১১:১২ পি.এম
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৃহস্পতিবার মোট ২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের একটি সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে গেছে। এ দুই মাসের মধ্যে এই নৌপথে এখন সর্বোচ্চ সংখ্যক বাণিজ্যিক জাহাজ পারাপার হতে দেখা যাচ্ছে।
সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা এএক্সএসমেরিনের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার এই প্রণালি দিয়ে ২৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাফেরা করেছে। এটি গত ১৮ এপ্রিলের পর কোনো এক দিনে সর্বোচ্চ সংখ্যা। জুন মাসের প্রথম ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৭.৬টি জাহাজ চলাচল করেছিল। সেই তুলনায় বৃহস্পতিবারের এই সংখ্যা পাঁচ গুণেরও বেশি।
আরও পড়ুন: জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের স্থান নেই: বিএনপির এমপি শাহজাহান
এই বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সমঝোতার ভিত্তিতে হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার কথাও বলা হয়েছে। তবে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে নির্ধারিত আলোচনার স্থগিত হওয়ার আগেই এই জাহাজ চলাচল বাড়তে শুরু করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলার পর সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইরান কার্যত এই প্রণালী বন্ধ করে দেয়। এ সময় সেখানে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। যার ফলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধি পায় এবং জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়।
যুদ্ধের পূর্বে প্রতিদিন প্রায় ১২০টি জাহাজ এই পথ দিয়ে চলাচল করতো। শান্তিকালে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল গ্যাস এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হতো।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগও রয়ে গেছে। ৫০০টিরও বেশি জাহাজ এবং প্রায় ১১ হাজার নাবিক এখনো উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে আছেন।
আরও পড়ুন: পিএসসিকে দলীয়করণের অপচেষ্টা জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থি: ছাত্রশিবির
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জ্বালানি এবং পরিবহন খাত প্রথমে এই উন্নতির সুফল পাবে। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন