ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রেকর্ড গরমে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ এক বছরে ৫% বরফ হারালো


রেকর্ড গরমে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ এক বছরে ৫% বরফ হারালো

সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ ভয়াবহ হারে বরফ হারাচ্ছে, যা রেকর্ড তাপমাত্রা ও কম তুষারপাতের কারণে ঘটছে। ২০২৬ সালের মধ্যে, দেশটির হিমবাহগুলো মোট বরফের ৫ শতাংশেরও বেশি হারিয়েছে। গত পাঁচ বছরে, দেশটির হিমবাহগুলোর প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বরফ গলে গেছে।

এই তথ্যটি রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

সুইস গ্লেসিয়ার মনিটরিং নেটওয়ার্ক (গ্ল্যামোস) এবং সুইস একাডেমি অব সায়েন্সেসের ক্রায়োস্ফিয়ার পর্যবেক্ষণ কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলতি বছরে হিমবাহ গলার হার অত্যন্ত বেশি ছিল। শীতকালে পর্যাপ্ত তুষারপাতের অভাব এবং গ্রীষ্মে রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ডিজেল রপ্তানি বাড়াতে চায় ভারত, শোধনাগারগুলো সক্ষমতা বাড়াচ্ছে

গ্ল্যামোসের পরিচালক ম্যাথিয়াস হুস মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বরফ গলার ঘটনা চরম মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, "হিমবাহগুলো যেভাবে দ্রুত গলে যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতে ইউরোপের বরফাঞ্চলগুলোর টিকে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।"

সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় হিমবাহ আলেচ হিমবাহ এ বছর তার ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি বরফ হারিয়েছে। অন্যদিকে, গ্লেসিয়ার দ্য সঁফ্লেরোঁর গড় পুরুত্ব চার মিটারেরও বেশি কমে গেছে। হুস জানান, "কয়েক বছর আগেও এমন মাত্রার বরফ গলা অকল্পনীয় ছিল।"

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো থেকে প্রায় ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন লিটার পানি বরফ গলে বের হয়েছে। এই পরিমাণ দেশটির পরিবারগুলোর এক বছরের মোট পানীয় জলের ব্যবহারের চার গুণেরও বেশি।

হিমবাহের বরফ গলে যাওয়ার ফলে গ্রীষ্মকালে পানির ঘাটতি কিছুটা কমে। তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন যে, হিমবাহের আকার ক্রমেই ছোট হয়ে যাওয়ার কারণে ভবিষ্যতে এই সুবিধাও কমে আসবে।

আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে ১৩ দিনের যৌথ মিশনে ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

২০২২ সালে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহগুলো আরও ভয়াবহ মাত্রায় বরফ হারিয়েছিল। সে বছর উত্তর আফ্রিকা থেকে আসা ধুলোর স্তর তুষারের ওপর জমে বরফ গলার গতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চরম বরফ গলার ঘটনা ঘন ঘন ঘটছে।

গবেষকদের মতে, হিমবাহ দ্রুত সংকুচিত হওয়ার প্রভাব শুধুমাত্র পাহাড়ি অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘমেয়াদে পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন পরিবেশগত ব্যবস্থার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রীর চিৎকারে পালালেন মাদরাসার পরিচালক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


ছাত্রীর চিৎকারে পালালেন মাদরাসার পরিচালক

নওগাঁর সাপাহার এলাকায় এক মাদরাসাছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগে মো. মোহাম্মদ আলী (২৮) নামের এক মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে মাদরাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ওই ছাত্রী একা অবস্থান করছিল। এই সুযোগে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী সেখানে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক পালিয়ে যান।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাপাহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষের দরজা বন্ধ রাখতে বলাসহ বিভিন্ন ধরনের অশোভন আচরণ করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

এ বিষয়ে সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন রেজা জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সার্বিক বিষয়ে আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে জানা খুবই জরুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ নিয়ে যাওয়ার আগে জানা খুবই জরুরি

যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সময় বাংলাদেশ থেকে প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ নিয়মিত ব্যবহারের ওষুধ নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখার পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি)।

ওষুধকে মূল প্যাকেটে রাখা এবং প্রবেশের সময় কাস্টমস কর্মকর্তাকে জানানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে, শুধুমাত্র প্রেসক্রিপশন থাকলেই সব ধরনের ওষুধ যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার অনুমতি নেই। নিউইয়র্কের জেএফকেসহ যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রবেশপথে ওষুধ বহনের জন্য সংশ্লিষ্ট ফেডারেল নিয়ম প্রযোজ্য।

সিবিপির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব ওষুধ সঙ্গে আছে, সেগুলো নিজের চিকিৎসার জন্য কেন প্রয়োজন, তা বোঝাতে ইংরেজিতে বৈধ প্রেসক্রিপশন বা ডাক্তারের চিঠি রাখা উচিত। যদি ওষুধ মূল প্যাকেটে না থাকে, তাহলে প্রেসক্রিপশনের কপি অথবা রোগ ও চিকিৎসার প্রয়োজন ব্যাখ্যা করা ডাক্তারের চিঠি সঙ্গে রাখতে হবে।

প্রেসক্রিপশনে রোগীর নাম, ওষুধের জেনেরিক নাম, ডোজ এবং ব্যবহারের নির্দেশনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকলে ওষুধ শনাক্ত করা সহজ হয়। মূল কাগজের পাশাপাশি ফটোকপি রাখা এবং ফোনে ডিজিটাল কপি সংরক্ষণ করা বাড়তি প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হতে পারে।

ওষুধকে মূল লেবেলযুক্ত প্যাকেট বা বোতলে রাখার পরামর্শ দিয়েছে সিবিপি। সম্ভব হলে প্যাকেটে ডাক্তারের ব্যবহারের নির্দেশনাও থাকতে হবে। এতে কাস্টমস পরীক্ষার সময় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশনের তথ্য মিলিয়ে দেখা সহজ হয়।

পরিমাণের ক্ষেত্রে সাধারণ নির্দেশনা হলো, নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ নেওয়া এবং সাধারণভাবে ৯০ দিনের সরবরাহের বেশি সঙ্গে না রাখা। তবে, এই নির্দেশনাকে সব যাত্রীর জন্য সব ধরনের ওষুধ নেওয়ার অনুমতি হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এফডিএ জানিয়েছে, সাময়িকভাবে আমেরিকায় আসা বিদেশি নাগরিকেরা ব্যক্তিগত চিকিৎসার জন্য ৯০ দিনের ওষুধ আনতে পারেন। এ নির্দেশনায় বিদেশি নাগরিক বলতে আমেরিকার নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা নন, এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে। ফলে আমেরিকান নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারীদের একই সুবিধা প্রযোজ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

এফডিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশে অনুমোদিত কোনো ওষুধ আমেরিকায় অনুমোদিত না হলে সেটি আমদানিতে বিধিনিষেধ থাকতে পারে। ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় বিবেচনা করা হলেও তা শর্তসাপেক্ষ। বাংলাদেশে ওষুধটি সহজে পাওয়া যায় কিংবা ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন রয়েছে, এই কারণেই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি নিশ্চিত হয় না।

বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন নিয়ন্ত্রিত উপাদানযুক্ত ওষুধের ক্ষেত্রে। কিছু ঘুমের, ব্যথার বা অন্য চিকিৎসার ওষুধ এই শ্রেণিতে পড়তে পারে। এসব ওষুধের ক্ষেত্রে ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, ডিইএর নিয়মও মানতে হয়। তাই ভ্রমণের আগে ওষুধের জেনেরিক নাম ও উপাদান অনুযায়ী প্রযোজ্য নিয়ম যাচাই করা প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন থাকার পরিকল্পনা থাকলে সঙ্গে আনা ওষুধ শেষ হওয়ার আগেই স্থানীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা উচিত। প্রাইমারি কেয়ার ডাক্তারের কাছে আগের প্রেসক্রিপশন ও চিকিৎসার কাগজপত্র নিয়ে গেলে চলমান চিকিৎসা মূল্যায়নে সহায়তা হবে। স্থানীয় ফার্মেসি থেকে পরবর্তী ওষুধ পাওয়ার বিষয়টি আগে থেকেই চিকিৎসক ও ফার্মেসির সঙ্গে নিশ্চিত করা উচিত।

ভ্রমণের প্রস্তুতিতে সবচেয়ে জরুরি হলো ওষুধের পরিচয় স্পষ্ট রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে নেওয়া এবং কাস্টমস কর্মকর্তাকে ওষুধের কথা জানানো। নিজের নাগরিকত্ব বা স্থায়ী বাসিন্দার অবস্থান এবং ওষুধের ধরন অনুযায়ী এফডিএ, সিবিপি ও প্রয়োজনে ডিইএর নির্দেশনা মিলিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাইদুল ইসলাম মামুন নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৫ পি.এম


সংবাদ প্রকাশের পর তিন বোনের পাশে উপজেলা প্রশাসন

 

স্বামী-সন্তানহীন তিন বোন। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও প্রতিবন্ধিতার কারণে অন্যের সহায়তা ছাড়া তাঁদের চলাফেরাও কঠিন। জরাজীর্ণ একটি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে মানবেতর জীবন কাটছিল তাঁদের। তিন বোনের অসহায়ত্ব নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দেবীপুর পণ্ডিতপাড়া গ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের তিন মেয়ে মন্তনী বেওয়া (৭৯), বোছ বেগম (৭৫) ও তুলি বেগম (৫৫)। তাঁদের মধ্যে মন্তনী বেওয়ার কোমরের হাড় ভাঙা, বোছ বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং তুলি বেগম বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী।

গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘তিন বোনের নেই আপনজন, ভাঙা ঘরে অসহায় জীবন’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিন বোনের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের শুকনা খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রীজীব কুন্ডু ও সংবাদকর্মী মিজানুর।

স্থানীয়রা জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে তিন বোন একে অপরকে অবলম্বন করে জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁদের নিয়মিত কোনো আয়ের উৎস নেই। জরাজীর্ণ ঘরে বসবাসের পাশাপাশি খাবার ও চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতেও তাঁদের চরম কষ্ট হয়।

এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আলাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, তিন বোনের জন্য প্রাথমিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে তাঁদের ঘরের জন্য টিনসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, তিন বোনের জন্য নিয়মিত খাদ্য ও চিকিৎসাসহ বসবাসের উপযোগী একটি নিরাপদ ঘরের ব্যবস্থা করা জরুরি। তাঁরা এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনসহ সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্নাল বাছাই ও এআই-গবেষণার নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইউল্যাবে গোলটেবিল বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


জার্নাল বাছাই ও এআই-গবেষণার নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে ইউল্যাবে গোলটেবিল বৈঠক

বাংলাদেশে গবেষণার পরিধি বৃদ্ধির সাথে সাথে গবেষণার মান, সততা এবং দায়িত্বশীল প্রকাশনার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

জাতীয় গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব), যেখানে গবেষণায় নৈতিকতা, প্রকাশনার মান, একাডেমিক মেন্টরশিপ, গবেষণা মূল্যায়ন এবং জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হবে।

‘হিউম্যানিটিজে দায়িত্বশীল গবেষণা ও প্রকাশনা’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠক আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ইউল্যাবের ঢাকার মোহাম্মদপুরের ৬৮৮ বেড়িবাঁধ রোডের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক শামসাদ মর্তুজা। গোলটেবিল বৈঠকের আহ্বায়ক ও সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইউল্যাবের ইংরেজি ও মানবিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু সালেহ মোহাম্মদ রাফি।

আলোচনায় বাংলাদেশের গবেষণা ও প্রকাশনার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে মানবিক শাখায় উপযুক্ত জার্নাল নির্বাচন, পিয়ার-রিভিউয়ের মানদণ্ড, লেখকসত্ত্ব ও উদ্ধৃতি নীতি, জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যবহার এবং গবেষণা মূল্যায়নের পরিবর্তিত পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এছাড়াও, গবেষকদের জন্য কার্যকর একাডেমিক মেন্টরশিপ, প্রকাশনায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রণোদনা এবং নতুন গবেষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়েও অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময় করেছেন।

গোলটেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শায়লা সুলতানা, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অধ্যাপক ড. সরকার হাসান আল জায়েদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইয়াসমিন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান চৌধুরী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাজিয়া মনজুর এবং ইউল্যাবের অফিস অব ফ্যাকাল্টি রিসার্চের পরিচালক অধ্যাপক ড. আনোয়ার হক জোয়ারদার।

আয়োজকদের মতে, গবেষণার বিস্তারের পাশাপাশি গবেষণাকর্মের মান ও সততা নিশ্চিত করা এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কীভাবে দায়িত্বশীল গবেষণা ও প্রকাশনার পরিবেশ তৈরি করতে পারে, সে বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

ইউল্যাব মনে করছে, গোলটেবিল বৈঠকটি শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; বরং এটি বাংলাদেশে দায়িত্বশীল গবেষণা-সংস্কৃতি নিয়ে বৃহত্তর জাতীয় সংলাপের সূচনা। গবেষণার মানোন্নয়ন ও একাডেমিক উৎকর্ষের লক্ষ্যে ভবিষ্যতে গবেষক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরো বিস্তৃত আলোচনার ক্ষেত্র তৈরির প্রত্যাশা আয়োজকদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%