বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৪১ পি.এম
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলা আজ থেকে শুরু হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের হয়ে শহরের মুক্ত মঞ্চে এসে শেষ হয়।
এরপর মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে এবং বেলুন উড়িয়ে ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ।
পরে মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে নিমের চারা রোপণ করা হয়। এ সময় মেলার স্টলগুলো পরিদর্শন করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
মেলায় ১৪টি স্টলে ফলদ, বনজ, ঔষধি ও ফুল গাছের চারা প্রদর্শন করা হয়েছে। মেলার স্টলে প্রদর্শিত এসব গাছের চারাগুলোর গুণমান পরিদর্শন করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এরপর এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল আলম। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মুন্সি আবু সাইফের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।
তিনি বলেন, ‘আজকের বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষমেলার আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। জলবায়ু পরিবর্তন, তীব্র তাপপ্রবাহ, পরিবেশ দূষণ এবং জীববৈচিত্র্যর সংকট আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র, আনসার ও ভিডিপি’র কমান্ড্যান্ট রফিকুল ইসলাম, তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এরআগে আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত এবং গীতা পাঠ করা হয়।
আগামী ৮ আগষ্ট পর্যন্ত এই মেলা চলবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হাঙ্গু জেলায় এক পুলিশ চেকপোস্টে হামলায় অন্তত সাতজন পুলিশ সদস্য ও আটজন সন্দেহভাজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আরও ২২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার রাতে হামলাটি সংঘটিত হয়। জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব জানান, হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় অভিযানের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে, এই হামলার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। এর আগে, একই প্রদেশের টাঙ্ক জেলায় আরেকটি চেকপোস্টে হামলার কারণে সেনা, পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাসহ ১৫ জন নিহত হন।
সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১২ জন হামলাকারী নিহত হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তান এর জন্য আফগানিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে। তবে আফগান তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। পাকিস্তানের দাবি, তারা আফগান ভূখণ্ডে যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে অভিযান চালিয়েছে। অন্যদিকে, তালেবান সরকার ও জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে পূর্ব আফগানিস্তানে পাকিস্তানের এক হামলায় কয়েক ডজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশব্যাপী ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে ৯০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তরিত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এবং দুর্গম ও গ্যাপ এরিয়া চিহ্নিত করে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল এ পরিকল্পনার কথা জানান। বর্তমানে সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশন রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসকে আধুনিক, দ্রুত সেবামূলক প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আরো ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে এবং বর্তমানে তা একজন প্রকল্প পরিচালকের অধীনে বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের স্থানগুলো হচ্ছে ঢাকা, গাজীপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, নওগাঁ, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া, সিলেট, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও জামালপুর।
১২টি নতুন নির্মীয়মাণ ফায়ার স্টেশন হচ্ছে নবাবগঞ্জ-ঢাকা (বি শ্রেণি), পুবাইল-গাজীপুর (বি শ্রেণি), শিমুলতলী-গাজীপুর (বিশেষ শ্রেণি), ব্রাহ্মণপাড়া-কুমিল্লা (বি শ্রেণি), দেবীদ্বার-কুমিল্লা(বি শ্রেণি), নাঙ্গলকোট-কুমিল্লা (বি শ্রেণি), শিবপুর-নোয়াখালী (বি শ্রেণি), দাগনভূঞা-ফেনী (বি শ্রেণি), নারিকেলবাড়িয়া-যশোর (বি শ্রেণি), দৌলতপুর-কুষ্টিয়া (বি শ্রেণি), আজমেরীগঞ্জ-হবিগঞ্জ (স্থল-কাম নদী শ্রেণি) ও পিয়ারপুর-জামালপুর (বি শ্রেণি)।
এছাড়া ৮টি পুনর্নির্মাণ ফায়ার স্টেশন হলো মাদারীপুর সদর-মাদারীপুর (এ শ্রেণি), কুমিল্লা সদর-কুমিল্লা (এ শ্রেণি), মাইজদী-নোয়াখালী (এ শ্রেণি), চৌমুহনী-নোয়াখালী (এ শ্রেণি), নওগাঁ সদর-নওগাঁ (এ শ্রেণি), ঈশ্বরদী-পাবনা (এ শ্রেণি), সিলেট সদর-সিলেট (এ শ্রেণি) এবং ময়মনসিংহ সদর-ময়মনসিংহ (এ শ্রেণি)।
ফায়ার সার্ভিসের ডিজি বলেন, মিরপুর ও সদরঘাটে দুটি বহুতল আবাসিক ভবনের নির্মাণের প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়েছে। এছাড়া সেবা সম্প্রসারণের জন্য ১০০টি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ অ্যাম্বুল্যান্স সংগ্রহের কাজ চলছে।
এছাড়াও মিরপুর ১০-এ আধুনিক ও ভূমিকম্প সহনশীল সদরদপ্তর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রতিষ্ঠান অগ্নিকাণ্ডসহ সব দুর্ঘটনায় প্রথম সাড়াদানকারী।
দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সাড়া দেওয়ার জন্য জনবল ও সরঞ্জাম বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের বহরে রয়েছে বিশ্বের সর্বাধিক উচ্চতা সম্পন্ন টার্ন টেবল লেডার এবং রিমোট কন্ট্রোল ফায়ারফাইটিং ভেহিক্যাল।
ফায়ারফাইটিং ড্রোন যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য হাইড্রোলিক স্প্রেডার, ভাইব্রেটর, সার্চ ভিশন ক্যামেরা ইত্যাদিও রয়েছে।
জাহেদ কামাল বলেন, বহুতল ভবনে নিজস্ব স্থায়ী অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকা জরুরি। উচ্চ ভবনে আগুন নেভানোর জন্য টার্ন টেবল লেডার ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ৬৮ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন।
জরুরি কল গ্রহণ ও ডিসপ্যাচ ব্যবস্থা আধুনিক করা হয়েছে। আমাদের ইমার্জেন্সি রেসপন্স কন্ট্রোল সেন্টার (ইআরসিসি) নামে একটি আধুনিক কন্ট্রোল রুম রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের জন্য একটি হটলাইন নম্বর ১০২ চালু করা হয়েছে। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়েও সেবা গ্রহণ করা যায়।
ফায়ার ফাইটারদের প্রশিক্ষণে আধুনিক পদ্ধতি যুক্ত করা হয়েছে। প্রশিক্ষণের কাজ জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সেবা সহজীকরণ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য অনলাইনভিত্তিক ই-ফায়ার লাইসেন্স প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।
দেশে নগরায়নের সঙ্গে অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে প্রযুক্তিনির্ভর ও দ্রুত সাড়াদান সক্ষম বাহিনীতে রূপান্তরের খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
সড়ক দুর্ঘটনা, ভবন ধস, ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য সংগঠন প্রস্তুত থাকতে হচ্ছে। এ কারণে আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ জনবল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
অবশ্য ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা ও সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় অগ্নিনিরাপত্তা মহড়া ও প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী এবং ফৌজদারী কার্যবিধি ১৫১ ধারায় দুই অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে। গত ২৯ ও ৩০ জুলাই (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) রাতে আলাদা অভিযান চালিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সহকারী পুলিশ সুপার (মীরসরাই সার্কেল) নাদিম হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে ২৯ জুলাই রাত আনুমানিক ১০টা ৫০ মিনিটে এসআই (নিঃ) মামুন হাসানের নেতৃত্বে একটি দল ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের জোরা কবরস্থান এলাকায় সালাহ উদ্দিনের দোকানের সামনে থেকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ইছাখালী ইউনিয়নের ছুন্নিমিঝির টেক গ্রামের মোঃ আলীর ছেলে মোঃ ইমাম হোসেন (২৫), সাহেবদীনগর গ্রামের মৃত আমিনুল হকের ছেলে নুর নবী (৫০) এবং কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব বাড়ীয়াখালী গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে মোঃ মান্নান (২৫)।
অন্যদিকে, ৩০ জুলাই রাত দেড়টার দিকে বারইয়ারহাট বাজার এলাকায় নাইট ডিউটিকালে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ফৌজদারী কার্যবিধি ১৫১ ধারায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেন পিএসআই (নিঃ) মোঃ কামরুল হাসান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থানার বালিয়াদ্দি গ্রামের মৃত ওহাব মিয়ার ছেলে মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৭) এবং খুলনার দিঘলিয়া থানার চান্দি মহল গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন সরকারের ছেলে সঞ্জয় সরকার (৩২)। উভয়েই বর্তমানে বারইয়ারহাট পৌরসভা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক নির্মূলে থানা পুলিশের এই বিশে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা (বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন, দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে সংস্থার ভেতরে আলোচনা তৈরি হয়েছে বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, আহসান হাবিব প্রায় ১৫ বছর ধরে একই পদে ও একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সময়ে বিভাগীয় মামলা পরিচালনার দায়িত্বকে কেন্দ্র করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি, বদলি বা সাময়িক বরখাস্তের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগও তোলা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, চাকরি প্রদান, বদলি, ঘাটের টেন্ডার ও ইজারা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করে তিনি এবং তৎকালীন এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার জন্য অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কুমিল্লা ও ঢাকায় একাধিক স্থাবর সম্পদ, ব্যক্তিগত গাড়ি, মাছের ঘের, গরুর খামার এবং ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব সম্পদের পরিমাণ তাঁর ঘোষিত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে, আহসান হাবিব এর সাথে যোগাযোগ করেও তার মতামত নেয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিআইডব্লিউটিএর কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর দাবি, দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।
অভিযোগকারীরা বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ