মোঃ আমিনুল ইসলাম গোপালপুর উপজেলা প্রতিনিধি
০৮:০৫ এম
রাজনীতির মাঠে জয় সহজে আসে না। তার জন্য প্রয়োজন হয় দৃঢ়সংকল্প আর অনড় মনোবল। আনছার আলী সাগর ঠিক তেমন একজন নেতা, যিনি প্রতিপক্ষের রক্তচক্ষে ও রাজনৈতিক ঝড়-ঝাপটা অপেক্ষা করে দলকে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছেছেন। তিনি শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং তিনি হলেন তৃণমূল কর্মীদের শেষ ভরসার আশ্রয়স্থল।
সংঘাতে ও সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে দলকে কীভাবে আগলে রাখতে হয়, তা তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন। বিজয় রাজনীতির উত্তাল রাজপথ কখনোই সহজ ছিল না। কিন্তু সাহসিকতা, দূরদর্শিতা আর অদম্য মানসিকতা নিয়ে তিনি সমস্ত বাঁধা অতিক্রম করেছেন। তিনি হলেন আমাদের জনাব আনসার আলী সাগর। দলকে বিজয় করার লক্ষ্যে যিনি বারবার মামলা হামলা শিকার হয়েছেন, এবং তার পরিবারবর্গও দুঃখকষ্টে রয়েছেন। ভাই আমজাদ হোসেন নাগর, ছেলে সাব্বির আহমেদ, সোহেল বাপ্পি, ভাগিনারা সহ গ্রামের অসংখ্য লোকেরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বারবার কারাবরণ করেছেন। তাই আসুন, দলের দুর্দিনের কান্ডারীকে জয়ী করে নগদা সিমলা ইউনিয়ন জনগণের খেদমত করার সুযোগ করে দেওয়ায় সহযোগিতা করি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কতশত ইতিহাস, ঐতিহ্য আর সাফল্যের সাক্ষী মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার শশিকর উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৪৩ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অসংখ্য সাবেক শিক্ষার্থী, বিসিএস ক্যাডারসহ নানা পেশার কৃতী মানুষ এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তবে দীর্ঘ ঐতিহ্যের এই প্রতিষ্ঠানটিই বর্তমানে যেন অভিভাবকহীন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীথ তালুকদার গত ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অবসরে যাওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে তার চাকরির মেয়াদও বাড়ানো হয়নি। ফলে প্রধান শিক্ষকবিহীন অবস্থায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক নেতৃত্বে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে বিদ্যালয়টিতে।
তবে সাবেক প্রধান শিক্ষক সুনীথ তালুকদারের দায়িত্বকালীন সাফল্য বিবেচনায় তাকে আরও কিছুদিন বিদ্যালয়ের দায়িত্বে রাখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও শিক্ষার মান ধরে রাখতে অভিজ্ঞ ও দক্ষ এই শিক্ষকের প্রয়োজন রয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সুনীথ তালুকদার ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর শশিকর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে শিক্ষা জীবন শেষ করা এই শিক্ষক দায়িত্ব নেওয়ার পর নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও ফলাফল উন্নয়নে কাজ করেন। এর মধ্যে করোনাকালীন সংকটও ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে তিনি কাজ চালিয়ে যান।
তার দায়িত্বকালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসে। ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টির ২৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জনসহ শতভাগ পাস করে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, তার দায়িত্বকালে প্রতিবছরই ভালো ফলাফল অর্জিত হয়েছে এবং কয়েকবার বিদ্যালয়টি উপজেলা পর্যায়ে সেরা অবস্থানেও উঠে এসেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একসময় শশিকর উচ্চ বিদ্যালয় শুধু ডাসার নয়, বৃহত্তর অঞ্চলের অন্যতম সুনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। এই বিদ্যালয়ের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেকে বিসিএস ক্যাডারসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছেন। সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক থাকা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
২০২৬ সালে বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ৈ বলেন, “বিদ্যালয়ের স্বার্থে স্যারকে খুবই প্রয়োজন। তিনি খুব ভালো মানুষ। তার মতো একজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে থাকলে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে।”
আরেক সাবেক শিক্ষার্থী নিক্সন বলেন, “স্যার সবসময় আমাদের খোঁজখবর রাখতেন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি নজর দিতেন। বিদ্যালয়ের প্রতি তার অবদান অতুলনীয়। আমরা মনে করি, স্যারকে বিদ্যালয়ে প্রয়োজন।”
অভিভাবক পরিমল বিশ্বাস বলেন, “আমার ছেলে এই বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করেছে। তাকে পড়ানোর সময় আমরা প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুনীথ স্যারের কাজ কাছ থেকে দেখেছি। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান ধরে রাখতে অভিজ্ঞ এই শিক্ষককে আরও কিছুদিন রাখা প্রয়োজন বলে মনে করি।”
বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সদস্য জয়ন্ত কুমার হালদার বলেন, “সুনীথ স্যারের অনেক যোগ্যতা রয়েছে। তিনি তার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে বিদ্যালয়কে আরও কিছুদিন নেতৃত্ব দিলে শশিকর উচ্চ বিদ্যালয়ের মান-সম্মান ও ঐতিহ্য ধরে রাখা সম্ভব হবে।”
এদিকে বিদ্যালয়টির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন ডাসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকিয়া সুলতানা। বিদ্যালয়ের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “বিদ্যালয়টির উন্নয়নের জন্য যেটি ভালো হবে, আমরা সেই দিকেই এগিয়ে যাব।”
স্থানীয়দের মতে, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শুধু ভবন, শ্রেণিকক্ষ কিংবা ভালো ফলাফলই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দক্ষ নেতৃত্ব, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকের দিকনির্দেশনা। তাই দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যবাহী শশিকর উচ্চ বিদ্যালয়ে দ্রুত প্রধান শিক্ষক অথবা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি অভিজ্ঞ সাবেক প্রধান শিক্ষককে রাখার দাবিটিও কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
১৯৪৩ সালের ৪ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা শশিকর উচ্চ বিদ্যালয় আজ ৮৩ বছরের ঐতিহ্যের ধারক। সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি বহু কৃতী শিক্ষার্থী তৈরি করেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত বিদ্যালয়টির নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণ হবে এবং শশিকর উচ্চ বিদ্যালয় আবারও তার গৌরবময় ঐতিহ্য ও সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন, চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে এসেছে ১৭৮ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যা এসেছিল ১২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৪৬৪ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এবং গত অর্থবছরের একই সময়ে যা এসেছিল ৩৭৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার। এই বছরে যা বেড়েছে ২৪ দশমিক ২০ শতাংশ।
এর আগে, গত জুলাই মাসে দেশে এসেছে ২৮৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৩ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এছাড়া, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩২ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৩ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।
এদিকে, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার বা ৩৫.৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা বা হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ওমানে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) ফক্স নিউজের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে ওমানের ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প উক্তি করেন, ‘ওমান যদি যুদ্ধ বন্ধের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আমরা তাদের ওপর ভয়াবহ বোমা হামলা চালাব।’ এর আগে শনিবার ইরান জানিয়েছিল, কয়েক সপ্তাহের কারিগরি আলোচনার পর হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুটের একটি মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে তারা সমঝোতায় পৌঁছেছে। ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তেহরানের উচিত ‘আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা’ তোলা। তিনি বলেন, তারা ভালো খেলোয়াড়, কিন্তু এখন তারা মারা যাচ্ছে। এছাড়া, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন যোগাযোগের বিষয়টিও ট্রাম্প নিশ্চিত করছেন। তিনি জানান, ‘আইআরজিসির সঙ্গে আমাদের একটি যোগাযোগ চ্যানেলে রয়েছে। আমরা আইআরজিসির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলছি।’ ট্রাম্প এ সময় গাজা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ইসরাইলিদের গাজায় হামলা চালানো উচিত নয়। হামাস তাদের অস্ত্র সমর্পণে সম্মত হয়েছে।’ হামাসের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক যোগাযোগের চ্যানেল রয়েছে বলে জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প জানান, ‘হামাসের সঙ্গে আমাদের আলাদা একটি চ্যানেল রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তারা তাদের অস্ত্র সমর্পণ করছে।’ গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র যখন কাজ করছে ঠিক একই সময়ে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করলেন। ওই পরিকল্পনায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয় রয়েছে। তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল নির্ধারণ করেছে। এতদিন বাংলাদেশে অর্থবছরের হিসাব ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হচ্ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে গণ্য করে ৯ মাসের অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে অর্থবছর traditionally ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হয়। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। বর্ষার কারণে একদিকে কাজ দীর্ঘায়িত হয় এবং কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এছাড়া এটি ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। যদি এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তবে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই কারণে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, লেজিসলেটিভ বিভাগ, অর্থ বিভাগ সহ বিভিন্ন উপযুক্ত অংশীজনের সমন্বয়ে একটি কমিটি পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধান এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে। তাছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সাথে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সিস্টেমে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতেও হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে ৯ মাসে অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা হবে এবং এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিলে-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ