দাফনের শহর মাশহাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠিত হওয়ার যে শহর, সেই মাশহাদে যুক্তরাষ্ট্র বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এই হামলার ফলে তেহরানের সঙ্গে শহরটির ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণবাধিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআরবি জানায়, মার্কিন হামলায় মাশহাদগামী রেলপথটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, এই হামলায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ রেলসেতু ধ্বংস হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়ের একজন মুখপাত্র আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তাসনিমকে জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যত দ্রুত সম্ভব এই রুটটি মেরামতের চেষ্টা করা হচ্ছে। রাজধানী তেহরান এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের মধ্যে এই রেলপথটি ইরানের সবচেয়ে ব্যস্ততম রুট হিসেবে পরিচিত। সর্বোচ্চ নেতার দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মাশহাদ শহরে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে, ঠিক তখনই এই কৌশলগত যোগাযোগ অবকাঠামোতে মার্কিন হামলা পুরো প্রক্রিয়াকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলেছে।

এই ঘটনা ঘটনার ঠিক আগের দিন বুধবার (৮ জুলাই) ওয়াশিংটন থেকে সরাসরি কঠোর হুমকি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটনে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছিলেন, 'গত রাতে আমরা ইরানে খুব কঠোরভাবে হামলা চালিয়েছি, খুবই কঠোরভাবে। সম্ভবত আজ রাতেও তাদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।'

ট্রাম্পের এই হুমকির পরে, ইরানের মাশহাদসহ বিভিন্ন বেসামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। ট্রাম্পের দাবি, এর আগে ইরানকে সামান্য সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও তারা নিজেদের সংশোধন করেনি, যার ফলে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%