রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৯ পি.এম
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) নবনিযুক্ত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।
তিনি রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান তাকে অভ্যর্থনা জানান।
যোগদানের পর অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এর আগে ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন বিভাগের এই অধ্যাপককে ৪ বছর বা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত নিয়োগ প্রদান করে সরকার।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম কোষাধ্যক্ষ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি ও আইনে নির্ধারিত এবং উপাচার্যের দেওয়া দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘানশ্যাম ভান্ডারি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন।
এই বৈঠক রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশমন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় পরিবেশমন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপালের পাশে রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের অভিন্ন পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবেলায় যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পরিবেশমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল জলবায়ু পরিবর্তনের ভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হলেও দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয় অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহের পরিবর্তন, নদী অববাহিকার পরিবেশগত ভারসাম্য, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে।
আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন উদ্যোগে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত নেপালের দুর্ঘটনার পর দেশটির জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে বাংলাদেশের এই সহমর্মিতা দুই দেশের জনগণের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন; নেপালের সরকার ও জনগণ এ সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।
বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও নেপালের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
দুই পক্ষ মনে করে, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী হলে তা উভয় দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করে।
এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আয়ারল্যান্ডের অলরাউন্ডার আর্লিন কেলি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা করেছেন। তিনি এই ঘোষণা করেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচের পর, যা অনুষ্ঠিত হয় ওরচেস্টারে। নিউজিল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ৩২ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার ২০২২ সালের ৩ জুন পেমব্রোক ক্রিকেট ক্লাবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডের হয়ে অভিষেক করেন।
সাড়ে চার বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে, কেলি মোট ১১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নিজের এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কেলি বলেন, আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা ছিল একটি অসামান্য সৌভাগ্য। তিনি সতীর্থ, কোচ এবং ক্রিকেট দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যাদের সমর্থন ও সহযোগিতা তার ক্যারিয়ারজুড়ে ছিল অটল।
কেলি আরও বলেন, "গত সাড়ে চার বছর ধরে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য এক পরম সৌভাগ্যের বিষয় ছিল। এই সময়ে মাঠ ও মাঠের বাইরে অসংখ্য অবিস্মরণীয় স্মৃতি তৈরির সুযোগ পেয়েছি। তবে এখন মনে হচ্ছে খেলা ছাড়ার এবং নিউজিল্যান্ডে ফিরে যাওয়ার সঠিক সময় এসেছে। আমি পরিবার ও বন্ধুদের সাথে আরও বেশি সময় কাটাতে পারব।"
আয়ারল্যান্ড নারী দলের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী বোলার হিসেবে কেলি তার ক্যারিয়ার শেষ করছেন। তিনি ১৩৫টি উইকেট শিকার করেছেন, যা তাকে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকায় ইসোবেল জয়েস এবং লরা ডেলানির পর তৃতীয় স্থানে বসিয়েছে।
২০২৩ সালে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তার বোলিংয়ের বিধ্বংসী রূপ দেখা গিয়েছিল। সেদিন তিনি মাত্র ১২ রান খরচ করে ৫ উইকেট নিয়ে ডাচদের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন। বোলিংয়ের পাশাপাশি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে তিনি ৬০১ রান সংগ্রহ করেছেন, যা তাকে পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে দলের একজন নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
২০২৩ সালের জন্য ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের 'উইমেনস ইন্টারন্যাশনাল প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার' নির্বাচিত হন কেলি। একই বছরে আগস্ট মাসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তিনি আইসিসি-র 'উইমেনস প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ স্বীকৃতি লাভ করেন। এছাড়া ২০২৫ সালে দলের সিনিয়র নেতৃত্বে থাকাকালীন কেলি অধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অবসরের ঘোষণার পর আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক গ্যাবি লুইস কেলিকে উষ্ণ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাদ্য অধিদফতরের কার্যক্রমকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল হিসেবে চিহ্নিত করে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ খাদ্য মজুত এবং খাদ্যের গুণগত মান এই দুটি বিষয়কে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত মজুত রাখা আবশ্যক।
রবিবার খাদ্য অধিদফতরের সন্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমদাদ ইসলামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য অধিদফতরের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সেনসিটিভ। আমাদের সবসময় চিন্তা করতে হয় দেশের খাদ্য ঠিকমতো মজুত আছে কিনা, খাদ্যের গুণগত মান ঠিক আছে কিনা এবং দুর্যোগের সময় আমরা মানুষের কাছে ঠিকমতো খাদ্য পৌঁছে দিতে পারব কিনা। তাই নিরাপদ মজুত ও কোয়ালিটি দুটিই আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘদিন ধরে খাদ্য অধিদফতরে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুই-একজনের অনিয়মের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের অনেক কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ অনেক দায়িত্ব একসঙ্গে সামনে এসেছে। প্রয়োজন ও গুরুত্ব বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এসব কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য গুদাম ও অবকাঠামোর দুরবস্থার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া খাদ্য গুদামের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে আফরোজা খানম বলেন, গুদামটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য খাদ্য গুদাম ও স্থাপনাগুলোর অবস্থাও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
খাদ্য পরিদর্শক, ওসি-এলএসডিসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে তাদের কাজের মান, গুদামে খাদ্য মজুতের পরিমাণ ও গুণগত মান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের সন্তুষ্টির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
ভালো কাজের জন্য কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঠিকভাবে তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য ও প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে প্রকৃত দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তির শিকার না হন, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
খাদ্যমন্ত্রী জানান, খাদ্য অধিদফতরের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখতে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। প্রয়োজনে খাদ্য অধিদফতরে এসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কাজ করবেন।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে আপনারা আমাকে পাশে পাবেন। তবে সবাইকে সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করলে খাদ্য অধিদফতরকে আরও দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে পারব।
সভায় খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা খাদ্য অধিদফতরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, খাদ্য অধিদফতরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে জনবল সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।
অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খান। খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা এবং খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় খাদ্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দুটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য। ঢাকায় অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের ফরেন এইড অফিসের উদ্যোগে, দেশের বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে খাদ্য ও বস্ত্রের প্যাকেজ প্রদান করা হচ্ছে।
এর অংশ হিসেবে, সিলেটের ওসমানীনগর ও বিশ্বনাথ উপজেলায় ১,৫০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য ও বস্ত্রের প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের ডিরেক্টর অব ফরেন এইড, রাশেদ মোহাম্মদ নাসের আলমেইল আলজাবি উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘বন্যার মতো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। এই কঠিন সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রয়োজন কিছুটা হলেও পূরণ করা এবং তাদের পাশে থাকাই এই সহায়তা কার্যক্রমের উদ্দেশ্য।’
সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক পরিবার ঘরবাড়ি, জীবিকা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ হারিয়েছে। এসব পরিবারের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানো এবং দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই মানবিক সহায়তা বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার দেশটির অঙ্গীকার এবং বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ