০৮:৪৯ এম
চাঁদপুর জেলা ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে ইলিশের মূল্য বৃদ্ধি এবং অনলাইনে প্রতারণা রোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকাল ৪টায় বড় স্টেশন মাছ ঘাট সংলগ্ন ‘চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেড’ এর সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি আব্দুল বারী জমাদারের সঞ্চালনায় এ সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান, প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক, মৎস্য অফিসার মোছা. ফারহানা আকতার, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার ফয়েজ জালাল উদ্দিন, মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার, চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি তমাল কুমার ঘোষ, জেলা ক্যাবের সহ সভাপতি ব্যাংকার মো. মুজিবুর রহমান, মৎস্য বনিক সমিতির সদস্যবৃন্দ এবং অনলাইন ইলিশ ব্যবসায়ীবৃন্দ।
আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত
অনুষ্ঠানে বক্তরা অনলাইনে ইলিশ মাছ বিক্রয়ের নামে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন প্রতারণার উপরে নানা মতামত ও প্রস্তাবনা রাখেন। বক্তারা জানান, অনলাইনে ইলিশ প্রতারণার সঙ্গে চাঁদপুরের কোনো ব্যবসায়ীর সম্পর্ক নেই। জেলার বাইরে বিভিন্ন স্থানে বসে কিছু অসাধু লোকেরা একজনের ভিডিও ডাউনলোড করে নিজেদের ফেসবুক পেইজ বা আইডিতে প্রচারণা চালিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। তারা উল্লেখ করেন যে, টাকা নিয়ে মাছ ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে না।
গ্রাহকদের টাকা নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বক্তারা ভোক্তাদের নম্বর ব্লক করে কিংবা নিজেদের নম্বর বন্ধ করে দিচ্ছে। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সচেতনতা ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই।
সভায় গ্রাহকদের ক্যাশ অন ডেলিভারি মাধ্যমে মাছ কেনার অর্থাৎ মাছ বুঝে পাবার পর টাকা পরিশোধ করার পরামর্শ প্রদান করা হয়। সস্তায় মাছ কেনার আগে বাজার দর যাচাই করে নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এর পাশাপাশি প্রয়োজনে যদি কেউ প্রতারিত হন, তাহলে সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করার কথা বলা হয়।
চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইন ব্যবসায়ীদের নিবন্ধনের আওতায় আনার লক্ষ্যে মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির ও অনলাইন মাছ ব্যবসায়ীদের তালিকা করা হয়েছে। এসব বৈধ অনলাইন মাছ ব্যবসায়ীদের তালিকা ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। ইলিশের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য উৎপাদন বাড়ানোর বিকল্প নেই। বাজারে ইলিশ মাছ সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে দাম অনেকাংশে কমে যাবে। তবে কেউ যদি কোন অনিয়ম করে, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: বরিশালে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতা ফারুকের বিরুদ্ধে
ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সব ব্যবসায়ীদের ক্রয় ও বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ করা, যৌক্তিক মূল্যে মাছ বিক্রয় করা, নষ্ট পঁচা মাছ বিক্রি করা থেকে বিরত থাকার এবং ওজনে কম দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন