সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:: মোহাম্মদ নূর
০৭:৫৮ পি.এম
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার খাসিয়ামারা নদীতে জমে থাকা বালু ডেসপাস করে উত্তোলনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাবারড্যামটি রক্ষায় পরিকল্পিতভাবে এ বালু উত্তোলন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, দীর্ঘদিন ধরে খাসিয়ামারা নদীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ বালু জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে পড়েছে। এতে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাবারড্যামের কার্যক্রম ও স্থায়িত্ব নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এই অবস্থায় নদী থেকে জমে থাকা বালু ডেসপাসের মাধ্যমে অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নৌ-শ্রমিক তাজুল ইসলাম বলেন, খাসিয়ামারা নদীতে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের সঙ্গে হাজার হাজার শ্রমিক ও তাদের পরিবার জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে তারা জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। সনাতন পদ্ধতিতে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে রাবার ড্যাম রক্ষায় পাইপের মাধ্যমে নৌকায় বালু লোড করা হচ্ছে। এতে একদিকে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও জীবিকা নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে রাবারড্যামও নিরাপদ থাকছে।
বালু ব্যাবসায়ী করিম মিয়া বলেন, নদীতে বালু উত্তোলনের কারণে আমাদের নৌযান চলাচল ও কাজের পরিবেশ অনেকটাই সহজ হয়েছে। তবে বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ এবং রাবারড্যামের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। সঠিকভাবে ডেসপাস কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে, একদিকে নদীর নাব্যতা বজায় থাকবে, অন্যদিকে রাবারড্যামও সুরক্ষিত থাকবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদীর নির্দিষ্ট স্থান থেকে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন ও ডেসপাস করা হলে একদিকে নদীর নাব্যতা ও পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে, অন্যদিকে রাবার ড্যামকে অতিরিক্ত বালুর চাপ ও ক্ষতির ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিকল্পিতভাবে বালু অপসারণের কারণে নদীর পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনেও সুবিধা হবে। পাশাপাশি রাবারড্যাম সচল থাকলে কৃষিকাজে সেচ সুবিধা অব্যাহত রাখার সুযোগ তৈরি হবে। তবে নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্থান, পরিমাণ ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, অবৈধ বা অতিরিক্ত বালু উত্তোলন নয়, বরং রাবারড্যাম ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ও নিয়ন্ত্রিত ডেসপাস কার্যক্রমই অব্যাহত থাকবে।
খাসিয়ামারা নদীর ইজারাদার মোঃ হারুণ-অর-রশিদ বলেন, খাসিয়ামারা নদীতে বালু ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর নিয়ম মেনেই শ্রমিকরা বালু উত্তোলন করছে। পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের সঙ্গে স্থানীয় বিপুলসংখ্যক শ্রমিক ও তাদের পরিবার পরিজন অতপ্রতভাবে জড়িত রয়েছে। ডেসপাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বালু অপসারণের ফলে নদীর নাব্যতা বজায় রাখার পাশাপাশি রাবারড্যামের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। আমরা রাবারড্যামের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ বলেন, খাসিয়ামারা নদীতে বালু উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম ও সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীর নাব্যতা, পরিবেশ এবং রাবারড্যামের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। ডেসপাস কার্যক্রমের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হলেও কোনোভাবেই যাতে রাবারড্যামের ক্ষতি বা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। প্রকট শব্দ দূষণের বিষয়ে ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি টিম দু এক দিনের মধ্যে সরেজমিন গিয়ে তদন্ত করবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা ও নিয়ম মেনে খাসিয়ামারা নদীর জমে থাকা বালু অপসারণ করা গেলে রাবারড্যাম রক্ষার পাশাপাশি নদীর পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং স্থানীয় কৃষি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছরের অধিক সময় পেরিয়ে গেছে। আমাদের পরে স্বাধীন হওয়ায় অনেক দেশ তাদের জনগণের জীবনমান উন্নত করতে পেরেছে, অর্থনীতি স্বাবলম্বী করতে পেরেছে। এখন সময় দেশ গড়ার, জনগণের জন্য কাজ করার। আপনাদের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকার জনগণের জন্য কাজ করছে।’
রবিবার প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে।
এর আগে তিনি কক্সবাজার মাতারবাড়ী থেকে এসে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকার প্রদত্ত ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। তিনি সমাবেশস্থলে দুপুর ২টায় এসে পৌঁছেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বলেন, ‘পরিবারের নারীদের স্বাবলম্বী করতে আমরা ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করেছি, কৃষকদের জন্য করেছি কৃষক কার্ড। বাঁশখালী লবণ চাষিরা শিগগিরই এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসবেন।’
চীন সরকার এখানে বিনিয়োগ করবে এমন কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাতারবাড়ী যাওয়ার সময় মিরসরাই থেকে পুরো সমুদ্র উপকূল হেলিকপ্টার থেকে পরিদর্শন করেছি। এই সমুদ্র আমাদের সম্পদ। এখানে শত শত শিল্প-কারখানা স্থাপন করা হবে, এসব কারখানায় চট্টগ্রামের বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান করা হবে।’
সমাবেশে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পু বক্তব্য দেন।
বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার বাঁশখালী শেয়ার করে ফটিকছড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। ফটিকছড়িতে তিনি হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিব্বুলাহ বাবুনগরীর সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
এরপর তিনি হাটহাজারী ও নগরের রেডিসন ব্লু হোটেলে দলের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০২৬-২৭ অর্থবছরে খেলোয়াড় শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া বৃত্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র। নির্বাচিত ১০০ জন শিক্ষার্থী মাসিক ২৫০ টাকা হারে বৃত্তি ও বেতন মওকুফের সুবিধা পেতে যাচ্ছেন।
রোববার (৯ আগস্ট) শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নয়না চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষ সম্মান এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে অধ্যয়নরত খেলোয়াড় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
কিন্তু ক্রীড়া বৃত্তির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে অংশ নিয়ে যারা ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন এবং দলগত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের সদস্যরাই কেবল এ বৃত্তির জন্য বিবেচিত হবেন।
আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অথবা পরিচালকের প্রত্যয়নসহ পরিচালক, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বরাবর আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বিশেষ নির্দেশনায় এই বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে যে, একই শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থীকে দ্বিতীয়বার ক্রীড়া বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে না। শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া কার্যক্রমে সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করা এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন মাহিন্দ্রার চালকসহ আরো পাঁচজন।
ঘটনাটি রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের নগরীর রূপাতলী-দপদপিয়া সেতুর ঢালে ঘটে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম এ ঘটনায় নিশ্চিত করেছেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছে ইয়াসির আরাফাত নামের একজন শিক্ষার্থী, যিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। গুরুতর অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন, তবে তাঁর নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
পুলিশ জানায়, পটুয়াখালী থেকে পাঁচ জন যাত্রী নিয়ে একটি মাহিন্দ্রা বরিশাল নগরীর রূপাতলীর দিকে যাচ্ছিল। নাজুক মুহূর্তে, দপদপিয়া সেতুর টোলঘরসংলগ্ন ঢাল অতিক্রম করার সময়, রূপাতলী থেকে যাত্রী নিয়ে কুয়াকাটার দিকে চলা বিআরটিসির একটি বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্রাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে মাহিন্দ্রার চালক ও পাঁচ যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন যাত্রীর মৃত্যু ঘটে। আহতদের সার্জারির বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জুবায়ের বলেন, মাহিন্দ্রাটি পটুয়াখালী থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে বরিশালের দিকে আসছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা বিআরটিসির বাসের সঙ্গে সেটির সংঘর্ষ হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যান, এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আহত ববি শিক্ষার্থীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার জুয়েল চন্দ্র শীল জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দুই পাশে যানবাহনের চলাচলে ধীরগতি দেখা দেয় এবং কিছু সময়ের জন্য সড়কটিতে যানজট সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির পক্ষ থেকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। এর মাধ্যমে তিনি দেশের আগামী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে অনেকটা নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে গেলেন।
রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছেন এই তথ্য। ওই নেতা বলেন, মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্তের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সুতরাং, বিএনপির আরও কিছু জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা জানাচ্ছেন, প্রার্থী চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত এককভাবে তারেক রহমানের ওপর নির্ভর করছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিএনপি। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে দলটি। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি দলীয় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের দায়িত্ব দেয় দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলের মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া অনেকটা নিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ওই সময়ে জাতীয় সংসদে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
তবে, যদি মির্জা ফখরুল একমাত্র বৈধ প্রার্থী হন, তবে সংসদে ভোটের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ