০৭:১১ পি.এম
সম্প্রতি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক প্রতিবাদ সভা শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদ ও পেশাজীবীদের ব্যানারে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
জানা গেছে, ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজ ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি বাগৃবি ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি হিসেবে কাজ করেছেন। গত ৪ জুন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে তার ওপর হামলার ঘটনার সূত্রপাত হয়। এরই প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
কর্মসূচিতে অ্যাগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) ময়মনসিংহ চ্যাপ্টারের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. সাদেকুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এরপর কেন্দ্রীয় অ্যাব এবং ময়মনসিংহ অ্যাবের সাবেক নেতৃবৃন্দদের উপস্থিতি ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা সেখানে ছিলেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর সংঘটিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
একইসঙ্গে পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।
বক্তারা বলেন, ‘একজন পেশাজীবীর ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তারা সতর্ক করে দেন যে, যদি এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘গত ৪ জুন কেআইবি চত্বরে আমাদের প্রিয় সহযোদ্ধা পারভেজের ওপর একটি বর্বরোচিত ও ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়াটে গুণ্ডা লেলিয়ে দিয়ে তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।
মনে হয়েছে, কোনো ছিনতাইকারী বা ডাকাতের সঙ্গে এমন ব্যবহার হয়তো করা হয় না, যেভাবে একজন জুলাইযোদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ঢাকার রাজপথে সবার প্রথমে লড়াই করা একজন জুলাইযোদ্ধার ওপর এ ধরনের বর্বর আক্রমণ দেখে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মাঝে মতপার্থক্য বা অনৈক্য থাকতে পারে, তবে একজনের ওপর হাত তোলা বা কাউকে খুন করার মতো অপরাধী মানসিকতা যাদের রয়েছে, তাদের কোনো সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা কোনোক্রমেই সমীচীন নয়। আমরা আর কোনো রক্তপাত বা অন্যায় সহ্য করবো না।’
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন